যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের সেনাদের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারির নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক আমির হাতামি। এছাড়া শত্রুদের সেনারা স্থল হামলা চালাতে এলে একজনকেও যেন বাঁচিয়ে না রাখা হয় সেই নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ইরানের সরকারি বার্তাসংস্থা ইরনাতে সর্বাধিনায়ক আমির হাতামির একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে সেনাবাহিনীর অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন তিনি।
আমির হাতামিকে এ সময় বলতে শোনা যায়, “যদি শত্রুরা স্থল হামলার চেষ্টা চালায়। একজনও যেন বেঁচে না থাকে।”
“শত্রুপক্ষের প্রতিটি পদক্ষেপ আর গতিবিধির ওপর মুহূর্তের জন্য নজর না হারিয়ে আমাদের চরম সতর্ক থাকতে হবে; এবং তাদের আক্রমণের ধরন বুঝে তা প্রতিহত করার পরিকল্পনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ইরানও পাল্টা হামলা শুরু করে। তারা দখলদার ইসরায়েল ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে থাকা মার্কিন অবকাঠামো টার্গেট করেছে।
যুদ্ধ প্রায় এক মাস গড়ানোর পর এখন ইরানে স্থল হামলার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য এ হামলাকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেরিন সেনা নিয়ে এসেছে। এছাড়া আরও অন্তত একটি বিমানবাহী রণতরী এ অঞ্চলে আনছে তারা। বলা হচ্ছে, মার্কিন সেনারা যদি স্থল হামলা চালায় তাহলে তাদের লক্ষ্য থাকবে পারস্য উপসাগরে থাকা ইরানের খার্গ দ্বীপ দখল করা। যে দ্বীপ থেকে নিজেদের ৯০ শতাংশ তেল বহির্বিশ্বে রপ্তানি করে তেহরান।
ইরানের সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়কের নির্দেশ: শত্রুরা স্থল হামলার চেষ্টা করলে একজনও যেন বাঁচতে না পারে
যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের সেনাদের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারির নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক আমির হাতামি। এছাড়া শত্রুদের সেনারা স্থল হামলা চালাতে এলে একজনকেও যেন বাঁচিয়ে না রাখা হয় সেই নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ইরানের সরকারি বার্তাসংস্থা ইরনাতে সর্বাধিনায়ক আমির হাতামির একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে সেনাবাহিনীর অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন তিনি।
আমির হাতামিকে এ সময় বলতে শোনা যায়, “যদি শত্রুরা স্থল হামলার চেষ্টা চালায়। একজনও যেন বেঁচে না থাকে।”
“শত্রুপক্ষের প্রতিটি পদক্ষেপ আর গতিবিধির ওপর মুহূর্তের জন্য নজর না হারিয়ে আমাদের চরম সতর্ক থাকতে হবে; এবং তাদের আক্রমণের ধরন বুঝে তা প্রতিহত করার পরিকল্পনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ইরানও পাল্টা হামলা শুরু করে। তারা দখলদার ইসরায়েল ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে থাকা মার্কিন অবকাঠামো টার্গেট করেছে।
যুদ্ধ প্রায় এক মাস গড়ানোর পর এখন ইরানে স্থল হামলার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য এ হামলাকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেরিন সেনা নিয়ে এসেছে। এছাড়া আরও অন্তত একটি বিমানবাহী রণতরী এ অঞ্চলে আনছে তারা। বলা হচ্ছে, মার্কিন সেনারা যদি স্থল হামলা চালায় তাহলে তাদের লক্ষ্য থাকবে পারস্য উপসাগরে থাকা ইরানের খার্গ দ্বীপ দখল করা। যে দ্বীপ থেকে নিজেদের ৯০ শতাংশ তেল বহির্বিশ্বে রপ্তানি করে তেহরান।