
ডেস্ক রিপোর্ট : খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রাম সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদের জেগে ওঠা চরের জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী একটি চক্র নদীর চরে বাঁধ নির্মাণ করে ব্যক্তি মালিকানা জমি দাবি করার চেষ্টা করছে। এ ছাড়াও কয়েকদিন আগে এক বিধবা নারীর ঘের দখল করে নেট, জাল, পাটা লুটপাট ও বাসা ভাংচুর করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করার অভিযোগ রয়েছে ঐ চক্রের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করে ব্যার্থহয়ে ঐ নারী উপায় না পেয়ে কয়রা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। প্রত্যক্ষদর্শিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের নাকশা গ্রাম সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদীর জেগে ওঠা চরে রাতের আঁধারে মাটি কেটে সীমানা নির্ধারণে নাজমুল সানার নেতৃত্বে কাজ করছে মোঃ হাসান সানা, শাহাবুদ্দীন সানা, মুলতান সানা, হারুন সানা সহ আরও ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল। এতে সরকারি মুল্যবান জমি দখল ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। তারা বলছেন, এভাবে চর দখল অব্যাহত থাকলে বর্ষা মৌসুমে ভাঙ্গন ও জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি পেতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম বলেন, তাদের কয়েক শতক জমির সামনে জেগে ওঠা নদীর চর সব তাদের দাবি করে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে হাসান ও নাজমুল গংরা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে প্রতিনিয়ত অবৈধ ভাবে একেক জনের মাছের ঘের ও সরকারি জমি দখলে নিচ্ছে। স্থানীয়ভাবে কেউ বাঁধা প্রধান করলে তাদেরকে আওয়ামীলীগের দসর বলে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। এমনকি তাদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করারও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। এ কারনে কেউ সাহস করে প্রতিরোধ করতে পারছে না। এ বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুতই হস্তক্ষেপ চান তারা । অভিযোগেন ব্যাপারে জানতে চাইলে শাহাবুদ্দীন সানা, হাসান, নজমুল সানা জানান, কপোতাক্ষের জেগে ওটা চর তাদের নিজেদের পৈত্রিক সম্পত্তির অংশ। এই জেগে ওঠা চর আমাদের বাপ দাদাদের পৈত্রিক সম্পত্তি, বেশ আগে নদী ভাঙ্গনে বিলিন হয়ে যায়। এখন সেই জমি ভারাট হওয়ায় আমারা আমাদের জমির আংশ বাঁধ দিচ্ছি। কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি। তদন্তপুর্বক নদী দখলকারিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।