
জিএম ফিরোজ, ডুমুরিয়া : ব্যাংক কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার কারণে বিল জমা দেয়ার এক সপ্তাহ পার হলেও বেতন ভাতা তুলতে পারেননি ডুমুরিয়ার শিক্ষক-কর্মচারিরা। এতে তারা নানা সংকট ও বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গত রোববার মাদরাসার শিক্ষক কর্মচারিদের ডিসেম্বর মাসের এমপিওর চেক ছাড়া হয়। গত ৮ তারিখ জানুয়ারির পর বেতন ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন বলে উল্লেখ করা হয়। যার ম্বারক নং ৫৭. ২৫.০০০০.০১১০৬.০০২২৩-১১২. তারিখ ৪-১-২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার অধিকাংশ স্কুল কলেজ ও মাদরাসার বেতন ভাতা রূপালি ব্যাংক থেকে উত্তোলন করতে হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে তারা টাকা প্রদানে অবহেলার পরিচয় দেন বলে অনেক অভিযোগ রয়েছে।
ডুমুরিয়ার আন্দুলিয়া কাদেরিয়া দখিল মাদরাসার বিল জমা হয়েছে গত রোববার (৯ জানুয়ারি) অথচ একসপ্তাহ অতিবাহিত হলেও শিক্ষক কর্মচারিদের একাউন্টে টাকা জমা হয়নি। মাদরাসার সহকারী শিক্ষক শিবেন্দু ম-ল বলেন, গত ৮ জানুয়ারি ব্যাংকে বিল জমা দিলেও এ পর্যন্ত একাউন্টে টাকা পোস্টিং দেননি। নিদৃষ্ট সময়ে টাকা তুলতে না পারায় শিক্ষক কর্মচারীদের নানা সংকটে পড়তে হচ্ছে।
থুকড়া ইসলামীয়া ওয়াজেদিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা আব্দুল হান্নান বলেন, রূপালী ব্যাংক সদন শাখা থেকে শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা তুলতে হয় কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দারূণভাবে অবহেলার পরিচয় দেন। এতে শিক্ষক কর্মচারীদের বিড়ম্বনা পোহাতে হয়। রানাই মহিলা দাখিল মাদরাসার সুপার মোস্তফা কামাল বলেন, সোনালী ব্যাংক থেকে আমরা বেতন ভাতা উত্তোলন করি কিন্তু তারা নিদৃষ্ট সময়েই টাকা দেয়ার ব্যবস্থা করেন।
রূপালী ব্যাংক লিমিটেড সদন শাখা খুলনার সেকেন্ড অফিসার আদিত্য কুমার ম-ল বলেন, ম্যানেজার সাহেব ঢাকায় রয়েছেন। শিক্ষকদের একাউন্টে টাকা জমা হয়েছে কিছু প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের একাউন্টে জমা হতে বাকি আছে। রোববার আশা করছি বাকিগুলো জমা হয়ে যাবে। ফান্ড পেতে দেরি হয়েছে।