ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষপাতী নন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মনে করেন সংকট সমাধানে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর চেয়ে জরুরি হলো সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর।
গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের শীর্ষ ওয়াশিংটন প্রতিনিধি জোনাথন কার্লকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মনোভাবের কথা জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।
কার্ল তাকে প্রশ্ন করেছিলেন— ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ তিনি আরও বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছেন কি না?
জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, “এটা যেকোনো দিকেই যেতে পারে, তবে আমি মনে করি (যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির চাইতে) চুক্তিই শ্রেয়। কারণ, সেক্ষেত্রে তারা তাদের দেশ পুনর্গঠন করতে পারবে। তাদের এখন সত্যিই একটি ভিন্ন শাসনব্যবস্থা আছে। যা-ই ঘটুক না কেন, আমরা উগ্রপন্থিদের নির্মূল করেছি। তারা (উগ্রপন্থিরা) চলে গেছে, আর আমাদের সাথে নেই।”
ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটিতে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
এই যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী যুদ্ধাবসানের দিকে নিয়ে যেতে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরকারি প্রতিনিধিরা।
বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর। কিন্তু ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও কোনো চুক্তিস্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে ইসলামাবাদ বৈঠক।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, শিগগিরই ফের সংলাপে বসতে যাচ্ছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। সাংবাদিক জোনাথন কার্লকে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “আমার মনে হয়, সামনের দুটি দিন আপনারা অসাধারণ কিছু দেখতে চলেছেন। আমি সত্যিই তাই মনে করি।”
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর চেয়ে চুক্তি শ্রেয় : ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষপাতী নন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মনে করেন সংকট সমাধানে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর চেয়ে জরুরি হলো সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর।
গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের শীর্ষ ওয়াশিংটন প্রতিনিধি জোনাথন কার্লকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মনোভাবের কথা জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।
কার্ল তাকে প্রশ্ন করেছিলেন— ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ তিনি আরও বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছেন কি না?
জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, “এটা যেকোনো দিকেই যেতে পারে, তবে আমি মনে করি (যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির চাইতে) চুক্তিই শ্রেয়। কারণ, সেক্ষেত্রে তারা তাদের দেশ পুনর্গঠন করতে পারবে। তাদের এখন সত্যিই একটি ভিন্ন শাসনব্যবস্থা আছে। যা-ই ঘটুক না কেন, আমরা উগ্রপন্থিদের নির্মূল করেছি। তারা (উগ্রপন্থিরা) চলে গেছে, আর আমাদের সাথে নেই।”
ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটিতে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
এই যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী যুদ্ধাবসানের দিকে নিয়ে যেতে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরকারি প্রতিনিধিরা।
বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর। কিন্তু ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও কোনো চুক্তিস্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে ইসলামাবাদ বৈঠক।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, শিগগিরই ফের সংলাপে বসতে যাচ্ছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। সাংবাদিক জোনাথন কার্লকে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “আমার মনে হয়, সামনের দুটি দিন আপনারা অসাধারণ কিছু দেখতে চলেছেন। আমি সত্যিই তাই মনে করি।”