
জন্মভূমি রিপোর্ট : আগামী ১৩ নভেম্বর আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খুলনা বিভাগীয় জনসভা সফলের লক্ষ্যে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত) আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাছিম। সভাপতিত্ব করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। প্রধান বক্তার বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত) বি. এম. মোজাম্মেল হক। বিশেষ বক্তার বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস. এম. কামাল হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় সদস্য নিমাই কুমার ভট্টাচার্য।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, যেখানে বিএনপি-জামায়াত অগ্নিসন্ত্রাস করবে সেখানে তাদেরকে পুড়িয়ে দিতে হবে। বিএনপি-জামায়াত খুনিদের হাতে কোন দিন দেশের জনগণ নিরাপদ নয়, তাদের হাতে রাষ্ট্র নিরাপদ নয়। তারা সারা দেশে আবারও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করেছে। তারা আন্দোলনের নামে সারা দেশে রাষ্ট্রীয় ও জনগণের সম্পদ ধ্বংস করছে। তারা দেশের সুষ্ঠু নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশের জনগন তাদের এসব ষড়যন্ত্রকে সফল হতে দিবে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের অপামর জনগনকে নিয়ে তাদের সকল চক্রান্তকে প্রতিহত করবে। তিনি আরো বলেন, ১৩ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় বিপুল সংখ্যক কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতির মধ্য দিয়ে বিএনপি-জামায়াতকে জানিয়ে দেয়া হবে খুলনায় তাদের কোন স্থান নেই। খুলনার জনগণ আর আগুন সন্ত্রাসীদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না। সেই সাথে আগামী নির্বাচনে খুলনার জনগণ আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করে আগুন সন্ত্রাসীদের উচিত জবাব দিবে। তবে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়নের বার্তা মানুষের মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। তাদের কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ নিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানাতে হবে।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানার পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাজী এনায়েত হোসেন, মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ শহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু, মো. শাহজাদা, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস আলম চাঁন ফারাজী, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, কামরুল ইসলাম বাবলু, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, শেখ নুর মোহাম্মাদ, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, এ্যাড. সাইফুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, শেখ সৈয়দ আলী, এ কে এম সানাউল্লাহ নান্নু, তসলিম আহমেদ আশা, এস এম আনিছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ, মনিরুজ্জামান খান খোকন, এস এম আকিল উদ্দিন, শেখ দাউদ হায়দার, শেখ আবিদ উল্লাহ, বাবুল সরদার বাদল, চ ম মুজিবুর রহমান, মো. সফিউল্লাহ, আব্দুল হাই পলাশ, নুর ইসলামসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

