By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
খবর সার্চ

প্রকাশনার ৫৫ বছর

দৈনিক জন্মভূমি

NEWSPORTAL

  • মূলপাতা
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • জেলার খবর
    • খুলনা
    • চুয়াডাঙ্গা
    • বাগেরহাট
    • মাগুরা
    • যশোর
    • সাতক্ষীরা
  • ফিচার
  • আজকের ই-পেপার
  • সকল ই-পেপার
Reading: সুন্দরবন রক্ষা করা প্রতি জরুরী কেন?
Share
দৈনিক জন্মভূমিদৈনিক জন্মভূমি
Aa
  • মূলপাতা
  • জাতীয়
  • খুলনা
  • জেলার খবর
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • সম্পাদকীয়
  • ALL E-Paper
অনুসন্ধান করুন
  • জাতীয়
  • জেলার খবর
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • ই-পেপার
Have an existing account? Sign In
Follow US
প্রধান সম্পাদক মনিরুল হুদা, প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত
দৈনিক জন্মভূমি > জেলার খবর > সাতক্ষীরা > সুন্দরবন রক্ষা করা প্রতি জরুরী কেন?
শীর্ষ খবর/ তাজা খবরসাতক্ষীরা

সুন্দরবন রক্ষা করা প্রতি জরুরী কেন?

Last updated: 2025/09/29 at 3:33 PM
জন্মভূমি ডেস্ক 2 months ago
Share
SHARE

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ‌: সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলার সময়ে বিষয়টি আবারো প্রমাণিত হয়েছে যে বাংলাদেশের নিরাপত্তার স্বার্থে সুন্দরবন কতটা আপোষহীন। প্রলয়ঙ্করী সিডর, আইলা, রোয়ানু, বুলবুল ও ফণির ক্ষত কাটতে না কাটতেই আবারও বুক পেতে উপকূলীয় এলাকার মানুষ ও সম্পদ রক্ষা করল বনটি। সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় আম্পানের গতি ৭০ কিলোমিটার কমিয়েছে, পাশাপাশি জলোচ্ছ্বাসের। উচ্চতাও কমিয়েছে ৩-৪ ফুট। সরকারের হিসাবমতে, বাংলাদেশের মোট ২৬টি জেলায় ঝড়টি তান্ডব চালায়। মোট ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ১১০০ কোটি টাকা। ৮৪ পয়েন্টে বাঁধ ভেঙেছে প্রায় ১৫০কিলোমিটার। ১১০০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২০০টি। কৃষিতে ১ লাখ ৭৬ হাজার হেক্টর জমির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ২০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছে।
সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলার সময়ে বিষয়টি আবারো প্রমাণিত হয়েছে যে বাংলাদেশের নিরাপত্তার স্বার্থে সুন্দরবন কতটা আপোষহীন। প্রলয়ঙ্করী সিডর, আইলা, রোয়ানু, বুলবুল ও ফণির ক্ষত কাটতে না কাটতেই আবারও বুক পেতে উপকূলীয় এলাকার মানুষ ও সম্পদ রক্ষা করল বনটি। সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় আম্পানের গতি ৭০ কিলোমিটার কমিয়েছে, পাশাপাশি জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতাও কমিয়েছে ৩-৪ ফুট। সরকারের হিসাবমতে,  বাংলাদেশের মোট ২৬টি জেলায় ঝড়টি তান্ডব চালায়। মোট ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ১১০০ কোটি টাকা। ৮৪ পয়েন্টে বাঁধ ভেঙেছে প্রায় ১৫০কিলোমিটার। ১১০০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২০০টি। কৃষিতে ১ লাখ ৭৬ হাজার  হেক্টর জমির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ২০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ১৯৬০ সালের পরে সংগঠিত ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে আম্পান সবচেয়ে দীর্ঘ সময় এবং বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে তান্ডব চালিয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘসময় এবং বিস্তীর্ণ এলাকা ধরে চলা এই ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতির পরিমাণ ও হতাহতের সংখ্যায় ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়, ২০০৭ সালের সিডর কিংবা ২০০৯ এর আইলার চেয়েও কম হওয়ার অন্যতম কারণ সুন্দরবন। ১৫১ কিলোমিটার গতিতে আম্পান বাংলাদেশের সাতক্ষীরায় আঘাত হানে, তবে এর আগেই সুন্দরবন ঝড়ের গতিবেগ অনেকটাই কমিয়ে দেয়। ঘূর্ণিঝড়টির সঙ্গে আসা জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা ১৫ থেকে ১৮ ফুট হওয়ার আশঙ্কা করা হলেও সুন্দরবনের কারণে উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় ১০ থেকে ১২ ফুটে নেমেআসে। ফলশ্রুতিতে উপকূলের মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষতি কম হয়।

সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা এ বনসমুদ্র থেকে উঠে আসা দুর্যোগেগুলোকে প্রথম মোকাবেলা করে। বাংলাদেশের ফুসফুস খ্যাত সুন্দরবন অক্সিজেনের এক বিশাল ফ্যাক্টরি হিসেবে কাজ করে। এর অর্থনীতিক গুরুত্বও অনেক। সুন্দরবন থাকার কারণে আমরা সৌভাগ্যবান। কিন্তু পরিতাপের বিষয় সুন্দরবনকে আমরা প্রতিনিয়ত ধবংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছি। কখনো উন্নয়নের নামে, আবার কখনো ব্যক্তি বা মুষ্টিমেয় দলগত স্বার্থের কারণে।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রকল্পটির কথা ধরা যাক। প্রকল্প এলাকাটি সুন্দরবন থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বলার অপেক্ষা রাখে না, এর ফলে সুন্দরবনের বনাঞ্চল, পরিবেশ ও জীবসম্পদ মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। এমনকি এই প্রকল্প দীর্ঘমেয়াদে সুন্দরবনের অস্তিত্ব টিকে থাকার জন্য হুমকি স্বরূপ। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, এ প্রকল্প হবে কয়লাভিত্তিক, যার নির্মাণ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নিরুৎসাহিত করা হয়। কেননা, পরিবেশবান্ধব না হওয়ার পাশাপাশি মানুষ ও জীববৈচিত্রের জন্য ক্ষতিকর বলে বিভিন্ন দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইন রয়েছে। যেমন, কানাডা ও ফ্রান্সে কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের বিরুদ্ধে রয়েছে কঠোর আইন (প্রমাণ করতে হবে যে এটি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়, যথেষ্ট ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে তা অনুমোদিত হবে না)। পাশাপাশি তারা জনমত ও বিশেষজ্ঞ মতামতকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়।

পরিতাপের বিষয়, পরিবেশগত গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোকে আমরা উপলব্ধি করতে পারছি না। বিষয়টি সত্য যে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির বিকল্প নেই। কারণ আমাদের গ্যাসের মজুদ ফুরিয়ে আসছে, যার একটা বড় অংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই বলে সুন্দরবনের মতো প্রাকৃতিক বনের নিকটেই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নির্মাণ করতে হবে? তাও কয়লাভিত্তিক? যা উন্নয়নের নামে বড় ধরণের পরিবেশগত ক্ষতি সাধনেরই নামান্তর।

তাছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনে জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কয়লা আমদানি করতে হবে। যেহেতু সুন্দরবন সংলগ্ন নদীপথ জাহাজ চলাচলের উপযুক্ত নয় তাই এ কয়লা ছোট ছোট নৌকা বা লঞ্চে করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নিতে হবে। মালামাল ওঠানামা এবং চলাচলের সময় কয়লাভর্তি নৌকা বা লঞ্চ ডুবির আশংকা রয়েছে। যা পরিবেশের জন্যও ঝুঁকির। তাছাড়া বায়ু দূষণও শব্দ দূষণ তো আছেই।বাতাসে কার্বনডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাবে। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হবে।

সাধারণত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পরিবেশে অতিরিক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড ছড়ায়। এছাড়া বিষাক্ত সালফার ডাইঅক্সাইড, নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড, ক্যাডমিয়াম, লেড, ছাই ইত্যাদি গ্যাস ও ভারী ধাতু পরিবেশে নির্গমনের ফলে এসিড-বৃষ্টি অবধারিত। এতে করে অনায়সে ক্ষতিগ্রস্থ হবে সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছগাছালি ও প্রাণীদের জীবনচক্র, যেহেতু তাদের খাদ্য ও বায়ু বিষাক্ত হয়ে পড়বে। মানুষের জন্যও এ প্রভাব প্রযোজ্য। নানাবিধ বিচার-বিশ্লেষণে দেখা যায়,  রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবন ও সেখানকার জীববৈচিত্র্যের জন্য অপূরণীয় ক্ষতিকর এ প্রশ্নে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মধ্যে কোনো মতভেদ নেই।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার পাপাশাপাশি, সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতেও যেমন, ঠিক তেমনি জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের মোট বনজসম্পদের একক বৃহত্তম উৎস সুন্দরবন। কাঠের উপর নির্ভরশীল শিল্পের কাঁচামালের এক বিশাল অংশ জোগান দিয়ে আসছে সুন্দরবন।বহুমানুষ সুন্দরবন কেন্দ্রীক জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় নানা অজুহাতে নির্বিচারে গাছ কেটে উজাড় করা হচ্ছে বনটি।

২০১৮ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশবিদ্যা ইন্সটিটিউটের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়‘সিডর’-এর সময় সুন্দরবন দেশের দক্ষিণ-পশিমাঞ্চলের ৪৮৫ দশমিক ২৯ মিলিয়ন ডলারের সম্পদ রক্ষা করেছিল। গবেষকেরা বলছেন, সুন্দরবন না থাকলে টাকার অঙ্কে ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি হতো। সম্প্রতিআইপিসিসিএর এক প্রাক্কলনে দেখানো হয়েছে যে, ২০৫০ সালে বাংলাদেশ তার ভূমির ১৭ শতাংশ এবং খাদ্য উৎপাদনের ৩০ শতাংশ হারাবে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাসমূহ এবং এসব জেলায় বসবাসরত জনগোষ্ঠী। সুতরাং ভবিষ্যতের মহাবিপদ হতে রক্ষা পেতে হলে আমাদের অবশ্যই সুন্দরবন রক্ষা করতে হবে। জাতীয় স্বার্থেই সুন্দরবন রক্ষার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

লেখক
উন্নয়নকর্মী
ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল।পুরো উপক‚লীয় অঞ্চল। সিডর, আইলার ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পর রেমালের আঘাত একই ধরণের হয়েছিল ‌।আবহাওয়াবিদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, গত দেড় দশকের মধ্যে উপক‚লে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে প্রভাব ও বিস্তারের দিক থেকে রেমাল ব্যতিক্রমী। রেমালের প্রভাব অন্তত ৪০ ঘন্টা পর্যন্ত ছিল। এর আগে ২০০৯ সালে ভূখন্ডে আইলা’র প্রভাব ছিল প্রায় ৩০ ঘন্টা। ২০০৭ সালে সিডরের প্রভাব ছিল ১৬ ঘন্টা এবং ২০২২ সালে সিত্রাংয়ের প্রভাব ছিল ১০ ঘন্টা। গত বছর মোখার প্রভাব ছিল সবচেয়ে কম ৬ ঘন্টা। তবে এসব ঘূর্ণিঝড়ের প্রবল আঘাত এবং প্রভাব কমাতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে সুন্দরবন। সুন্দরবন না থাকলে এগুলোর প্রকৃত যে গতি এবং শক্তি, সে অনুযায়ী আঘাত হানলে বাংলাদেশের উপক‚লীয় অঞ্চল বলে কিছু থাকত না। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এবারও রেমালের ভয়ঙ্কর শক্তি সুন্দরবন ঠেকিয়ে দিয়েছে। যে ক্ষতি হয়েছে, তারচেয়ে আরও বেশি ক্ষতি থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিগত ৭৫ বছরে বঙ্গোপসাগরে ১৫১টি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই উপক‚লীয় অঞ্চলে আঘাত হেনেছে এবং সেগুলোর শক্তি খর্ব করে দিয়েছে সুন্দরবন। প্রকৃতির এই অপার দান সুন্দরবন উপক‚ল অঞ্চলে রক্ষাকবচ হয়ে রয়েছে।
সুন্দরবনের বৈচিত্র নতুন করে বলার কিছু নেই। এটি বিশ্বের একমাত্র ম্যানগ্রোভ বন এবং বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যেখানে সুন্দরবন ও কক্সবাজার অঞ্চলে ম্যানগ্রোভ বন রয়েছে। প্রায় ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের সুন্দরবনের ৬ বর্গকিলোমিটারের বেশি বাংলাদেশে অবস্থিত। বৃহত্তর খুলনায় এর অবস্থান। বাগেরহাট, পটুয়াখালি, বরগুনা, সাতক্ষীরার অনতিদূরে অবস্থিত। সাধারণত দেশের উপক‚লের যে অঞ্চল দিয়ে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে তার মুখেই সুন্দরবন দাঁড়িয়ে আছে। যেন ঘূর্ণিঝড় ঠেকাতে অতন্দ্র প্রহরী হয়ে রয়েছে। দুঃখের বিষয়, যে সুন্দরবন বারবার ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় ঠেকিয়ে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে দিচ্ছে, তাই আমরা অবিবেচকের মতো ধ্বংস করে দিচ্ছি। প্রতিনিয়ত এর পরিবেশ, প্রতিবেশের ক্ষতি করছি। একশ্রেণির মানুষ নির্বিচারে এর গাছপালা কাটা, এর জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণসহ এর দূষণ করে চলেছে। এর জীববৈচিত্র হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। প্রায়ই এর ভেতর বিষাক্ত কেমিক্যাল ও তেলবাহী জাহাজ ডুবতে দেখা যায়। এই বিষাক্ত তেল সুন্দরবনের ভেতর ছড়িয়ে এর পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। কয়েক দিন আগে সুন্দরবনে আগুন লেগে এর পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। সুন্দরবনকে যেমন খুশি তেমন ব্যবহার করে এর যে ক্ষতি করা হচ্ছে, তাতে এ বনের অস্তিত্ব হুমকির মুখে রয়েছে বলে পরিবেশবিদরা মনে করছেন। অথচ পৃথিবীতে সুন্দরবন একটিই। এটি মহান আল­াহর বিশেষ দান। এটি ধ্বংস হয়ে গেলে, আরেকটি সুন্দরবন কি মানুষের পক্ষে তৈরি করা সম্ভব হবে? যে সুন্দরবন আইলা, সিডরের মতো ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়কে দুর্বল করে ব্যাপক ক্ষতি থেকে রক্ষা করেছে এবং সর্বশেষ রেমালের ব্যাপক তান্ডব কমিয়েছে, সেই সুন্দরবন রক্ষায় তেমন কোনো পরিকল্পিত উদ্যোগ নেই। বিষয়টি এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে, সুন্দরবন প্রকৃতির দান এবং প্রাকৃতিকভাবেই তা রক্ষা পাবে। এ ধারণা যে ভুল, তা আমরা প্রতিনিয়ত দেশের সংরক্ষিত বন থেকে শুরু করে পাহাড় কেটে ধ্বংস করা থেকে বুঝতে পারি। যেসব এলাকার বন ও পাহাড় কেটে সাফ করে ফেলা হচ্ছে, সেসব এলাকা বিরানভূমিতে পরিণত হচ্ছে। সেখানে আর প্রাকৃতিকভাবে বন ও পাহাড় গড়ে উঠছে না। একইভাবে সুন্দরবন যেভাবে নির্বিচারে ধ্বংস করা হচ্ছে, তা যে একসময় বিলুপ্ত হয়ে যাবে, তাতে সন্দেহ নেই।

ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত সামাল দেয়ার জন্য উপক‚লীয় অঞ্চলে ব্যাপকহারে প্যারাবন সৃষ্টি করা অপরিহার্য। প্রাকৃতিকভাবে প্যারাবন হয়ে থাকা সুন্দরবন একাই ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাপক তান্ডব থেকে রক্ষা করছে। বারবার রক্ষা করে এর গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। এর প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে না পারলে ঝড় সামাল দেয়ার সক্ষমতা একসময় থাকবে না। তখন কী পরিস্থিতি দাঁড়াবে, তা কল্পনাও করা যায় না। যারা বন ও পাহাড় কেটে ধ্বংস করে দিচ্ছে, তারা যত প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। ঝড়-ঝঞ্ঝা মোকাবেলায় উপক‚লীয় অঞ্চলে প্যারাবনসৃষ্টিসহ ব্যাপক বনায়ন করতে হবে। সুন্দরবনকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে হবে।

জন্মভূমি ডেস্ক January 10, 2026
Share this Article
Facebook Twitter Whatsapp Whatsapp LinkedIn Email Copy Link Print
Previous Article জমজমাট ‌সাতক্ষীরায় ঐতিহ্যবাহী মন্টুর বাগান পর্যটন স্পট
Next Article শীতের দাপটে কাঁপছে ‍সাতক্ষীরার ‌ উপকূল
আরো পড়ুন
মহানগর

নগরীতে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি খুন

By জন্মভূমি ডেস্ক 5 minutes ago
খুলনাশীর্ষ খবর/ তাজা খবর

খুলনার নদ-নদীতে মাছের কমেছে প্রাকৃতিক উৎপাদন

By জন্মভূমি ডেস্ক 13 minutes ago
যশোর

যশোরে আল মামুন ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ

By জন্মভূমি ডেস্ক 60 minutes ago

দিনপঞ্জি

March 2026
S M T W T F S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
« Feb    

এ সম্পর্কিত আরও খবর

খুলনাশীর্ষ খবর/ তাজা খবর

খুলনার নদ-নদীতে মাছের কমেছে প্রাকৃতিক উৎপাদন

By জন্মভূমি ডেস্ক 13 minutes ago
সাতক্ষীরা

ফিতরা কার ওপর ওয়াজিব, কখন-কাকে দিতে হবে

By Correspondent 2 hours ago
খুলনামহানগরশীর্ষ খবর/ তাজা খবর

নিখোঁজের ১২ দিন পর ব্যবসায়ি উদ্ধার, ঘটনা রহস্যজনক

By সিনিয়র করেস্পন্ডেন্ট 4 hours ago

প্রকাশনার ৫৫ বছর

দৈনিক জন্মভূমি

পাঠকের চাহিদা পূরণের অঙ্গীকার

রেজি: কেএন ৭৫

প্রধান সম্পাদক: লে. কমান্ডার (অব.) রাশেদ ইকবাল

অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক: আলি আবরার

প্রকাশক: আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত

ইমেইল– janmokln@gmail.com           অনলাইন নিউজরুম-০১৬১১৬৮৮০৬৪        রফিকুজ্জামান বার্তা কক্ষ ০৪১-৭২৪৩২৪

Developed By Proxima Infotech and Ali Abrar

Removed from reading list

Undo
Welcome Back!

Sign in to your account

Lost your password?