
জন্মভূমি রিপোর্ট : বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজল দেবনাথ বলেছেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনেছিল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। ৭২টি আসন ছেড়ে দিয়ে আওয়ামী লীগকে সুযোগ করে দেয়া হয়েছিল। এই ৭২টি আসন ছিল হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের। তখন এই সুযোগ আমরা না দিলে আওয়ামী লীগেরই জন্ম হতো না। বঙ্গবন্ধু একক সংখ্যাগরিষ্ট সমর্থনও পেতো না এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধও হতো না। ১৯৫৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত যতগুলো ভোট হয়েছে আমরা আওয়ামী লীগের বাইরে ভোট দেইনি। তাই আমাদের সকল দাবী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মেনে নিতে হবে।
শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে নগরীর শহীদ হাদিসপার্কে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর ও জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকাল ১০টায় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল রোজারিও। সভাপতিত্ব করেন নগর সভাপতি বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ। বক্তৃতা করেন সিটি কর্পোরেশনের সদ্য বিদায়ী মেয়র তালুকাদর আব্দুল খালেক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী, সংগঠনের সহ-সভাপতি বিজয় কুমার ঘোষ, সহ-সভাপতি ও সাবেক সচিব ড. প্রশান্ত কুমার রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ ও এ্যাড. তাপস পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপ্না রাণী বিশ^াস, বাংলাদেশ খ্রিস্টান এসোসিয়েশনের সভাপতি হেমন্ত কৈরাশী, ভারত-বাংলাদেশ সম্প্রীতি পরিষদ খুলনা চ্যাপ্টারের চেয়ারপার্সন বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. এম এম মুজিবুর রহমান, জাতীয় মহিলা সংস্থা খুলনার চেয়ারম্যান অধ্যাপক রুনু ইকবাল বিথার, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্যামল হালদার, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কৃষ্ণপদ দাস, ঐক্য পরিষদ জেলা কমিটির সভাপতি বিমান বিহারী রায় অমিত, মহানগর সহ-সভাপতি সমর কুন্ডু, পূজা পরিষদ জেলা সাধারণ সম্পাদক বিমান সাহা। অনুষ্ঠানে যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের জেলা সাধারণ সম্পাদক ডাঃ অধ্যাপক শ্যামল দাস ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা।
খুলনা প্রেসক্লাবে দ্বিতীয় অধিবেশনে কোন প্রতিদ্বন্দ্বি না থাকায় পুনরায় বীরেন্দ্র নাথ ঘোষকে মহানগর কমিটির সভাপতি এবং গোপাল চন্দ্র সাহাকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে অপর দুই প্রার্থী থাকলেও তাদের সমর্থনে সঠিক প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারী না থাকায় পুনরায় বিমান বিহারী রায় অমিতকে সভাপতি ও অধ্যাপক ডাঃ শ্যামল দাসকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।