জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে আজ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যদি আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে তাদের শর্ত অনুযায়ী ইরান চুক্তি না করে তাহলে ইরানকে তারা প্রস্তর যুগে ফেরাবেন।
ইরানকে প্রস্তর যুগে ফেরানোর যে হুমকি ট্রাম্প দিয়েছেন, এটির পেছনে রয়েছে ভয়াবহ নির্মমতা।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলেছে, প্রস্তর যুগে ফেরানোর মাধ্যমে মূলত ইরানে ‘কার্পেট বোম্বিংয়ের’ ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। এই কার্পেট বোম্বিং করে আধুনিক সবকিছু— হাসপাতাল, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হোটেল, উঁচু ভবন এবং পার্ক ধ্বংস করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ আধুনিক বিশ্বের সব সুযোগ সুবিধা ইরানিদের থেকে কেড়ে নেওয়া হবে।
যা গত কয়েক বছরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দখলদার ইসরায়েল।
কার্পেট বোম্বিং অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও নতুন কিছু নয়। তারা এ হুমকি এর আগেও অন্যান্য দেশকে দিয়েছে এবং এটি করেছেও।
‘প্রস্তর যুগে ফেরত পাঠানোর’ যে ভাষা— সেটির ব্যবহার শুরু করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা কার্টিস লিমে। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের শহরগুলোতে কার্পেট বোম্বিং চালিয়ে সেগুলো ধ্বংস করে দিয়েছিলেন।
এরআগে ১৯৫০ সালের দিকে উত্তর কোরিয়ায় এই কার্পেট বোম্বিং করেছিল মার্কিন সেনারা। ওই সময় তারা দেশটির ৯৫ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও প্রায় ৮০ ভাগ ঘরবাড়ি ধ্বংস করে দিয়েছিল।
মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা কার্টিস লিমে তার ‘স্মৃতিকথা’ বইয়ে পরবর্তীতে ভিয়েতনামকেও ‘প্রস্তর যুগে ফেরত পাঠানোর’ আহ্বান করেছিলেন।
১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিন্টে রিচার্ড নিক্সন দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামের দক্ষিণাঞ্চলে কার্পেট বোম্বিংয়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
অপরদিকে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ পাকিস্তানকে হুমকি দিয়েছিলেন, যদি তালেবানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে পাকিস্তান যুদ্ধ না করে তাহলে তাদের ‘প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই হুমকির কথা পরবর্তীতে জানান প্রয়াত পাক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশারফ।
ইরানকে প্রস্তর যুগে ফেরাব, ট্রাম্পের হুমকির পেছনে আছে যে ভয়াবহ নির্মমতা
জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে আজ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যদি আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে তাদের শর্ত অনুযায়ী ইরান চুক্তি না করে তাহলে ইরানকে তারা প্রস্তর যুগে ফেরাবেন।
ইরানকে প্রস্তর যুগে ফেরানোর যে হুমকি ট্রাম্প দিয়েছেন, এটির পেছনে রয়েছে ভয়াবহ নির্মমতা।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলেছে, প্রস্তর যুগে ফেরানোর মাধ্যমে মূলত ইরানে ‘কার্পেট বোম্বিংয়ের’ ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। এই কার্পেট বোম্বিং করে আধুনিক সবকিছু— হাসপাতাল, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হোটেল, উঁচু ভবন এবং পার্ক ধ্বংস করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ আধুনিক বিশ্বের সব সুযোগ সুবিধা ইরানিদের থেকে কেড়ে নেওয়া হবে।
যা গত কয়েক বছরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দখলদার ইসরায়েল।
কার্পেট বোম্বিং অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও নতুন কিছু নয়। তারা এ হুমকি এর আগেও অন্যান্য দেশকে দিয়েছে এবং এটি করেছেও।
‘প্রস্তর যুগে ফেরত পাঠানোর’ যে ভাষা— সেটির ব্যবহার শুরু করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা কার্টিস লিমে। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের শহরগুলোতে কার্পেট বোম্বিং চালিয়ে সেগুলো ধ্বংস করে দিয়েছিলেন।
এরআগে ১৯৫০ সালের দিকে উত্তর কোরিয়ায় এই কার্পেট বোম্বিং করেছিল মার্কিন সেনারা। ওই সময় তারা দেশটির ৯৫ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও প্রায় ৮০ ভাগ ঘরবাড়ি ধ্বংস করে দিয়েছিল।
মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা কার্টিস লিমে তার ‘স্মৃতিকথা’ বইয়ে পরবর্তীতে ভিয়েতনামকেও ‘প্রস্তর যুগে ফেরত পাঠানোর’ আহ্বান করেছিলেন।
১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিন্টে রিচার্ড নিক্সন দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামের দক্ষিণাঞ্চলে কার্পেট বোম্বিংয়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
অপরদিকে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ পাকিস্তানকে হুমকি দিয়েছিলেন, যদি তালেবানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে পাকিস্তান যুদ্ধ না করে তাহলে তাদের ‘প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই হুমকির কথা পরবর্তীতে জানান প্রয়াত পাক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশারফ।