By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
খবর সার্চ

প্রকাশনার ৫৫ বছর

দৈনিক জন্মভূমি

NEWSPORTAL

  • মূলপাতা
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • জেলার খবর
    • খুলনা
    • চুয়াডাঙ্গা
    • বাগেরহাট
    • মাগুরা
    • যশোর
    • সাতক্ষীরা
  • ফিচার
  • আজকের ই-পেপার
  • সকল ই-পেপার
Reading: উপকূলে পলিথিন ব্যবহারে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি
Share
দৈনিক জন্মভূমিদৈনিক জন্মভূমি
Aa
  • মূলপাতা
  • জাতীয়
  • খুলনা
  • জেলার খবর
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • সম্পাদকীয়
  • ALL E-Paper
অনুসন্ধান করুন
  • জাতীয়
  • জেলার খবর
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • ই-পেপার
Have an existing account? Sign In
Follow US
প্রধান সম্পাদক মনিরুল হুদা, প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত
দৈনিক জন্মভূমি > জেলার খবর > সাতক্ষীরা > উপকূলে পলিথিন ব্যবহারে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি
শীর্ষ খবর/ তাজা খবরসাতক্ষীরা

উপকূলে পলিথিন ব্যবহারে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি

Last updated: 2025/06/18 at 2:18 PM
সিনিয়র করেস্পন্ডেন্ট 4 months ago
Share
SHARE

সিরাজুল ইসলাম, শ্যামনগর : সুন্দরবন উপকূলে পলিথিন ব্যবহারে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতির কারণে বৃদ্ধ া ও শিশুদের নানা রকম রোগ ব্যাধিতে ভুগতে হচ্ছে ‌। বাদ পড়ছে না গবাদি পশু‌‌। উপকূলীয় এলাকার হাট বাজার বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানের পলিথিন প্লাস্টিক সব নদীতে ফেলানো হচ্ছে। এতে নদীর পানি দূষিত হয়ে উপকূলীয় এলাকায় মারাত্মক পরিবেশ দূষণ দেখা দিয়েছে। এ থেকে ‌বাদ যাচ্ছে না বিভিন্ন শহর নগর।পলিথিনের ব্যবহার নিষেধাজ্ঞা ‌হলেও এ আইনের কোনো প্রয়োগ নেই। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তা দ্রুত বাস্তবায়ন দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। রাজধানীসহ সারা দেশে প্রায় ৩ হাজার কারখানায় দিনে ১ কোটি ৪০ লাখ নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ তৈরি হচ্ছে। এগুলোর সিংহভাগই পুরান ঢাকাকেন্দ্রিক। রাজধানীর ৬৪ শতাংশ মানুষ পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করে। তার মধ্যে শুধু ঢাকা শহরে প্রতিদিন প্রায় আড়াই কোটিরও বেশি পলিথিন ব্যাগ একবার ব্যবহার করে বাইরে ফেলে দেওয়া হয়।…পলিথিন আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অনিবার্য অংশ হয়ে উঠেছে। আর তার পরিণতি আমরা ভোগ করছি প্রতিনিয়তই। ক্যানসারসহ নানা রোগব্যাধি বাসা বাঁধছে শরীরে। চিকিৎসায় ব্যয় হচ্ছে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। অবশেষে টেনে নিয়ে যাচ্ছে অকালমৃত্যুর করুণ পরিণতির দিকে। অত্যধিক পলিথিন ব্যবহার নিয়ে চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা এমন কথাই বলছেন। পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যবহারের ফলে হরমন বাধাগ্রস্ত হয়। এর ফলে দেখা দিতে পারে বন্ধ্যত্ব, নষ্ট হতে পারে গর্ভবতী মায়ের ভ্রুণ, বিকল হতে পারে লিভার ও কিডনি। পৃথিবীব্যাপী তাই পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। অনেক দেশ আইন করে তা নিষিদ্ধও করেছে। সহজলভ্যতা, বহুমুখী ব্যবহার, স্বল্পমূল্য, হালকা ওজন ও উচ্চ স্থায়িত্বের ফলে নানা ধরনের প্লাস্টিকসামগ্রী যেমন- প্লাস্টিক ব্যাগ, ফিল্ম, সিনথেটিক পোশাক, কার্পেট, থালাবাসন, ঘটিবাটি, বোতল, টায়ার, খেলনা, প্যাকেটজাত দ্রব্য, সার, যন্ত্রপাতি, যানবাহনের বডি ও যন্ত্রাংশ ইত্যাদি পরিণত হয়েছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অনিবার্য উপাদানে। নিত্যব্যবহার্য এসব প্লাস্টিকসামগ্রী, সিনথেটিক টেক্সটাইল ও কলকারখানা থেকে নির্গত বর্জ্য সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে পড়ছে পরিবেশে। যথেচ্ছ ব্যবহারের কারণে সাগরের তলদেশ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট পর্যন্ত পৃথিবীর সর্বত্র, এমনকি মেরু অঞ্চলেও প্লাস্টিক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়েছে।

ইতোমধ্যেই পৃথিবীর মাটি, পানি, বায়ুমণ্ডল, বন্যপ্রাণী, জীববৈচিত্র্য ও মানবস্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এই প্লাস্টিকদূষণ। একসময়ের উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার প্লাস্টিক এখন পরিবেশদূষণ নামের দুঃস্বপ্নের শামিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর অপব্যবহার এবং অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ফলে বিশ্বব্যাপী বাস্তুতন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। প্লাস্টিকজাত দ্রব্যের বিস্তৃত ব্যবহারের মধ্যে থাকা একবার ব্যবহারযোগ্য পণ্য থেকে শুরু করে দীর্ঘস্থায়ী উপকরণ, সবই পরিবেশ ক্ষয়ে অন্যতম অবদান রাখে। মূল সমস্যাটা হচ্ছে প্লাস্টিক বর্জ্যের অব্যবস্থাপনার কারণে। একটি বড় পরিমাণের প্লাস্টিক বর্জ্য গিয়ে জমা হয় ভাগাড়ে, যেগুলো পচতে সময় গেলে যায় বছরের পর বছর।
এ ছাড়া অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ফলে একটি মোটামুটি পরিমাণে প্লাস্টিক বর্জ্যের গন্তব্য হয় জলাশয়গুলো, যার জের ধরেই ক্রমবর্ধমান সমুদ্রদূষণের সমস্যাটি আরও বৃদ্ধি পায়। সমুদ্র যেন প্লাস্টিক বর্জ্যের এক বিশাল মজুত হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে করে বিপর্যস্ত হচ্ছে সামুদ্রিক জীবন। জাতিসংঘের পরিবেশ প্রোগ্রামের (ইউএনইপি) পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, ৮ মিলিয়নেরও বেশি মেট্রিক টন প্লাস্টিক বর্জ্য প্রতিবছর সমুদ্রে প্রবেশ করে। এই প্লাস্টিকদূষণ সামুদ্রিক প্রাণীদের জন্য বিশাল হুমকির রূপ নেয়, কেননা তারা প্রায়ই ভুল করে প্লাস্টিককে খাবার মনে করে বা বিভিন্নভাবে তাদের শরীর প্লাস্টিকের সঙ্গে জড়িয়ে যায়। প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ৪৫ কোটি টন প্লাস্টিক বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ছে। প্লাস্টিক বর্জ্য ৪০০ বছর পর্যন্ত পরিবেশে বিরাজ করে জীব ও প্রকৃতির ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। উন্নত দেশে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থাকায় ব্যবহৃত প্লাস্টিক পরিবেশে কম ছড়িয়ে পড়ছে। প্রায় সব ধরনের মোড়ক ও বোতল প্লাস্টিকের তৈরি। ব্যবহৃত প্লাস্টিকের কিছু অংশ রিসাইকেল করা হলেও বেশির ভাগই বর্জ্য হিসেবে ছড়িয়ে পড়ছে। প্লাস্টিক কৃত্রিমভাবে তৈরি একটি পলিমার। এটি জীবাশ্ম জ্বালানি বা প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে রাসায়নিক উপায়ে তৈরি করা হয়।

অন্তর্র্বতী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারের বিষয়ে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন। দেশের কোনো সুপারশপে পলিথিন ব্যাগ রাখা যাবে না। এর পরিবর্তে পাট বা কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করতে হবে। ১ নভেম্বর থেকে ঢাকার ১০টি কাঁচাবাজারে পলিথিন ব্যবহার বন্ধে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দেশব্যাপী পলিথিন উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এদিকে সুপারশপগুলোর পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে, ক্রেতারা যেন নিজস্ব ব্যাগ সঙ্গে নিয়ে কেনাকাটা করতে আসেন। ব্যাপক হারে পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত বিপর্যয় সম্পর্কে এখন আর কারও দ্বিমত নেই। দেশের পরিবেশ বিজ্ঞানী ও পরিবেশ আন্দোলনকর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি এবং ঢাকা শহরের চারপাশের নদ-নদীদূষণ, সামান্য বৃষ্টিতে পানিবদ্ধতা, পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ার মতো বাস্তব সংকটের প্রেক্ষাপটে বিগত সরকার আইন করে পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করলেও আইনের বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতার কারণে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বেড়েই চলেছে। বর্তমান সরকার পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।
এটা সময়োপযোগী, বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ। গত ২২ বছরে আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় পলিথিনের ব্যবহার কমেনি এতটুকুও। বর্তমানে বাজারগুলোতে প্রকাশ্যে পলিথিনের ব্যবহার হলেও এ আইনের কোনো প্রয়োগ নেই। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তা দ্রুত বাস্তবায়ন দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী আরও অবাক করা বিষয় হচ্ছে, রাজধানীসহ সারা দেশে প্রায় ৩ হাজার কারখানায় দিনে ১ কোটি ৪০ লাখ নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ তৈরি হচ্ছে। এগুলোর সিংহভাগই পুরান ঢাকাকেন্দ্রিক। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে প্রতিদিন যে পরিমাণ পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয়, অনেক দেশে তা ১০ মাসেও হয় না। এদিকে বিশ্বব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজধানীর ৬৪ শতাংশ মানুষ পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করে। তার মধ্যে শুধু ঢাকা শহরে প্রতিদিন প্রায় আড়াই কোটিরও বেশি পলিথিন ব্যাগ একবার ব্যবহার করে বাইরে ফেলে দেওয়া হয়। অপচনশীল ও সর্বনাশা পলিথিনের এমন যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে বিশেষ করে বর্ষাকালে নগর-মহানগরে পয়োনিষ্কাশনের ড্রেন, নালা, নর্দমা, খাল, বিল ও নদীগুলো ভরাট হচ্ছে আর দূষিত হচ্ছে পানি। ২০২৩ সালে এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ঢাকা শহরে একটি পরিবার প্রতিদিন গড়ে পাঁচটি করে পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার করে।
সে হিসাবে শুধু ঢাকা শহরে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি পলিথিনের ব্যাগ একবার ব্যবহার করে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। দেশে পরিবেশদূষণের অন্যতম কারণ পলিথিন হলেও এর সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছে টিস্যু ব্যাগ। ওভেন পলি প্রোপাইলিন দিয়ে প্লাস্টিক পণ্য তৈরির পাশাপাশি টিস্যু ব্যাগ তৈরি করা হচ্ছে। বিভিন্ন রঙের ও মোটা হওয়ায় অনেকেই ব্যবহার করায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে টিস্যু ব্যাগের ব্যবহার। টিস্যু ব্যাগ অপচনশীল। এই বস্তুটি ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলে দেওয়া হয়। যা পয়োনিষ্কাশন নালায় আটকে গিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে। পরিবেশের প্রতিটা উপাদানের সুসমন্বিত রূপই হলো সুস্থ পরিবেশ। এই সুসমন্বিত রূপের ব্যত্যয়ই পরিবেশেরদূষণ ঘটায় এবং পরিবেশের স্বাভাবিক মাত্রার অবক্ষয় দেখা দেয়। পরিবেশ বিভিন্ন কারণে দূষিত হতে পারে। প্রাকৃতিক কারণের পাশাপাশি মানবসৃষ্ট কারণও এর জন্য দায়ী। মানুষের অসচেতনতা এবং অনিয়ন্ত্রিত আচরণের কারণেই পরিবেশদূষণ হচ্ছে ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে। পলিথিন উৎপাদনকারী থেকে শুরু করে এটির বাজারজাতকারী ও ব্যবহারকারীরা পর্যন্ত জটিল স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে রয়েছে। পলিথিন জমা হয়ে নদীর তলদেশ ভরাট করে ফেলে।

পলিথিন পোড়ালে বাষুদূষণ ঘটে। পলিথিন এবং প্লাস্টিকের বর্জ্যগুলো মাটিতে পড়ার দরুন মাটি তার মৌলিকত্ব হারাচ্ছে এবং এসব মাটিতে কোনো ভৌত কাঠামো নির্মাণ করলে তা দুর্বল হতে পারে। গ্রামে প্রত্যেক বাড়িতেই তরিতরকারির খোসা, মাছের অপ্রয়োজনীয় অংশ, বাড়িঘর, উঠান ঝাড়ু দেওয়ার পর ময়লা-আবর্জনাগুলো একটা নির্দিষ্ট গর্তে ফেলা হয় এবং যেগুলো কয়েক মাস পর কৃষক জৈব সার হিসেবে কৃষিকাজে ব্যবহার করে। পলিথিন এবং প্লাস্টিকের বর্জ্য ড্রেন, নদী-নালা, খাল-বিলে ফেলার দরুন ময়লা পানি নিষ্কাশনে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, পাশাপাশি মাছ চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পলিথিন ব্যাগ সহজলভ্য হওয়ায় শহর এলাকায় তরিতরকারির খোসা, মাছের অপ্রয়োজনীয় অংশ, খাবারের উচ্ছিষ্ট এবং বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা পলিথিন ব্যাগে ভরার পর সেগুলো কোনো ডাস্টবিনে অথবা রাস্তার পাশে ফেলা হয়। বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক বর্জ্যে অনেক আগেই বিষাক্ত হয়েছে বুড়িগঙ্গার পানি। বাতাসে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ।
নদীর তলদেশে জমাট বেঁধেছে ৮ ফুট পুরু পলিথিনের স্তর। বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা পলিথিন এবং প্লাস্টিকের বর্জ্যগুলো একত্রিত করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে এবং প্রজ্বলিত পলিথিন এবং প্লাস্টিক থেকে নির্গত ক্ষতিকর গ্যাস গাছপালার মাধ্যমে পরিশোধিত হতে পারে। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক পলিথিনের কুফল থেকে দেশবাসীকে রক্ষার জন্য সরকার ইতোমধ্যে সারা দেশে পলিথিন শপিং ব্যাগের উৎপাদন, আমদানি, বাজারজাতকরণ ও বিক্রয় বন্ধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু এর সঙ্গে মানুষের দীর্ঘদিনের অভ্যাস পরিবর্তনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ অর্থাৎ পলিথিন শপিং ব্যাগ বন্ধের আইন কার্যকর করার লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় বিভিন্ন উৎপাদনকারী কারখানা বন্ধ ও শপিং ব্যাগ জব্দ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করতে হবে।
এখন কাগজ ও পাটের ব্যাগের ব্যবহারই আমাদের পলিথিনের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে পারে। পাটের ব্যাগ পরিবেশবান্ধব। পলিথিনের উৎপাদন ও বাজারজাত বন্ধে সরকারের ব্যাপক নজরদারিসহ প্রচার মাধ্যমগুলোতে (রেডিও, টেলিভিশন, পত্রপত্রিকা) ব্যাপক প্রচার দরকার। এভাবে পলিথিনের ক্ষতিকারক দিকগুলো সাধারণ মানুষের দৃষ্টিগোচর করার পর কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে পলিথিন ও প্লাস্টিকের বর্জ্যগুলোর ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ব্যাপারে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে আপামর জনসাধারণকে সহযোগিতা করতে হবে।

সিনিয়র করেস্পন্ডেন্ট November 16, 2025
Share this Article
Facebook Twitter Whatsapp Whatsapp LinkedIn Email Copy Link Print
Previous Article সাতক্ষীরায় মনোনয়ন বঞ্চিত তাসকিন চিশতির সমর্থনে সড়ক অবরোধ
Next Article উপকূলে জলবায়ুর থাবায় ‌২ ডজন ‌শহর, উপশহর
আরো পড়ুন
শীর্ষ খবর/ তাজা খবরসাতক্ষীরা

নিরাপদ সড়ক সবার জন্য প্রযোজ্য

By জন্মভূমি ডেস্ক 2 hours ago
খুলনামহানগর

খুলনায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে ছাত্রদল নেতা সাব্বির জখম

By সিনিয়র করেস্পন্ডেন্ট 10 hours ago
খুলনাজেলার খবর

খুলনায় খাল খনন উদ্বোধন করলেন – আজিজুল বারী হেলাল এমপি

By সিনিয়র করেস্পন্ডেন্ট 12 hours ago

দিনপঞ্জি

March 2026
S M T W T F S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
« Feb    

এ সম্পর্কিত আরও খবর

শীর্ষ খবর/ তাজা খবরসাতক্ষীরা

নিরাপদ সড়ক সবার জন্য প্রযোজ্য

By জন্মভূমি ডেস্ক 2 hours ago
সাতক্ষীরা

কেমন ছিল প্রিয় নবীজির (সা.) রমজান

By Correspondent 13 hours ago
জাতীয়শীর্ষ খবর/ তাজা খবর

বকুলসহ সংসদের হুইপ হলেন ৬ এমপি

By সিনিয়র করেস্পন্ডেন্ট 13 hours ago

প্রকাশনার ৫৫ বছর

দৈনিক জন্মভূমি

পাঠকের চাহিদা পূরণের অঙ্গীকার

রেজি: কেএন ৭৫

প্রধান সম্পাদক: লে. কমান্ডার (অব.) রাশেদ ইকবাল

অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক: আলি আবরার

প্রকাশক: আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত

ইমেইল– janmokln@gmail.com           অনলাইন নিউজরুম-০১৬১১৬৮৮০৬৪        রফিকুজ্জামান বার্তা কক্ষ ০৪১-৭২৪৩২৪

Developed By Proxima Infotech and Ali Abrar

Removed from reading list

Undo
Welcome Back!

Sign in to your account

Lost your password?