
জন্মভূমি রিপোর্ট : গুম এখনই বন্ধ করুন এবং গুম হওয়া তাদের খুঁজে বের করে অবিলম্বে স্বজনদের কাছে তাদের ফিরিয়ে দিন। তাহলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুন্ন হবে। আর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা (স্যাংশন) আসতে থাকবে। এতে করে দেশের সাধারণ জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক সপ্তাহ উপলক্ষে শুক্রবার খুলনায় আয়োজিত আলোচনা সভা, মানববন্ধন ও শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে বক্তারা এই দাবি জানান। বেলা সাড়ে ১১টায় মহানগরীর খানজাহান আলী রোডস্থ জাতিসংঘ পার্কের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’ ও মানবাধিকার কর্মীদের সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্ক’ যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক কেএম জিয়াউস সাদাত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। দিবসের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক মুহাম্মদ নূরুজ্জামান।
কর্মসূচীতে বক্তৃতা করেন নাগরিক ঐক্যের খুলনা মহানগর শাখার সদস্য সচিব সিনিয়র সাংবাদিক কাজী মোতাহার রহমান বাবু, গণঅধিকার পরিষদ খুলনা জেলা শাখার আহবায়ক মো. বিল্লাল হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের খুলনা জেলা সমন্বয়কারী মুনীর চৌধূরী সোহেল, মানবাধিকার কর্মী শেখ আব্দুল হালিম, সাতক্ষীরার মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট শেখ আলমগীর আশরাফ, সাবেক নৌ বাহিনী কর্মকর্তা ডা. নূরুল ইসলাম, সাতক্ষীরার হোমিও চিকিৎসক মোখলেসুর রহমান (জনি)’র পিতা শেখ আব্দুর রাশেদ, যশোরের বেনাপোলের মেধাবী কলেজ ছাত্র মো. রেজোয়ান হোসেনের বড় ভাই মো. রিপন হোসেন, পুলিশ কর্তৃক দু’ চোখ উপড়ে ফেলা খুলনার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি মো. শাহাজালাল হাওলাদার, তার স্ত্রী রাহিলা বেগম, গণঅধিকার পরিষদ বটিয়াঘাটা উপজেলা শাখার আহবায়ক মো. বিদার শিকদার, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারহাদ হাসান রাজ, খুলনা জেলা ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি শেখ ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম, মানবাধিকার কর্মী জি এম আজিজুল ইসলাম, এস এম নাজমুল হুদা মিন্টু, আইনজীবী মো. শহিদুল ইসলাম, এম এ আজিম, মো. হাদিউজ্জামান, গালিব হাসান ও মো. তাসনিম হাসান।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত