শেখ আব্দুল হামিদ : বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও পিছু ছাড়েনি ডেঙ্গু। করোনার ভয়াবহতা এক প্রকার শেষ হলেও ডেঙ্গু সারা বছর জুড়ে কমবেশী লেগেই আছে। গত ২৪ ঘন্টায় খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি হলেন ২ জন রোগী। তাদের বাড়ি বিভাগের মেহেরপুর জেলায়। এ নিয়ে চলতি বছর ১২ দিনে খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেন ৬১ জন। ছাড়পত্র নিয়েছেন ৩৮ জন আর চিকিৎসাধীন আছেন ২২ জন। রেফার্ড করা হয়েছে ১ জনকে। গেল বছর খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা দেখা দেয়। ২০২৩ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ৩৪ হাজার ৭৪৭ জন। এসময় মোট মৃত্যু হয় ১২৫ জনের।
খুলনা বিভাগে গেল বছর ডেঙ্গু ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ে। জানুয়ারী মাস থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয় ৩৪ হাজার ৭৪৭ জন। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরেন ৩৪ হাজার ১৬০ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান হয় ৪০৩ জন রোগী। গেল বছর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ৫৯ জন। ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন ৩,৮২৫ জন। মৃত্যু হয় ৩৯ জনের। খুলনার বিভিন্ন উপজেলায় আক্রান্ত হয় ৩,০৩৯ জন, মৃত্যু হয় ২ জনের। বাগেরহাট জেলায় আক্রান্ত হয় ১,৭২২ জনের, মৃত্যু হয় ২ জনের। সাতক্ষীরা জেলায় ৭৫৮ জন মৃত্যু ১ জনের। যশোর জেলায় আক্রান্ত হয় ৪,৯৭৫ জন, মৃত্যু হয় ১৯ জনের। ঝিনাইদহ জেলায় আক্রান্ত হয় ৪,১৯৪ জন, মৃত্যু হয় ১১ জনের। মাগুরায় আক্রান্ত হয় ৫,০২৯ জন মৃত্যু হয় ৬ জনের। নড়াইল জেলায় আক্রান্ত ২,৮৪৯ জন, মৃত্যু হয় ৬ জনের। কুষ্টিয়ায় আক্রান্ত ৪,৫৫৮ জন, মৃত্যু হয় ২৯ জনের। চুয়াডাঙ্গায় ৮৮১ জন আক্রান্ত হয়, এখানে কারও মৃত্যু হয়নি। মেহেরপুর জেলায় আক্রান্ত হয় ২,১৭৬ জন, মৃত্যু হয় ১ জনের। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৪১ জন, মৃত্যু হয় ৯ জনের।
চলতি বছর জানুয়ারী মাসের প্রথম দিনে খুলনা বিভাগে নতুন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ৫ জন। খুলনায় ২ জন, ঝিনায়দহ ১ জন, সাতক্ষীরা মেডিকেলে ১ জন ও খুলানা মেডিকেলে ১ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ২২ জন রোগী।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত