
মনিরুল ইসলাম মোড়ল, দিঘলিয়া : আসছে আগামী ৭ই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, প্রচার প্রচারণার বাকি আছে মাত্র তিন দিন, এরই মধ্যে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। প্রার্থী,কর্মী-সমর্থকরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ছুটছেন সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে, দিচ্ছেন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি। হাঁটে বাজারে, পথে ঘাটে,চায়ের ষ্টোলে
সর্বত্রই চলছে কে হবেন আগামী পাঁচ বছরের এই অঞ্চলের কর্ণধার।
সাধারণ ভোটাররা আশা আকাঙ্ক্ষা নিয়ে হিসাব নিকাশ, মতবিনিময় , চুলচেরা বিশ্লেষন করছে। কোন প্রার্থীকে মূল্যবান ভোটটি দিলে আগামী ৫ বৎসর কর্মীদের মূল্যায়ন করবে, এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ভূমিকা রাখবে।
খুলনা জেলার তেরখাদা, রূপসা ও দিঘলিয়া উপজেলা নিয়ে খুলনা ৪ আসন, প্রার্থীর সংখ্যা মোট ১২ জন এরমধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম মুর্শেদী (নৌকা) প্রতিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মোর্তজা রশীদি দারা (কেটলি) প্রতিক।
তেরখাদা, রূপসা, দিঘলিয়া উপজেলা ঘুরে কয়েকজন প্রার্থী, সমর্থক, কর্মী ও
সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে এই প্রতিবেদন।
সকল প্রার্থীই বিজয়ী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কর্মী সমর্থকরা স্ব-স্ব প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইলেও বিজয়ের ব্যাপারে দুই প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি বলে জানান।
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম মুর্শেদী সম্পর্কে বলেন তিনি গত নির্বাচনে অংশ নিয়ে বলেছিলেন, সাবেক জাতীয় সংসদের হুইপ খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কর্মীবান্ধব প্রায়ত নেতা এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা ভাইয়ের হাতে গড়া কর্মীদের মূল্যায়ন ও সুজা ভাইয়ের রেখে যাওয়া অপূরণীয় উন্নয়নের ধারা আমি সালাম মুর্শেদী অব্যাহত রাখবো।
নির্বাচিত হওয়ার পর তৃণমূল পর্যায়ে নেতা কর্মীদের মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে, হাতে গোনা কয়েকজন নেতা কর্মীকে মূল্যায়ন করেছে এবং তারাই শুধু লাভবান হয়েছে, তাই আওয়ামী লীগের অনেক নেতা কর্মীরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
অপরদিকে এস এম মোর্তজা রশিদী দারা কেটলি প্রতিক নিয়ে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আছেন মাঠে, খুলনা ৪ আসনে প্রায়াত নেতা সুজা ভাইয়ের আপন ভাই এস এম মোর্তজা রশিদী দারা তার পক্ষে ভোট ও দোয়া চাইছেন তৃণমূল পর্যায়ের বৃহত্তর অংশ। সাধারণ ভোটারদের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে কেটলি প্রতিকের পক্ষে।
এখন অপেক্ষার পালা আগামী ৭ই জানুয়ারি ভোট গ্রহণের দিন পর্যন্ত।