জন্মভূমি রিপোর্ট : কেসিসি’র নিজস্ব ব্যবস্থানায় পরিচালিত সপ্তাহব্যাপী জোড়াগেট পশুরহাটে এবার ৬ হাজার ২০টি পশু বিক্রি হয়েছে। এর বিপরিতে ২ কোটি ২১ লাখ ৪ হাজার ৯৬২ টাকা হাসিল আদায় হয়েছে। গত ২২ জুন থেকে শুরু হয় এই হাট চলে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত। ২০১৮ সাল থেকে কেসিসি’র ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এই হাট। গত বছর পশু বিক্রি হয়েছিল ৫১৩০ টি। এ বিপরীতে হাসিল আদায় ২ কোটি ২৪ লাখ ২৩ হাজার ৬৮৫ টাকা।
সূত্র জানিয়েছেন, কেসিসি’র রাজস্ব বিভাগ থেকে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও সপ্তাহ ব্যাপী জোড়াগেট স্থায়ী পশুর হাট ইজারার জন্য দরপত্র আহবান করা হয়। প্রথম ডাক ছিল ১৮ মে, ২য় ডাক ছিল ৩০ মে এবং ৩য় ডাক ছিল ৭ জুন। এ বছর সরকারি ইজারা মূল্য ছিল ২ কোটি ৪৬ লাখ ১৪ হাজার ৪৯৮ টাকা। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইজারা গ্রহণ না করায় কেসিসি’র নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় হাট পরিচালনা করা হয়। শতকরা ৫ টাকা হিসেবে টোল নেয়া হয়। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক কঠোর নিরাপত্তা ছিল। ছিল নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় জাল টাকা শনাক্তকরণ করা হয়। কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে হাসিল আদায়সহ আধুনিক ব্যবস্থাপনা ছিল। ৬টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। এ জন্য ২৪জন লোক নিয়োজিত ছিলেন। দৃশ্যমান স্থানে টোল রেট তালিকা প্রদর্শণের জন্য সেটে দেয়া হয়।
এই কোরবানির হাটে বাগেরহাট, নড়াইল, রূপসা, যশোরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে পশু এসছে। বিক্রিত পশুর মধ্যে ছিল গরু ৪ হাজার ৮৯ টি, ছাগল ১ হাজার ৯১১ টি এবং ভোড়া ২০ টি। এর বিপরিতে ২কোটি ২১ লাখ ৪ হাজার ৯৬২ টাকা হাসিল আদায় করা হয়েছে। গত বছরের চেয়ে এ বছর ৮৯০ টি পশু বেশী বিক্রি হলেও ৩ লাখ ১৮ হাজার ৬২৩ টাকা হাসিল আদায় কম হয়েছে। এ বছর হাটে বড় গরুর চাহিদা কম এবং মাঝারি গরুর দাম বেশী ছিল।
খুলনা সিটি কর্পোরেশন’র এস্টেট কর্মকর্তা মো. নূরুজ্জামান তালুকদার বলেন, সপ্তাহ ব্যাপী পশুর হাট পরিচালনার জন্য সকল স্বাস্থ্য বিধি রক্ষা করে হাট পরিচালনা করা হয়। বৃদ্ধ ও শিশুদের হাটে প্রবেশ নিষেধ ছিল। কঠোর নিরাপত্তার ছিল। ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দে তাদের পছন্দমত পশু ক্রয় করে নিরপদে গন্তেব্যে পৌছান।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত