
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া : অমর একুশে ফেব্রুয়ারি, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শনিবার। মাতৃভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর পূর্ণ হলো।
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ ডুমুরিয়া মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।
পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সাবিতা সরকার, সহকারী কমিশনার ভূমি অমিত কুমার বিশ্বাস, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল কবির, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান,উপজেলা প্রকৌশলী দারুল হুদা,প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম কামরুজ্জামান, থানা অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ আবুল কালাম,বীর মুক্তি যোদ্ধা,ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস সাত্তার,সাব রেজিস্ট্রার মোঃ নাহিদুজ্জামান,সহ আরো অনেক
একুশের ভোরে কালো ব্যাজ ধারণ করে প্রভাতফেরিসহকারে শহীদদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা জানান সর্বস্তরের জনতা।
দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা (ইউনেসকো) কর্তৃক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে বিশ্বজুড়ে এ দিবস অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে।
বাঙালি জাতির কাছে এটি একদিকে যেমন গভীর শোক ও বেদনার, অন্যদিকে মাতৃভাষার অধিকার আদায়ে সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এক ঐতিহাসিক দিন।
১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তৎকালীন পূর্ব বাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ছাত্র ও যুবসমাজ শাসকগোষ্ঠীর জারি করা ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত, রফিকসহ নাম না–জানা আরও অনেকে শহীদ হন। তাঁদের সেই আত্মত্যাগই আজ বিশ্বজুড়ে ভাষাপ্রেম ও অধিকার আদায়ের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একুশে ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি। এদিন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতে রাখা হয় ।
ভাষাশহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় কবরস্থানে ফাতেহা পাঠ ও কোরআনখানির আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশের সব মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে
সকাল ১০টায় ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনিক ভবন দ্বিতীয় তলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সাবিতা সরকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অমিত কুমার বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাঁসি রাণী, আনছার ভিডিবি কর্মকর্তা মনোয়ারা খাতুন, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, সাংবাদিক শেখ জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ভূমি অফিসের কানোনগো মোঃ জাকির হোসেন,উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ ফহরাদ হোসেন, শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, ও শিক্ষক ও স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী বৃন্দ আলোচনা সভা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত