তেরখাদা প্রতিনিধি : তেরখাদা উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের হোটেলগুলোতে অবাধে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রি হওয়ায় জনস্বাস্থ্য হুমকির সম্মূখীন হয়ে পড়েছে। তেরখাদার কাটেঙ্গা বাজার, তেরখাদা বাজার, শেখপুরা বাজার, আমতলা, বরইতলা, হাড়িখালী, ছাগলাদাহ, পাতলা, সাচিয়াদহ, কোলা বাজার, লস্করপুর বাজার, মোকামপুর বাজার, মল্লিকপুর বাজারসহ বিভিন্ন হাট-বাজার, রাস্তাঘাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে প্রতিষ্ঠিত ছোট-বড় হোটেলগুলোতে পচাবাসি খাবার বিক্রি করা হয়। এছাড়া হোটেল মালিকরা জিলেপি, চপ, পিয়াজু, বেগুনিসহ বিভিন্ন রকমারী খাবার হোটেলের সামনে আলগা করে রাখে। মশা-মাছির পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকারের মোকামাকড়ও খাবারের উপর পড়ে। খাবার তৈরীতে দীর্ঘদিন আগে ব্যবহৃত পচা (খাবার অযোগ্য) তেল ব্যবহার করা হয় বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এসব খাবার প্রতিনিয়ত অজ্ঞ ক্রেতা সাধারণের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। সড়কের পাশে প্রতিষ্ঠিত হোটেল গুলোতে প্রতিনিয়ত রাস্তার ধূলাবালি মশা-মাছি পড়ে রোগ জীবানু ছড়াচ্ছে। প্রত্যেকদিন এসব খাবার আলগা করে রাখা হলেও হোটেল মালিকদের বিন্দু মাত্র সচেতনতা নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে তদারকি করা প্রয়োজন বলে মনে করেন অনেকেই। রাস্তার পাশ দিয়ে প্রতিদিন বাস, ট্রাক, টেম্পো, নসিমন, লেগুনা, মাইক্রো, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরণের যানবহন ও পরিবহন চলাচল করে। হোটেল মালিকদের অসচেতনতার কারণে জনসাধারণের শরীরে রোগ জীবানু প্রবেশ করছে। হোটেল মালিকরা ক্রেতা সাধারণকে যে পানি পান করায় তাও নিরাপদ নয়। যে পাত্রে খাবার পরিবেশন করা হয় তা-ও অপরিচ্ছন্ন। কিছু সংখ্যক হোটেল মালিক অন্যত্র থেকে গভীর নলকূপের পানি আনে। যে সব পাত্রে ওই পানি রাখে তাও ময়লা আবর্জনায় ভরা। অনেকে অভিযোগ করে বলেন, হোটেল মালিকদের পানি রাখা পাত্র এত অপরিষ্কার যার মধ্যে পোকামাকড় পাওয়া যায়। প্রতিদিন এসব পানির পাত্র পরিষ্কার করা হয়না। হোটেলে ব্যবহৃত থালা বাটিও অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন থাকে। অনেক হোটেলে ধোয়া মোছার বালাই নেই। হোটেলে প্রবেশ করলে মনে হয় গন্ধের রাজ্যে প্রবেশ করা হয়েছে। হোটেল বয়দের অবস্থা আরও নাজুক। এদের পরিহিত জামা কাপড় অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন থাকে। এদের হাত পা থাকে নোংরা। হোটেল মালিকদের খাবার বিকিকিনি ও পরিবেশনে সচতেন আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। মাঝে মাঝে তদারকি করা দরকার। তাহলে হোটেল মালিকরা স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খাবার বিক্রিতে সচেতন হত। অবিলম্বে হোটেল মালিকদের বিরুদ্ধে কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহেণের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মহল ও এলাকাবাসী।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত