By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
খবর সার্চ

প্রকাশনার ৫৫ বছর

দৈনিক জন্মভূমি

NEWSPORTAL

  • মূলপাতা
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • জেলার খবর
    • খুলনা
    • চুয়াডাঙ্গা
    • বাগেরহাট
    • মাগুরা
    • যশোর
    • সাতক্ষীরা
  • ফিচার
  • আজকের ই-পেপার
  • সকল ই-পেপার
Reading: দশমিনায় অর্ধ শতাধিক খাল অস্তিত্ব সংকটে
Share
দৈনিক জন্মভূমিদৈনিক জন্মভূমি
Aa
  • মূলপাতা
  • জাতীয়
  • খুলনা
  • জেলার খবর
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • সম্পাদকীয়
  • ALL E-Paper
অনুসন্ধান করুন
  • জাতীয়
  • জেলার খবর
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • ই-পেপার
Have an existing account? Sign In
Follow US
প্রধান সম্পাদক মনিরুল হুদা, প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত
দৈনিক জন্মভূমি > জেলার খবর > বরিশাল > দশমিনায় অর্ধ শতাধিক খাল অস্তিত্ব সংকটে
বরিশাল

দশমিনায় অর্ধ শতাধিক খাল অস্তিত্ব সংকটে

Last updated: 2025/12/25 at 2:55 PM
জন্মভূমি ডেস্ক 2 months ago
Share
SHARE

দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রায় অর্ধ শতাধিক খালে পানির প্রবাহ না থাকায় এখন যৌবন হারিয়ে শীর্ণ খালে পরিনত হয়ে গেছে। খালে পানি প্রবাহ কমে যাওয়ায় কচুরিপানাসহ বিভিন্ন প্রজাতির আগাছা জন্মে গেছে। নাব্যতা ফিরাতে খাল খনন ও কচুরিপানা পরিস্কার করা হয় না। পানির অভাবে এলাকার কৃষকরা জমিতে সেচ সুবিধা পাচ্ছে না বলে ফসলের উৎপাদন কম হবার আশংকা করছে। একই সঙ্গে নদী ও খালের সংযোগস্থল এবং উৎস মুখ ভরাট হয়ে যাবার কারনে নৌপথে চরম সংকটাপন্ন অবস্থা দেখা দিয়েছে। খালে পানি না থাকার কারনে কোন নৌযানই চলাচল করতে পারে না। ব্যবসা বানিজ্যের জন্য পন্য বহনকারী নৌযানগুলোকে জোয়ারের পানির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। খালে নাব্যতা ফিরাতে পুরো দমে খনন কাজ এগিয়ে চলছে। বিগত শুস্ক মৌসুমে পানি উন্নয়র বোর্ড সেচ কাজের সুবিধার্থে খালের প্রায় ৪২ কিলোমিটার খননের কাজ করেছে।
উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে দিয়ে প্রবাহমান খালগুলোর অস্তিত্ব এখন হুমকীর মুখে পড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে পরিবেশের ইকোসিষ্টেমে চরম বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। পরিবেশের এই বিরুপ প্রভাবে মাছের উৎপাদন কমে গেছে। সেচ কার্য ব্যাহত হওয়াসহ জীব বৈচিত্র বিলীন হচ্ছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া খালগুলো এক সময়ে নৌ যোগাযোগের ও সেচ কাজের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখলেও এখন আর কোন মূল্য নেই। ফসলি জমিতে পলি মাটি বয়ে আনার জন্য খালের অবদান থাকলেও বর্তমানে সেই অবদান চীরদিনের জন্য স্থবির হয়ে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে খালে প্রয়োজন ছাড়াই যত্রতত্র বাঁধ তৈরি এবং খাল দখল করে দোকানপাট নির্মান করায় পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে অধিকাংশ খাল তাদের যৌবন হারিয়ে শীর্ণ খালে পরিনত হয়ে গেছে। অনেক খাল ভরাট হয়ে যাবার কারনে নৌযানের চলাচল বন্ধ রয়েছে। এক সময়ে নদী পথে দশমিনা উপজেলার সাথে জেলা সদর পটুয়াখালী, বাউফল ও গলাচিপা উপজেলার সাথে নৌপথই ছিল যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। অত্র নৌপথে নৌকা, ট্রলারসহ ছোট-বড় নৌযান চলাচল করায় ব্যবসা-বানিজ্যের ব্যাপক প্রসার ছিল। নদী পথে পন্য সামগ্রী পরিবহনে খরচ কম থাকায় এই পথেই ব্যবসায়ীরা পন্য আনা-নেয়া করতো। কিন্তু সাম্প্রতিক কালে খালগুলো ভরাট হয়ে নাব্যতা হারিয়ে ফেলায় এখন আর কেউ নৌপথে মালামাল পরিবহন করতে চায় না।
এক সময়ে অত্র উপজেলার মধ্যে প্রবাহমান খাল দিয়ে ৭টি ইউনিয়ন ছাড়াও প্রধান প্রধান হাট-বাজার এবং পার্শ্ববর্তী বাউফল ও গলাচিপা উপজেলায় পন্য সামগ্রী আনা-নেয়া করা হতো। এই পথে মালামাল আনা-নেয়ায় খরচ এবং সময কম লাগতো। বর্তমানে খালগুলোতে নাব্যতা কমে যাওয়ায় নৌযান চলাচল করতে পারে না। ফলে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে মালামাল ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পরিবহনে সমস্যা দেখা দিয়েছে। মানুষের লোভের কারনে দূর্বল স্রোতের খালগুলো দখল, গতিপথের পরিবর্তনের পাশাপাশি নাব্যতা হ্রাসসহ বিভিন্ন কারনে সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলার মানচিত্র থেকে অনেক খালের অস্তিত্ব হারিয়ে গেছে। খাল ভরাটের এ ধারা অব্যাহত থাকলে এবং খাল খননের ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহন করা না হয় তাহলে অদূর ভবিষ্যতে খালগুলো হারিয়ে যাবে এবং একই সঙ্গে এলাকায় ফসলের উৎপাদন কমে যাবে। উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রায় দুই শতাধিক খালের মধ্যে দেড় শতাধিক খাল মানচিত্র থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হওয়া এই খালগুলো এখন কালের স¦াক্ষ্মী হয়ে আছে। খালগুলো না থাকায় শুস্ক মৌসুমে তীব্র পানি সংকট দেখা দেয়। উপজেলার হাজার হাজার একর ফসলি জমি উর্বরতা হারিয়ে ফেলেছে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
উপজেলার তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদী থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রায় দুই শতাধিক খাল ছিল পানি নিস্কাশন এবং সেচ কাজের একমাত্র মাধ্যম। এই সব খাল দিয়ে সাগর কিংবা নদী থেকে পলি মাটি ভেসে এসে ফসলি জমিতে সরাসরি পড়তো। গ্রামের সঙ্গে গ্রামের ছিল সরাসরি নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই সকল খাল দিয়ে দক্ষিনাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী বাউফল উপজেলার কালাইয়া বাজার এবং গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া বাজারে নৌকা-ট্রলারে করে মালামাল আনা-নেয়া করা হতো। কিন্তু খালগুলো মানচিত্রে থাকলেও বাস্তবে এর চিহ্ন খুবই কম রয়েছে। নৌকা চলে না, পড়ে না ফসলি জমিতে পলি মাটি। ফলে হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি উর্বরতা শক্তি হারিয়ে ফেলছে। এছাড়া অপরিকল্পিত বাঁধ ও কালভার্ট নির্মান করায় খালগুলো অকালেই ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফলে বর্ষাকালে দেখা দেয় বিশাল জলাবদ্ধতা আর শুস্ক মৌসুমে সেচ কাজের জন্য তীব্র পানি সংকট দেখা দেয়।
উপজেলার প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন খালে দেখা গেছে,খালের উপর নির্মিত কালভার্টটি কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে। খালটিতে কোন পানি প্রবাহ নেই। এই খালটি বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি কবুলিয়ত নিয়ে দখল করে রেখেছে। খালের দুই পাশ কেটে মাটি ভরাট করে চাষযোগ্য জমি তৈরি করা হয়েছে। এই খাল দিয়ে প্রায় দুই হাজার একর ফসলি জমির পানি উঠানামা করতো। বর্তমানে এই অঞ্চলে তেমন কোন ফসল উৎপাদন হয় না। উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ এলাকার খালটি বন্দোবস্ত দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এই খাল দিয়ে প্রায় ৫ হাজার একর জমির পানি উঠানামা করে। এছাড়া সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের নিবারন কবিরাজের নামের বিশাল খালটি ১০/১৫ হাত পানি থাকা অবস্থায় ভূমি অফিস বন্দোবস্ত দিয়েছে। বন্দোবস্তকারী ব্যক্তিরা খালটি ভরাট করে চাষাবাদ করছে। সদরের দক্ষিন আরজবেগী গ্রামের আজগুরিয়া খালটি স্থানীয় প্রভাবশালীরা বন্দোবস্ত নিয়েছে। এই খালটিতে শুস্ক মৌসুমে পানি থাকলেও এটি বাঁধ দিয়ে মাছের চাষাবাদ করা হচ্ছে। ফলে এই খাল দিয়ে পানি উঠানামা করতে পারে না। উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের খলিশাখালীর কেয়ার খাল, ইঞ্জিনারায়ন খাল,শিংবাড়িয়া খাল, রণগোপালদী ইউনিয়নের কাটা খাল,আউলিয়াপুর গ্রামের নাপ্তার খাল,তালতলার হোতা খাল স্থানীয় প্রভাবশালীরা বন্দোবস্ত নিয়েছে। উল্লেখিত খালগুলো তারা ভরাট ও বাঁধ দিয়েছে। ফলে প্রতি বছর বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা ও শুস্ক কালে পানি শূন্যতায় হাজার হাজার ফসল নষ্ট হচ্ছে। খালে মাঝে অপরিকল্পিত কালভার্ট ও বাঁধ নির্মান করায় নদী থেকে কোন পলি মাটি আসতে পারে না। ফলে ফসলি জমি দিন দিন উর্বরতা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের পানি নিস্কাশনের খালগুলো কালের গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। খালগুলো খনন করাসহ কচুরিপানা পরিস্কার করে পানির প্রবাহ ও নাব্যতা ফিরে আনা হলে উপজেলার নানা পেশার বাসিন্দাদের সুদিন ফিরে আসবে।

জন্মভূমি ডেস্ক December 25, 2025
Share this Article
Facebook Twitter Whatsapp Whatsapp LinkedIn Email Copy Link Print
Previous Article দশমিনায় অস্থায়ী বেদে সম্প্রদায়ের মানবেতর জীবনযাপন – পর্ব-২
Next Article ডুমুরিয়ায় ইলিয়াস কাঞ্চনের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও খাবার বিতরণ
আরো পড়ুন
আন্তর্জাতিক

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭

By Tanvir 11 minutes ago
আন্তর্জাতিক

নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা বাছাইয়ে বেশি সময় নেওয়া হবে না : ইরান

By Tanvir 12 minutes ago
আন্তর্জাতিক

দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের তাড়াহুড়ো, বেড়েছে ব্যক্তিগত বিমানের ভাড়া

By Tanvir 14 minutes ago

দিনপঞ্জি

March 2026
S M T W T F S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
« Feb    

এ সম্পর্কিত আরও খবর

বরিশাল

দশমিনায় ফুলে ফুলে রঙিন বসন্তের পলাশ ও শিমুল গাছ

By জন্মভূমি ডেস্ক 4 hours ago
বরিশাল

কালকিনিতে আগুনে মুরগীর খামার ও ফলের বাগান পুড়ে ছাই

By জন্মভূমি ডেস্ক 2 days ago
বরিশাল

দশমিনায় ফুলে ফুলে রঙিন বসন্তেরপলাশ ও শিমুল গাছ

By জন্মভূমি ডেস্ক 3 days ago

প্রকাশনার ৫৫ বছর

দৈনিক জন্মভূমি

পাঠকের চাহিদা পূরণের অঙ্গীকার

রেজি: কেএন ৭৫

প্রধান সম্পাদক: লে. কমান্ডার (অব.) রাশেদ ইকবাল

অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক: আলি আবরার

প্রকাশক: আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত

ইমেইল– janmokln@gmail.com           অনলাইন নিউজরুম-০১৬১১৬৮৮০৬৪        রফিকুজ্জামান বার্তা কক্ষ ০৪১-৭২৪৩২৪

Developed By Proxima Infotech and Ali Abrar

Removed from reading list

Undo
Welcome Back!

Sign in to your account

Lost your password?