
দশমিনা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের দক্ষিন আদমপুর গ্রামের যুব কৃষক মো. রাসেল ও তার সহধর্মিনীর সহযোগিতায় খিরা চাষ করে সফলতা অর্জন করেছে। যুব কৃষক রাসেল আঠালো হলুদ ফাঁদ পদ্ধতি ব্যবহার করে খিরা চাষে সফলতা অর্জনের মাধ্যমে এলাকায় তাক লাগিয়ে দিয়েছে। প্রান্তিক কৃষক রাসেল খিরা চাষ করে লাভবান হচ্ছে। কম খরচ ও উৎপাদন বেশী হওয়ায় এই পদ্ধতিতে খিরা চাষের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর উপজেলাকে কৃষি বান্ধব ও কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে নিরলসভাবে কাজ করছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় খিরার ভাল ফলন হবে বলে আশা প্রকাশ করছে কৃষি বিভাগ।
উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের দক্ষিন আদমপুর গ্রামের যুব কৃষক মো. রাসেল ৩৩ শতক জমিতে খিরার চাষ করেছেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্টের (এসএসিপি-রেইনস) আওতায় খিরা সবজির জন্য মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ করেছেন। তার উৎপাদন খরচ ৩০ হাজার টাকা হয়েছে। তিনি উৎপাদিত খিরা প্রায় ১লক্ষ টাকা বিক্রি করার স্বপ্ন দেখছে। মালচিং পদ্ধতিতে কোন প্রকার কিটনাশক ছাড়া বিষমুক্ত খিরা চাষ করেছেন। এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হলে খরচ ও উৎপাদন বেশী হয়।
উপজেলায় কৃষিতে দিন দিন আধুনিকতার ছোঁয়া, নতুন নতুন কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার, নানা ধরনের প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি করায় ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক কৃষক-কিষানীদের জীবনমান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি কৃষির চিত্র পাল্টে যাচ্ছে। প্রান্তিক কৃষক মো. রাসেল খিরা চাষের জন্য মালচিং পদ্ধতিতে বর্তমানে চাষাবাদ করছে। কৃষক-কৃষানীরা লাভবান হওয়ার জন্য মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলছে। উপজেলার কৃষকরা মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে উৎসাহ পাচ্ছে। কৃষি জমিতে জৈব সার ব্যবহার করে চাষ করছে। এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হলে জমিতে আগাছা ও পোকার আক্রমন তেমন হয় না। জৈব সার ব্যবহার করায় বিষমুক্ত খিরা উৎপাদন হচ্ছে।
এই বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ জানায়, উপজেলায় মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ করায় উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। ফসলের উৎপাদন ভাল হওয়ায় প্রান্তিক কৃষানীরা লাভবান হচ্ছে। মালচিং পদ্ধতিতে আঠালো হলুদ ফাঁদ পদ্ধতিতে খিরা চাষ একটি আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া। কৃষক-কৃষানীরা আগামীতে এই পদ্ধতিতে খিরা চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

