
দশমিনা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের দক্ষিন আদমপুর গ্রামের সফল কৃষক সুলতান সরদারের কৃষি খামারে কৃষক পর্যায়ে ব্রকলি চাষ করে সফলতা অর্জন করে নতুন স্বপ্ন দেখছে। উপজেলায় এই প্রথম রঙ্গিন ফুলকপি এবং ব্রকলি চাষ করে সফলতার পাশাপাশি এলাকায় বাজিমাত করেছে। খামারের এক পাশের জমিতে হলুদ প্রজাতির ফুলকপি ও অন্য জমিতে ব্রকলির বাম্পার ফলন হয়েছে। খামারে ব্রকলি চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে কৃষিতে সবুজ বিপ্লব ঘটিয়েছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের এসএসিপি-রেইনস প্রকল্পের আওতায় কৃষক সুলতান সরদার খামারের একপাশের জেিমতে রঙ্গিন ফুলকপি ও অন্য পাশের জমিতে ব্রকলির চাষ করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে তিনি পরীক্ষামূলক ভাবে ব্রকলি ও ফুলকপির চাষ করেছেন। তিনি ১ বিঘা জমিতে ব্রকলি ও রঙ্গিন ফুলকপি চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের পরামর্শে কৃষক সুলতান মিশ্র পদ্ধতিতে ২ প্রকারের সবজি চাষ করতে আগ্রহী হয়। তার খামারে রঙ্গিন ফুলকপি ও ব্রকলি শোভা পাচ্ছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের এসএসিপি-রেইনস প্রকল্পের আওতায় কৃষক সুলতান সরদার রঙ্গিন ফুলকপি চাষ করতে শুরু করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে তিনি পরীক্ষামূলক ভাবে ব্রকলি ও ফুলকপির চাষ করেন। রঙ্গিন ফুলকপি ও ব্রকলি চাষ করা সহজ ও ব্যয়ের চেয়ে লাভ বেশী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক কৃষকদেরকে এই সবজি চাষাবাদের জন্য বলা হয়েছে। জমিতে রঙ্গিন ফুলকপি ও ব্রকলি চাষ করে কৃষকরা আর্থিক ভাবে লাভবান হবে। চলতি মৌসুমে কৃষক সুলতান রঙ্গিন ফুলকপি ওব্রকলি চাষ করেই বাজিমাত করেছে। তার খামারে নানা জাতের শাকসবজি চাষের সাথে ব্রকলি ও রঙ্গিন ফুলকপির চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে সবুজ বিপ্লব ঘটানোর চিন্তা করছে। উপজেলায় এই প্রথম কৃষক পর্যায়ে ব্রকলি ও রঙ্গিন ফুলকপির চাষ করা হয়। কৃষক সুলতানের প্রদর্শনী খামারে সারি সারি রঙ্গিন হলুদাভ ও বেগুনী ফুলকপি ও ব্রকলি শোভা পাচ্ছে। খামারে ফলন দেখে এলাকার সকলেই রীতিমত অবাক হয়ে গেছে। এই সবজি চাষ করতে কম জমির প্রয়োজন হয়। কম জমিতে উন্নত জাতের চারা রোপন করার পর একটু পরিচর্যা করলেই ভাল ফলন পাওয়া যায়। তার খামারে ব্রকলি এবং রঙ্গিন হলুদাভ ও বেগুনী ফুলকপির বাম্পার ফলন হয়েছে। জীবনমানের পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা বাড়াতে রঙ্গিন ফুলকপি ও ব্রকলি চাষে কৃষক সুলতান ব্যাপক পরিশ্রম করছেন। দুটি সবজিতে বিটা ক্যারোটিন বেশী থাকে যা মানব শরীরের পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে বেশ সহায়ক।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধিকে জানান, কৃষক সুলতান সরদার ২ বিঘা জমিতে ব্রকলি ও রঙ্গিন ফুলকপি চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছে। তার সফলতায় উপজেলার অন্যান্য কৃষক এই ফুলকপি চাষ করতে উৎসাহিত হচ্ছে। কৃষক পর্যায়ে বহুমুখী সবজি ফসল উৎপাদন করায় উপজেলার কৃষি বিপ্লব ঘটেতে যাচ্ছে।

