
দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় শসা আবাদ করে কিষানী শিল্পী রানী সফলতা অর্জন করেছে। মালচিং পদ্ধতিতে শসা চাষ করে এই কৃষকরা নতুন করে স্বপ্ন দেখছে। উপজেলায় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের এসএসিপি-রেইনস প্রকল্পের আওতায় মালচিং পদ্ধতিতে শসার চাষাবাদ করা হয়। মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হলে আগাছা কম হয় এবং ফলন ভাল হয়। রমজান মাসে রোজাদারদের কাছে শসার চাহিদা বেশী থাকে। কিষানী শিল্পী রানী তার উৎপাদিত শসা বাজারজাত করেছে। উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের বেতাগী গ্রামের কিষানী শিল্পী রানী ১ বিঘা জমিতে এসএসিপি-রেইনস প্রকল্পের আওতায় প্রনোদনা সহায়তা প্রদান করা হয়। তবে কিষানী শিল্পী রানী উদ্বুদ্ধ হয়ে ৬০ শতাংশ জমিতে শসা চাষ করে ব্যাপক লাভবান হয়েছে। তার এই সাফল্য দেখে আশেপাশের অনেক কৃষক শসা চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কিষানী শিল্পী রানীর ৩০ হাজার টাকা খরচ করে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারবে। তার জমিতে কৃষি প্রদর্শনীতে আগাম শসার মহা সমারোহ বিরাজ করছে। বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা নিজেরাই সবজি চাষে ঝুঁকে পড়েছে। স্থানীয়রা আগাম চাহিদা মেটাতে শসা চাষ করে বাজারের চাহিদা মিটানেরা চেষ্টা করছে। স্থানীয় চাহিদা মিটাতে শসা বাজারে বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে। উপজেলায় দফায় দফায় বন্যা ও প্রাকৃতিক দূর্যোগের ফলে কৃষকরা বার বার লোকসানে পড়লেও চলতি মৌসুমে শসা চাষ করে এই কৃষকরা সফলতা পেয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় কৃষি প্রদর্শনীর মাধ্যমে কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধকরন করা হয়। কৃষকরা সারা দিয়ে আবাদি ও অনাবাদি জমিতে শসার প্রদর্শনী খামার করেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাফর আহমেদ বলেন,কৃষকদেরকে শসা চাষ করার জন্য উৎসাহিত করা হয়। এর ফলে শসার চাষ বেড়েই চলছে। প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকদের আর্থিক স্বনির্ভরতা বাড়াতে উপজেলা কৃষি বিভাগ সর্বাত্নক সহযোগিতা করছে।