
দশমিনা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের বিস্তৃর্ন মাঠে হলুদ আর হলুদের সমারোহ শোভা পাচ্ছে। সরিষা ফুলের মৌ মৌ গন্ধে চারিদিক উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ভরে গেছে। সরিষা ফুলের সমারোহ ফসলের মাঠে ছড়াচ্ছে নান্দনিক সৌন্দর্য আর সরিষা ফুলকে ঘিরে মৌমাছি ও প্রজাপতিরা উড়ছে। আর মৌমাছি মধু আহরনে ব্যস্ত আছে। উপজেলার কৃষকরা সরিষার হলুদ ফুলে ফুলে নতুন করে স্বপ্ন বুনছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়,২০২৫-২৬ অর্থ বছরের রাজস্ব খাতের অর্থায়নে প্রদর্শনীয় বাস্তবায়ন ও রবি মৌসুমে প্রনোদনার কর্মসূচির আওতায় ক্ষদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে সরিষা বারি-১৪ সহ সার বিতরন করা হয়। সরিষা চাষ লাভজনক হওয়ায় কৃষকেরা আগ্রহী হয়েছেন সরিষা চাষে। উপজেলার বেতাগি সানকিপুর, বহরমপুর, বাশঁবাড়ীয়, আলীপুর, দশমিনা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তৃর্ন মাঠে দু’চোখ যতদুর যায় হলুদ আর হলুদের সমারোহ। উপজেলার কৃষকরা জমিতে সরিষা চাষ করে দ্বিগুন লাভ করেছে। এই বছর প্রায় ১৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়। সরিষা গাছ ও ফুল ভালো হয়েছে। সঠিক পরিচর্যা করলে কৃষকরা আশানুরুপ ফলন পাওয়াসহ লাভের মুখ দেখতে পারবে। উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব গছানী গ্রামের কিষানী হামিদা বেগম বলেন,আমি গত বছর সরিষা চাষ করে ভালো লাভ করেছি। এতে সময় কম লাগে। বারি-১৪ সরিষার বীজ রোপনের ৭০-৮০ দিনের মধ্যে গাছে ফুল আসে এবং সরিষার দানা চারটি হয়। তাই ফলনও বেশি পাওয়া যায়। এই বছর আগের চেয়ে বেশি জমিতে সরিষা চাষ করেছি। গাছ ও ফুল ভালো হওয়ায় ফলন ভালো হবে আশা করছি। উপজেলায় ফসলের মাঠ সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের বিস্তৃর্ন ফসলের মাঠে হলুদ আর হলুদের সমারোহ শোভা পাচ্ছে। সরিষা ফুলের মৌ মৌ গন্ধে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের চারদিক ভরে গেছে। সরিষা ফুলের সমারোহে ফসলের মাঠে ছড়াচ্ছে নান্দনিক সৌন্দর্য আর সরিষা ফুলকে ঘিরে মৌমাছি ও প্রজাপতিরা উড়ছে। আর মৌমাছিরা মধু আহরনে ব্যস্ত রয়েছে। সরিষার হলুদ হাসিতে রঙিন স্বপ্নের হাতছানি দিচ্ছে। প্রকৃতিতে শীতের হিমেল হাওয়া বইছে। সরিষা ফুলের সোনালী আভায় ফসলের মাঠ যেন প্রকৃতির সাজানো হলুদ গালিচা দিয়ে বিছানো হয়েছে। ফসলের মাঠে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য বিরাজ করছে। উপজেলায় সরিষা চাষ লাভজনক হওয়ায় কৃষকেরা সরিষা চাষে আগ্রহী হয়েছে। উপজেলার বেতাগি সানকিপুর, বহরমপুর, বাশঁবাড়ীয়, আলীপুর, দশমিনা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তৃর্ন মাঠে দু’চোখ যতদুর যায় হলুদ আর হলুদের সমারোহ। উপজেলার কৃষকরা জমিতে সরিষা চাষ করে দ্ধিগুন লাভ করেছে। এই বছর অধিক পরিমান জমিতে সরিষা চাষ করা হয়। জমিতে সরিষার গাছ ও ফুল ভালো হয়েছে। সঠিক পরিচর্যা করলে আশানুরুপ ফলন পাওয়া যাবে এবং লাভের মুখ দেখতে পারবে। কৃষি কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময়ে এসে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যান। কাটাখালীর কামাল আকন বলেন,আমি গত বছর সরিষা চাষ করে ভালো লাভ করেছি। এতে সময় কম লাগে বারি-১৪ সরিষার বীজ রোপনের ৭০-৮০দিন লাগে আর সরিষার দানা হয় চারটি তাই ফলনও বেশি পাওয়া যায়। এই বছর আগের চেয়ে বেশি জমিতে সরিষা চাষ করেছি। গাছ ও ফুল ভালো হওয়ায় ফলন ভালো হবে আশা করছি। পশ্চিম লক্ষীপুর গ্রামের চাষি তপন সিকদার জানান, আমি এই বছর নতুন সরিষা চাষে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সরিষা বারি ১৪ বীজ এনে ১ হেক্টর জমিতে রোপন করেছি। গাছ ও ফুল ভালো দেখা যায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।
দশমিনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবু জাফর আহমেদ দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধিকে বলেন, তৈল জাতীর ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৭টি ইউনিয়নে রবি মৌসুমে প্রনোদনার কর্মসূচির আওতায় ক্ষদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বারি-১৪ সরিষা বীজ দেয়া হয়। সরিষা বারি-১৪ ফলনে চারটি প্রোকোস্ট থাকে এবং ফলন ভাল হয়। উপজেলায় এই বছর সরিষা চাষে কৃষকের আগ্রহ ব্যাপক। গত বছরের তুলনায় এই বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সরিষা গাছ ও ফুল ভাল দেখা যাচ্ছে। এই বছর কৃষকরা ভাল ফলন পাবে বলে আশা করছি।

