By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
খবর সার্চ

প্রকাশনার ৫৫ বছর

দৈনিক জন্মভূমি

NEWSPORTAL

  • মূলপাতা
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • জেলার খবর
    • খুলনা
    • চুয়াডাঙ্গা
    • বাগেরহাট
    • মাগুরা
    • যশোর
    • সাতক্ষীরা
  • ফিচার
  • আজকের ই-পেপার
  • সকল ই-পেপার
Reading: দাকোপে অধিকাংশ নদী খাল জুড়ে চলছে কচুরিপানার প্রদর্শন
Share
দৈনিক জন্মভূমিদৈনিক জন্মভূমি
Aa
  • মূলপাতা
  • জাতীয়
  • খুলনা
  • জেলার খবর
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • সম্পাদকীয়
  • ALL E-Paper
অনুসন্ধান করুন
  • জাতীয়
  • জেলার খবর
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • ই-পেপার
Have an existing account? Sign In
Follow US
প্রধান সম্পাদক মনিরুল হুদা, প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত
দৈনিক জন্মভূমি > জেলার খবর > খুলনা > দাকোপে অধিকাংশ নদী খাল জুড়ে চলছে কচুরিপানার প্রদর্শন
খুলনা

দাকোপে অধিকাংশ নদী খাল জুড়ে চলছে কচুরিপানার প্রদর্শন

Last updated: 2026/01/01 at 3:01 PM
জন্মভূমি ডেস্ক 3 months ago
Share
SHARE

বিধান চন্দ্র ঘোষ, দাকোপ (খুলনা) : খুলনার দাকোপে অধিকাংশ নদী ও খালগুলো চরম ভাবে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এমনকি উপজেলা সদর চালনায় একটি লেকও। কচুড়িপানা জমে থাকায় এবং দখল দূষণে খালগুলো পানি প্রবাহে স্বাভাবিক গতি হারিয়ে ফেলছে। এতে দিন দিন খালগুলোর নাব্যতা কমে আসছে। ফলে পানি নিষ্কাশনসহ নানা প্রতিবন্দকতা সৃষ্টি হচ্ছে। দীর্ঘদিন যাবৎ এমন অবস্থা চলে আসলেও নদী খালগুলো রক্ষায় নেওয়া হয়নি উল্লেখযোগ্য কোন পদক্ষেপ। এসব কারণে আগামীতে কৃষি কাজও মারাত্মক ভাবে ব্যহতের আশঙ্কায় এলাকার হাজারো কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।
সরেজমিন এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ভৌগলিক অবস্থানের কারনে পৃথক তিনটি দ্বীপের সমন্বয় বঙ্গোপসাগর তথা সুন্দরবন উপকূলীয় এই উপজেলা ১টি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। উপকূলীয় এই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন নামে ২২৮টি বেশি খাল ও জলাশয় রয়েছে। এসব অধিকাংশ সরকারী খাস খালে দীর্ঘদিন যাবৎ কচুরিপানা জমে আছে। এমনকি উপজেলা সদর চালনায় নির্বাহী কর্মকর্তার বাস ভবনের পাশে একটি লেকেও। দেখে মনে হবে পুরো খাল জুড়ে সবুজে ঘেরা কোনো মাঠ অথবা চলছে কচুরিপানার প্রদর্শন। কোথাও পানির দেখা নেই। কিছু খালে আবার কচুরিপানা পচে গন্ধ বের হচ্ছে পানি থেকে। এই পানি দূষিত হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এ ছাড়া কিছু খাল নাম মাত্র ইজারা নিয়ে ইজারাদার অথবা গায়ের জোরে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় দখলে রেখেছেন। তারা নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে আড়াআড়ি অবৈধ ভাবে বাঁধ, খন্ড খন্ড টোনাজাল, চায়না দুয়ারী জাল, নেটজাল, পাটাজাল, চাকজাল, কারেন্ট জাল ও পাটাতন নেটের বেড়া দিয়ে মাছ শিকার করছেন। তাছাড়া ছোট ছোট খালগুলো যে যার মতো দখল করে গড়ে তুলেছেন বসত ঘরসহ নানা স্থাপনা এমনকি পাকা প্রচীরও। ফলে দখল দূষণে ও কচুরিপানা জমে থাকায় খালগুলো পানি প্রবাহে স্বাভাবিক গতি হারিয়ে ফেলছে। এতে খালের গভীরয়তা সংকটে একদিকে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা দূর্বলে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। আর অন্যদিকে শুকনো মৌসুমে খালে পানি ধারন ক্ষমতা না থাকায় সেচ সংকটের কারনে রবি শস্য ও বোরো চাষ চরম ভাবে ব্যহত হচ্ছে। এসব কারনে এক সময়েকার জলাশয়ে ভরা এই উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম নৌকা যেমন হারিয়ে যাচ্ছে তেমনি অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, কচুরিপানা অপসারণ এবং খালগুলো খনন না করলে আগামীতে কৃষি কাজে দেখা দিতে পারে চরম বিপর্যয়ে।
কৈলাশগঞ্জ এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য সিন্ধু রায় বলেন, আগে সরকারি খালগুলোতে পানি প্রবাহে স্বাভাবিক গতি ছিলো। তখন এলাকার লোকজন নৌকায় করে বিভিন্ন মালামাল আনা নেওয়া করতো। এছাড়া কিছু লোক খালে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবৎ ধনপতি খাল, গোলের খাল, চড়া নদীসহ একাধিক সরকারি খাস খালে কচুড়িপানা জমে থাকায় এবং দখল দূষণে খালগুলোর পানি প্রবাহে স্বাভাবিক গতি হারিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। কারণ এখন নৌকাও চলাচলা করে না। এলাকার লোকজন মাছও ধরে খেতে পারে না। আর দিন দিন খালগুলোতে পলি পড়ে গভীরয়তা কমে আসছে। ফলে পানি নিষ্কাশনসহ নানা প্রতিবন্দকতা সৃষ্টি হচ্ছে। তাছাড়া কচুরিপানা জমে থাকায় অনেক খালের কচুরিপানা পচে পানি দিয়ে দূর্গন্ধ বের হচ্ছে। গবাদি পশু পানি খেতে পারে না। পানি দূষিত হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এলাকার লোকজন খালে গোসলও করতে পারছে না। প্রধান ফসল তরমুজ খেতেও সেচ সংকটে কৃষিখাত বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে। এতে আবার সাপ, মশা ও মাছির উৎপাতও বেড়েছে। কচুরিপানা অপসারণ করে পানি ব্যবহারের উপযোগী করার এবং কেউ যাতে খালে লবন পানি তুলতে না পারে এমন দাবি জানান তিনি।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সঙে আলোচনা করে কচুরিপানা অপসারণের পরামর্শ দিচ্ছি। কারণ কচুরিপানা অপসারণ করতে পারলে সেচের পানি সংরক্ষনে অনেক সুবিধা হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বোরহান উদ্দিন মিঠু বলেন, অতি দ্রুত লেকের কচুরিপানা পরিস্কার করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জন্মভূমি ডেস্ক January 1, 2026
Share this Article
Facebook Twitter Whatsapp Whatsapp LinkedIn Email Copy Link Print
Previous Article দশমিনায় কৃষকদের প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত
Next Article মানুষের প্রত্যাশা এখন আরও উচ্চতায়: সালাহউদ্দিন
আরো পড়ুন
আন্তর্জাতিক

১৬০টিরও বেশি মার্কিন-ইসরায়েলি ড্রোন ধ্বংসের দাবি ইরানের

By Tanvir 22 minutes ago
আন্তর্জাতিক

ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা

By Tanvir 26 minutes ago
আন্তর্জাতিক

যেভাবে একদিনে যুক্তরাষ্ট্রের দুই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করল ইরান

By Tanvir 29 minutes ago

দিনপঞ্জি

April 2026
S M T W T F S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
« Mar    

এ সম্পর্কিত আরও খবর

খুলনামহানগর

গুম খুন ও অমানুষিক নির্যাতনের শিকার জনসাধারণের কল্যাণে কাজ করতে বিএনপি সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ– হুইপ বকুল

By সিনিয়র করেস্পন্ডেন্ট 4 hours ago
খুলনামহানগর

খুলনায় চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত

By সিনিয়র করেস্পন্ডেন্ট 4 hours ago
খুলনামহানগর

খুলনায় উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে কেসিসির প্রশাসক মঞ্জুর ব্যাপক তৎপরতা

By সিনিয়র করেস্পন্ডেন্ট 4 hours ago

প্রকাশনার ৫৫ বছর

দৈনিক জন্মভূমি

পাঠকের চাহিদা পূরণের অঙ্গীকার

রেজি: কেএন ৭৫

প্রধান সম্পাদক: লে. কমান্ডার (অব.) রাশেদ ইকবাল

অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক: আলি আবরার

প্রকাশক: আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত

ইমেইল– janmokln@gmail.com           অনলাইন নিউজরুম-০১৬১১৬৮৮০৬৪        রফিকুজ্জামান বার্তা কক্ষ ০৪১-৭২৪৩২৪

Developed By Proxima Infotech and Ali Abrar

Removed from reading list

Undo
Welcome Back!

Sign in to your account

Lost your password?