
হুমায়ুন কবীর রিন্টু , নড়াইল : নড়াইলের কালিয়া উপজেলার ২ যুবককে কম্বোডিয়া পাঠানোর নামে ভয়াবহ মানবপাচারের অভিযোগ উঠেছে এক আদম ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। প্রতারণার শিকার হয়ে সেখানে অমানুসিক নির্যাতনের মুখে পড়ে প্রাণ বাঁচাতে দেশে ফিরে এসেছেন দু’যুবক। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা নড়াইলের কালিয়া আমলি আদালতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাগুলো তদন্তের জন্য কালিয়া থানায় পাঠিয়েছেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কালিয়া পৌরসভার চাঁদপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মিরাজুল ইসলাম এবং একই উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের সদর আলীর ছেলে আমিনুর রহমানকে বিদেশে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখান স্থানীয় আদম ব্যবসায়ী রহমান এস.এম.সাকিবুর ওরফে সাব্বির হোসেন ওরফে খোকন (৪০)। একপর্যায়ে তিনি তাদের একই বিমানে করে কম্বোডিয়ায় পাঠান।
কম্বোডিয়ায় পৌঁছানোর পর প্রতিশ্রুত চাকরি না দিয়ে ওই আদম ব্যবসায়ী ফোনের মাধ্যমে প্রতিজনকে ২ লাখ টাকায় চাইনিজ একটি কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ওই চাইনিজরা তাদের ওপর শুরু করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। সেই সাথে তাদের দিয়ে কঠোর পরিশ্রম করায়। দীর্ঘদিন নির্যাতনের পর সুকৌশলে পালিয়ে গিয়ে প্রাণ রক্ষায় সক্ষম হন তারা।
ভুক্তভোগীরা জানান, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পালিয়ে এসে ১ ও ৮ জানুয়ারি বাংলাদেশে ফিরে আসেন তারা। পরে ঘটনার বিচার চেয়ে ২ ও ৮ ফেব্রুয়ারি নড়াইলের কালিয়া আমলি আদালতে আদম ব্যবসায়ী খোকন ও তার পিতা আব্দুল হাই মিয়াকে আসামি করে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেন। আদালত প্রাথমিক শুনানি শেষে মামলাগুলো তদন্তের জন্য কালিয়া থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত