
ডেস্ক রিপোর্ট : চাঁদপুর-৩ আসনের সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক নির্বাচিত হওয়ার পরপরই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বিশৃঙ্খলা ও ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগে নিজ দলের ছাত্রদলের পাঁচ কর্মীকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি।
শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এমপি মানিক নিজেই। এর আগে শুক্রবার রাতে তার নির্দেশে অভিযুক্তদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, ‘জনমনে আতঙ্ক, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও মাদক—এগুলো এখন থেকে চাঁদপুরে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এর সঙ্গে জড়িত যদি আমার দলের কেউও থাকে, তাকেও যেন আটক করে কঠোর ব্যবস্থা নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে যা যা করা প্রয়োজন, সরকারের সহযোগিতা নিয়ে চাঁদপুরবাসীর জন্য তাই করব। মানুষ শান্তি চায়।’
জানা গেছে, চাঁদপুর পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনের দিন এবং শুক্রবার দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শুক্রবার রাতে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়।
পরে সংসদ সদস্যের নির্দেশে চাঁদপুর পৌরসভা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ ঢালীর নেতৃত্বে পাঁচজন ছাত্রদল কর্মীকে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
আটকরা হলেন—ওয়ারলেস বাজার এলাকার নাছির গাজীর ছেলে নাহিদুল ইসলাম জনি (২২), লুৎফুর রহমানের ছেলে মোবারক হোসেন বেপারী (২৬), ইব্রাহিম গাজীর ছেলে জনি গাজী (৩০), মনির (২৫) ও ফাহিম (২৮)। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তারা সবাই স্থানীয় ছাত্রদলের কর্মী।
এ ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ বলেন, ‘যাদের আটক করা হয়েছে, তাদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা যাচাই-বাছাই শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও জানান, এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যদেরও আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত