
পাইকগাছা প্রতিনিধি
খুলনার পাইকগাছায় সরকারি জমি দখলমুক্ত ও শ্মশানঘাটের জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিনের সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তি করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বী। ৩১ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়ন ও বোয়ালিয়া এলাকায় এই অভিযান ও সমঝোতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গদাইপুর ইউনিয়নের ব্রিজের নিচে সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করে একটি মহল দোকান ঘর ও স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করেছিল। এলাকাবাসীর সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে বেলা ১১টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও এসিল্যান্ড মো. ফজলে রাব্বী সেখানে উপস্থিত হয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেন। মুহূর্তেই অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে দিয়ে সরকারি জায়গা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এরপর তিনি বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামার এলাকায় গিয়ে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শ্মশানঘাটের জায়গা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে কাজ করেন। বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামার ও শ্মশানঘাটের সীমানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল। এসিল্যান্ড উভয় পক্ষকে সাথে নিয়ে সরেজমিন মাপজোখ করেন এবং সবার সম্মতিক্রমে সীমানা নির্ধারণ করে দিয়ে বিরোধের স্থায়ী সমাধান করেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. একরামুল হোসেন, বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামারের (বিএডিসি) সিনিয়র সহকারী পরিচালক হলেন নাহিদুল ইসলাম সহ আনসার সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অল্প সময়ের মধ্যে সরকারি জমি উদ্ধার ও দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান করায় উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, এই পদক্ষেপের ফলে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকবে। এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বী জানান, সরকারি জমি দখলমুক্ত রাখা আমাদের নিয়মিত দায়িত্ব। পাশাপাশি শ্মশানঘাটের জায়গা নিয়ে যে জটিলতা ছিল, তা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। জনস্বার্থে প্রশাসনের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।