শেখ মোহাম্মদ আলী, শরণখোলা : পূর্ব সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ সময়েও থেমে নেই হরিণ শিকার ও মাছ ধরা। গত দশদিনের ব্যবধানে ১৬০ কেজি হরিণের মাংস, ১২টি ট্রলার ও ৪২ জেলে আটক হয়েছে। বর্তমানে সুন্দরবনে মাছ ধরা ও পর্যটক প্রবেশে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা জারী রয়েছে।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার দিবাগত রাতে বলেশ্বর নদীর চরদুয়ানি এলাকায় চরদুয়ানি ফাঁড়ি পুলিশ একটি ট্রলার থেকে ১৬০কেজি হরিণের মাংস ও জাল জব্দ করে। এ সময় শিকারীরা পালিয়ে যায়। একটি শিকারী চক্র সুন্দরবন থেকে হরিণ শিকার করে নিয়ে এসেছিলো বলে চরদুয়ানি পুলিশ জানায়।
অপরদিকে, গত ৮ জুন সকালে বনরক্ষীরা শরণখোলা রেঞ্জের কাতলেশ্বর খাল ও সুপতির সরাভাঙ্গা খাল থেকে সাত টি ট্রলার ও ১৮ জেলেকে মাছ ধরার জালসহ আটক করে এছাড়া গত ১ জুন সুন্দরবনের কটকা অভয়ারণ্যের ভেতরের খালে মাছ ধরার সময় বনরক্ষীরা ৪টি ট্রলার ও জালসহ ২৪ জন জেলেকে আটক করে। আটক জেলেরা বনবিভাগের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুন্দরবনে মাছ ধরছিলো এদের সবার বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা এলাকায়।
শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) শেখ মাহবুব হাসান বলেন, সুন্দরবনে আটক জেলেদের বিধি মোতাবেক জরিমানা আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন,১ জুন থেকে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোন জেলে বাওয়ালী ও পর্যটক বনে প্রবেশ করতে পারবেনা। সুন্দরবনে যাতে কেউ প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য বনরক্ষীরা নিয়মিত টহল কার্যক্রম চালাচ্ছে আর এ টহলের ফলে হরিণের মাংস ও জেলেরা আটক হচ্ছে বলে ডিএফও জানিয়েছেন।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত