
সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে নারীদের মেনোপজ শুরু হয়। এরপর নানা রোগ উঁকি দিতে শুরু করে। এসময় নারীদের একাধিক শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের উৎপাদন কমে যায়। এটি কেবল হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় না, দুর্বল করে দেয় হাড়কেও।
ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ কমে গেলে খাবার থেকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ক্যালসিয়াম শোষণ হয় না। তখনই হাড় ক্ষয়ে যায় বা হাড় ভঙ্গুর হয়ে যায়। এ কারণেই পুরুষের তুলনায় নারীরা বেশি অস্টিওপোরোসিসের সমস্যায় ভোগেন।
মেনোপজের পর অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি এড়াবেন কীভাবে?
১. ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ
অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি এড়াতে চাইলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে হবে। এজন্য দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খেতে হবে। এছাড়া খাদ্যতালিকায় রাখুন মাছ, মাংস, ডিম, মটরশুঁটি ও শাকসবজি।
২. প্রয়োজন ভিটামিন ডি
অস্টিওপোরোসিস ঝুঁকি কমাতে ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি ভিটামিন ডি-এর ভূমিকাও অপরিসীম। ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। নারীদের দেহে এই পুষ্টিরও ঘাটতি থাকে। ভিটামিন ডি-এর প্রধান উৎস হলো সূর্যালোক। তাই প্রতিদিন সকালে ১০-১৫ মিনিট রোদে দাঁড়ান। প্রয়োজনে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টও খেতে পারেন।
৩. নিয়মিত শরীরচর্চা
অলস জীবনযাপন আরও বাড়িয়ে দেয় হাড়ের সমস্যা। তাই বয়স বাড়লেও শরীরচর্চায় ফাঁকি দেওয়া চলবে না। নিয়মিত হাঁটাহাঁটি, ব্যায়াম, যোগাসন করুন। এতে ওবেসিটিসহ একাধিক রোগের ঝুঁকি এড়াতে পারবেন। হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে শরীরের ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।