ক্রীড়া প্রতিবেদক : শেষ মুহূর্তের গোলে আরও একবার স্বপ্নভঙ্গ হলো বাংলাদেশের। নির্ধারিত ৯০ মিনিট কুয়েতকে আটকে রেখে অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে গোল হজম করে বসে বাংলাদেশ। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়ালেও আর সমতায় ফেরা হয়নি বাংলাদেশের।
আর তাতেই ১-০ গোলে জিতে সাফের ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে কুয়েত। পাশাপাশি দুই দশক পর সাফের ফাইনালের স্বপ্ন দেখতে থাকলেও সেটি পূরণ হলো না বাংলাদেশের।
এর আগে গোলশূন্য সমতার পর ম্যাচটি গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। প্রথমার্ধের নির্ধারিত ১৫ মিনিট শেষ হতেই চতুর্থ রেফারি দুই মিনিট ইনজুরি সময় দেন। যার প্রথম মিনিটেই গোল হজম করে বাংলাদেশ। সংঘবদ্ধ আক্রমণে বক্সের মধ্যে বল ঠেলে দেন কুয়েত মিডফিল্ডার। সেখানে কুয়েত ফুটবলার আব্দুল্লাহর মার্কিংয়ে ছিলেন পরীক্ষিত ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। কিন্তু তিনি চার্জে আসেননি আবার ঠিকমতো ব্লকও করতে পারেননি। ফলে তপুর পায়ের ফাঁক দিয়ে আব্দুল্লাহর শট জড়ায় বাংলাদেশের জালে।
গোলরক্ষক জিকো পুরো ম্যাচজুড়ে বেশকিছু অসাধারণ সেভ করেছেন। তবে এই গোলে জিকোর কোনো দায় নেই। নির্বাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা ছাড়া তার কিছুই করার ছিল না।
খেলা শেষ হয়েছে মিনিট কয়েক। তখনও বক্সে বসে রইলেন উইঙ্গার রাকিব। অন্য খেলোয়াড়রাও আনমনে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে। ১২০ মিনিট লড়াই করে কুয়েতের বিপক্ষে ০-১ গোলের হারের পর এমন চিত্র বাংলাদেশ দলের। ম্যাচ হারলেও হৃদয় জয় করেছেন জামাল-মোরসালিনরা।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে খেলা ছিল গোলশূন্য। অতিরিক্ত ত্রিশ মিনিটে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে গোলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা দুটি পরিবর্তন করেন। স্ট্রাইকার সুমন রেজা নামার পর কয়েকটি আক্রমণও করে বাংলাদেশ। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে রাকিবের একটি শট পা দিয়ে ঠেকান কুয়েতের গোলরক্ষক। সমতা আনতে ব্যর্থ হলে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নেয় বাংলাদেশ।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত