
ডেস্ক রিপোর্ট : বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনের মোট ৫৪৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪০৯টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ১৮৬টি ভোটকেন্দ্রকে উচ্চমাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ এবং ২২৩টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। বাকি ১৩৮টি ভোটকেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মোহাম্মদ বাতেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ইতিমধ্যে জেলার সব ভোটকেন্দ্রকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি জেলার ৯টি উপজেলায় নির্বাচনী সরঞ্জাম ও মালামাল পৌঁছে গেছে। আগামীকাল থেকে দূরত্ব ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পর্যায়ক্রমে ভোটকেন্দ্রগুলোতে এসব সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি আরো জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলার ৯টি উপজেলায় ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ২৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি ইলেক্টোরাল তদন্ত কমিটির দায়িত্বে থাকবেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার ৪ জন কর্মকর্তা। এ ছাড়া যেকোনো পরিস্থিতিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও র্যাব সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।
জানা যায়, বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১৩ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে, যার মধ্যে ৩ জন সশস্ত্র থাকবেন। এছাড়া চারটি আসনে মোট ৭৫টি মোবাইল পেট্রোলিং টিম দায়িত্ব পালন করবে। থাকবে ৯টি স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকবে আরো ১২টি স্ট্রাইকিং ফোর্স।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত