চুলকাটি অফিস : বাগেরহাট সদর থানাধীন রাখালগাছি ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাদে চলছে পানের হাট। সিএন্ডবি বাজারের পুরনো পানের হাটটি ফিরে পেতে চাই সকল পান চাষীরা। মাথাভাঙ্গা মোড় খুলনা মাওয়া সড়কের পাশে মালিকানা জমিতে অবৈধভাবে পানের হাট বসিয়ে স্থানীয় কিছু লোক লুটেপুটে খাচ্ছে।
সিএন্ডবি বাজার ব্যবসায়িদের অভিযোগ, সিএন্ডবি বাজার পানের হাট ফিরে পেতে চাই সকল পান চাষীরা সিএন্ডবি বাজারে পানের হাট থাকাকালিন প্রতিদিন শত-শত লোকের আগমন ঘটেছে। প্রশাসন ও হাট ইজারাদের কাছে তাদের ন্যায্যমূল্যের পানের হাটটি ফিরে পাওয়ার দাবি। ন্যায্যমূল্য পানের হাটের অভাবে সকল প্রকার লাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন চাষিরা। বিগত বছরগুলোতে এই হাটে পান বেচাকেনা করে মধ্যবিত্তের আয়ের পান চাষীরা লাভবান হয়েছেন। হঠাৎ করোনাকালীন সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পুরনো পানের হাটটি বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মাথাভাঙ্গা মালিকানা জমিতে বসানোর অনুমতি প্রদান করেন। এই পানের হাটটি কোন প্রকার ইজারা ছাড়া নিজস্ব গতিতে পরিচালনা করে আসছেন। স্থানীয় সরকারকে ইজারা ফাঁকি দিয়ে প্রতি হাটে লক্ষ-লক্ষ টাকার পান কেনাবেচা হচ্ছে। এই হাটটি ইজারাভুক্তের আওতায় আনার জন্য ফকিরহাটে পিলজংগ ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত শেখ মনিরুলের ছেলে শেখ আজমল ও একই গ্রামের মৃত হারের শেখের পুত্র মুজিবুর রহমান শেখ বাদী হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় স্থানীয় সরকার শাখায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন গত ৫ মে।
সরেজমিনে স্থানীয় পান চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ০৯/২৩ বাগেরহাট জজ আদালতে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। বাগেরহাট সদর সহকারী ভূমি কমিশনার রুবাইয়া বিনতে কাশেম মাথাভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের পানের হাটটি বন্ধ করে সিএন্ডবি বাজারে হাট বসানোর নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়া আরো তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ অমান্য করলে হাট উচ্ছেদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রধান সম্পাদক: লে. কমান্ডার (অব.) রাশেদ ইকবাল, প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত