জন্মভূমি ডেস্ক : বহু বার নিজের ক্যারিয়ারে বাবার অবদান নিয়ে কথা বলেছেন তামিম ইকবাল। বাবা ইকবাল খানের অনুপ্রেরণাতেই এতদূর এসেছেন দেশসেরা এই ওপেনার। বাবার সঙ্গে তামিমের সম্পর্কটাও ছিল ভীষণ বন্ধুত্বপূর্ণ। আর তাই বিদায়বেলাতেই বাবাকে স্মরণ করলেন তামিম।
আচমকা সংবাদ সম্মেলন ডাকার পর থেকেই জল্পনা-কল্পনা চলছিল। আনুষ্ঠানিক ঘোষণাটা আসল আজ। দুপুরের দিকে চট্টগ্রামের একটি হোটেলে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিয়েছেন বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার তামিম ইকবাল।
গতকাল বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে আফগানদের কাছে প্রথম ওয়ানডেতে হারের পর সিরিজ কাভার করতে চট্টগ্রামে যাওয়া সাংবাদিকদের কাছে মধ্যরাতে একটি ক্ষুদে বার্তা পাঠান তামিম। যেখানে জানান, আজ দুপুর ১২টায় সংবাদ সম্মেলন করে কিছু বিষয়ে জানাবেন তিনি। পরে সময় পরিবর্তন করে দেড়টায় কথা জানানো হয়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে বিদায়ের ঘোষণা দিয়ে তামিম বলেন, ‘আফগানিস্তানের বিপক্ষে গতকালের ম্যাচটিই আমার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। এই মুহূর্ত থেকে আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছি। সিদ্ধান্তটি হুট করে নেওয়া নয়। অনেকদিন ধরেই আমি এটা নিয়ে ভাবছি। পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেছি এটা নিয়ে।’
তারপরই নিজের বাবাকে স্মরণ করে তামিম বলেন, ‘আমি সবসময় বলেছি, ক্রিকেটটা আমার বাবার স্বপ্ন পূরণ করার জন্য। আমি জানি না, তাকে কতটুকু গর্বিত করতে পেরেছি। সেটার জন্য ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়েছি।’
এরপর বলেছেন, ‘আমি আরও কয়েকজনকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমার সবচেয়ে ছোট চাচা, যিনি ইন্তেকাল করেছেন, তার নাম আকবর খান, যার হাত ধরেই আমি প্রথম ক্রিকেট বলে টুর্নামেন্ট খেলেছি। চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে তপন দা নামের একজন কোচ আছেন, তার কাছে আমি ঋণী।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ১৬ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের জন্য তামিম ধন্যবাদ দিয়েছেন সতীর্থ, কোচ, বিসিবি, পরিবার ও সমর্থকদের, ‘ক্যারিয়ারের এই দীর্ঘ পথচলায় আমার সব সতীর্থ, সব কোচ, বিসিবির কর্মকর্তাগণ, আমার পরিবার ও যারা আমার পাশে ছিলেন, নানাভাবে সহায়তা করেছেন, ভরসা রেখেছেন এবং আমার ভক্ত-সমর্থক, বাংলাদেশ ক্রিকেটের অনুসারী, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনাদের সবার অবদান ও ভালোবাসায় আমি চেষ্টা করেছি সব সময় দেশের জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দিতে।’
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত