
মোঃ এজাজ আলী : পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়েছে ২৯ জুন। এবারের বৃষ্টির বাগড়ায় ঈদের দিন সকালে শিশু কিশোররা থেকে নগরবাসী বাসা থেকে বের হতে পারেননি। গতকাল ছিল ঈদের তৃতীয় দিন। এখনো নগরীর সর্বত্র চলছে ঈদের আমেজ। সড়কে সড়কে, বিনোদন কেন্দ্রে, শিশুপার্ক, চিড়িয়াখানা, রূপসা সেতু, চটপটি-ফুসকা হাউজ, ফাস্টফুড কর্ণার, কফিশপ, সিনেমা হল, ইত্যাদি স্থানগুলোতে এখনো উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিকাল থেকে নগরবাসী নেমে পড়েন ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে। তবে রোদ বৃষ্টির লুকোচুরি খেলা চলতে থাকে। তবে ঈদের দিন থেকে অনেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বেরিয়ে পড়েন বিভিন্ন দর্শণীয় স্থানে। ঈদের দ্বিতীয় দিন দুপুরের পর থেকে নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে সাধারন মানুষের সমাগম বাড়তে থাকে। সময় বাড়ার সাথে সাথে উপস্থিতির পরিমান আরো বাড়তে দেখা যায়। সেখানে কথা হয় বর্ণমালা শিশু শিক্ষালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী শাকিলা মাহমুদের সাথে। স্কুলের পড়ার চাপে খেলাধুলা করতে পারিনি। ঈদের চারদিনের ছুটি দিয়েছে। বাব-মায়ের কর্মব্যস্ততার কারনে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে যেতে পারিনি। বাবা মায়ের সাথে এখানে আসা। এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য ও মনোরম পরিবেশে খোশ মেজাজে আছে সে। নগরীর ৬ ও ৭ নং ঘাটে বিকালের দিকে প্রচুর ভিড় পরিলক্ষিত হয়। সেখানে আবাল-বৃদ্ধসহ সকলের উপস্থিতি দেখা যায়। কথা হয় শামসুর রোড এলাকার সজলের সাথে, মঙ্গলবার বিকেলে সময় পেয়েছেন বাচ্চাদের সাথে নিয়ে এখানে আসা তার। তবে এখানকার পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন তিনি। তিনি এখানকার পরিবেশ আরো ভাল করার জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। এদিকে শিশুদের চিত্তবিনোদনের জন্য নগরীর জাতিসংঘ শিশুপার্কে মেলার আয়োজন করা হয়। সেখানে নাগরদোলা, চরকিসহ বিভিন্ন উপকরন সংযুক্ত করা হয়েছে। অপরদিকে খানজাহান আলী সেতুর পুরো এলাকা বিনোদন প্রেমীদের দখলে রয়েছে। গিলাতলা চিড়িয়াখানা ও শিশুপার্কে ছিল নজরকাড়া ভিড়। রবিন নামে একজন জানান, ঈদের দুদিন বাড়িতে আত্বীয়-স্বজনদের আপ্যায়নের চাপ থাকে। তাই পরিবারের সকলে মিলে বেড়াতে এলাম। উৎসবমূখর পরিবেশে বাইরে ঘোরাঘুরি করতে পারাতে মনে অনেক শান্তি লাগছে। ফাহিম নামে অপর একজন দৈনিক জন্মভূমিকে জানান, বন্ধুরা মিলে প্রতি ঈদে রূপসা সেতুর উপরে ঘুরতে আসি।