
জন্মভূমি ডেস্ক : ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১৫৫ লাখ লিটার তেল এবং ৮ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৩২৪ কোটি ৫০ লাখ ২০ হাজার টাকা। একইসাথে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়ম করপোরেশন (বিপিসি) কর্তৃক পাঁচ দেশের ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১৬ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বুধবার (২৬ জুলাই) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহমুদ খান সাংবাদিকদের জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন টিসিবি কর্তৃক ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৮০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল মেঘনা ইডিবল ওয়েলস রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে ১৩১ কোটি ১৬ লাখ টাকায় কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন টিসিবি কর্তৃক স্থানীয়ভাবে সরাসরি ক্রয় (ডিএমপি) পদ্ধতিতে ৭৫ লাখ লিটার রাইন ব্রান ওয়েল ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট খরচ হবে ১১৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। মজুমদার প্রোডাক্টস অ্যান্ড মজুমদার ব্র্যান্ড লিমিটেড, অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেড এবং আলী ন্যামনাল ওয়েল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের থেকে এই তেল কেনা হবে।
এছাড়াও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন টিসিবি কর্তৃক ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৮ হাজার টন মসুর ডাল নাবিল নাবা ফুডস লিমিটেডের কাছ থেকে ৭৫ কোটি ৫৯ লাখ ২০ হাজার টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন বিপিসি কর্তৃক বিভিন্ন দেশের ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান (পিটিটিটি থাইল্যান্ড, ইএনওসি আরব আমিরাত, পেট্রোচিনা চীন, বিএসপি ইন্দোনেশিয়া, পিটিএলসিএল মালয়েশিয়া ও ইউনিপেক চীন) হতে ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের জন্য ১৬ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল প্রিমিয়াম ও রেফারেন্স প্রাইসসহ ১২ হাজার ৮৫০ কোটি ৮৭ লাখ টাকায় আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ কর্তৃক দেশের উত্তরোত্তর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটানোর নিমিত্তে গভীর ও অগভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে প্রণীত খসড়ার ‘ড্রাফট বাংলাদেশ অফশোর মডেল প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (চঝঈ) ২০২৩’ নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।