
বিজ্ঞপ্তি : খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, প্রায় দেড় হাজার বছর আগে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে এই দিনে মানব জাতির জন্য রহমত হিসেবে মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.) এর শুভ আবির্ভাব ঘটে। দিনটি মুসলিম উম্মাহর কাছে পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সা.) নামে পরিচিত। এই দিনে আরবের মক্কা নগরীর সভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমিনার কোল আলো করে জন্ম নেন বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। মহানবী (সা.) এর জন্মের আগে অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল গোটা আরব। সে সময় আরবের মানুষ মহান আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিল। আরবের সর্বত্র অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার মধ্যদিয়ে ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’র যুগ সৃষ্টি হয়েছিল। এ অন্ধকার যুগ থেকে মানবকুলের মুক্তিসহ তাদের আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহতাআলা রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে দুনিয়ায় পাঠান। মহানবী (সা.) অতি অল্প বয়সেই আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের জন্য হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। পঁচিশ বছর বয়সে মহানবী বিবি খাদিজার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মাত্র ৪০ বছর বয়সে তিনি নবুয়ত লাভ বা মহান রাব্বুর আলামিনের নৈকট্য লাভ করেন। তিনি আরো বলেন, ‘মহানবীকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পৃথিবীই সৃষ্টি করতেন না’। এসব কারণে এবং তৎকালীন আরব জাহানের বাস্তবতায় এ দিনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশি। হজরত মুহাম্মদ (সা.) মানবকুলের জন্য অনুপ্রেরনা ও শিক্ষা। এই মহামানবের জীবনাদর্শ ও ভ্রাতৃত্ববোধে ব্রতী হয়ে দেশ সেবা এবং মানবকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত দোয়া ও দুস্থ্যদের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা দেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা । খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এম.এ. নাসিমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস.এম আসাদুজ্জামান রাসেলের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোঃ মাসুম বিল্লাহ, কাজী ইউসুফ আলী মন্টু, ইসরাফুল জামান খান শাকিল, মীর রবিউল আলম, বায়জিদ হোসেন, মোঃ তাজমুল হক তাজু, এস.এম. আসিফ ইকবাল সবুজ, রফিকুর রহমান মারুফ, মোঃ হুমায়ুুন শিকদার, লিটন মাহমুদ, রবীন্দ্রনাথ ধর, মোঃ জিলহাজ হাওলাদার, মোঃ রিপনুজ্জামান রিপন, মোঃ মোজাহার হোসেন, মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, মোঃ আসাদুজ্জামান লিপন, মোঃ ইমরান হাওলাদার, গোলাম রাব্বানী মামুন, ত্রাণ ও মোঃ ফরহাদ হোসেন, ইঞ্জি. মোঃ ইসমাইল সুমন, শেখ মোস্তাফিজুর রহমান বাদল, মোঃ শুকুর আসলাম শ্রাবণ, মোঃ খান আজিম হিজল, সাইদুর রহমান মফিজ, মশিউর রহমান, মোঃ ইমরান হোসেন সাগর, খান মোসাদ্দেক হোসেন ইমন, রফিকুল ইসলাম খান, মোঃ জাকির হোসেন খোকন, মোঃ শাহরিয়ান নেওয়াজ রাব্বি, মোঃ রবিউল ইসলাম প্রিন্স, আবিদ আল হাসান, হামিদা বেগম, রেয়াজাদ হোসেন জন, মাঃ আকরাম হোসেন, গোলাম মাওলা টিংকু, জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, মোঃ শফিকুল ইসলাম অভি, ফাহিদ হোসেন ঐশ্বর্য, মোঃ মাসুদ রানা, মোঃ হেলাল খান, মোঃ কবির হোসেন, মোঃ ইমরান গাজী, ফয়সাল হোসেন, মোঃ রাজু শেখ, শহিদুল ইসলাম, এ.কে.এম জান্নাতুল ফেরদৌস রুপম, ইঞ্জি. মোঃ হাফিজুর রহমান, মোঃ নাসির শেখ, মোঃ মারুফ হোসেন,শহিদুল ইসলাম রিপন, শামীম হাওলাদার, নিয়াজ মোরশেদ সৈকত, নূর আলম সজিব, ইব্রাহিম হোসেন আরজু, আফরোজ আহসান, মোঃ সালাউদ্দিন মুন্সি, এস.এম দিদার, রওশন আনির্জী অন্ত, মোঃ আব্দুল রাজ্জাক গাজী, মোঃ শওকত হাওলাদার, মোঃ আরিফুল ইসলাম রাসেল, মোঃ আল-আমিন হাওলাদার, মোঃ সুমন হাওলাদার, তারিফুল ইসলাম তারিফ, মোঃ মাহফুজুল আলম সুমন, সুমনা আক্তার। উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য দেবদাশ বিশ্বাস, কোমল বিশ্বাস, মোঃ আবু হেনা, মোঃ আলী সোহাগ, মোঃ মারুফ চৌধুরী রিমন, মোঃ জাকারিয়া শেখ, রাশেদুজ্জামান রুবেল, নাসির মৃধা, মাসুম চৌধুরী, নুরুন নাহার খাতুন মুন্নী এবং মোঃ আল-আমিন। এছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাজাহান শিকদার, শেখ সাহিদ, গফাফার মোড়ল, শেখ আনিস, মোঃ রাজু, তুষার সরকার, মোঃ মেহেদি, আকরাম হোসেন, রাজিব মোল্লা, মোঃ আল মামুন বাদল প্রমুখ।

