
যশোর অফিস : মোবাইল ফোনে নিজেকে কখনও আকিজ জুট মিলস্ এবং কখনও জনতা জুট মিলস্ এর কর্মকর্তাসহ সরকারি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক চক্রের মূল হোতা মোসাদ্দেক হোসেন ওরফে রাশেদ (৩৪) কে গ্রেফতার করেছে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) যশোরের একটি বিশেষ চৌকসদল। গত সোমবার রংপুর জেলার হারাগাছা ও গঙ্গাচড়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রেফতার করা হয়। সে রংপুর জেলার হারাগাছা থানার জম চওড়া গ্রামের মৃত আবু আওয়াল এর ছেলে। এ সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একটি স্মার্ট ফোন ও একটি বাটন ফোন যার মোবাইল নাম্বার ০১৭৬১৪৬০৭২৯ সীমসহ উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারের পর প্রতারক মোসাদ্দেক হোসেন ওরফে রাশেদ প্রতারণা স্বীকার করে মঙ্গলবার ২০ জুন দুপুরে আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের কাছে স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় জবান বন্দি দিয়েছে বলে সিআইডি দপ্তর থেকে নিশ্চিত করেছে।
সিআইডি যশোর পুলিশ জানায়, মোবাইল ফোনে আকিজ জুন মিলস্ এবং জনতা জুট মিল্স এর কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায় সংক্রান্তে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামী করে গত ১৬ এপ্রিল যশোরের অভয়নগর থানায় একটি মামলা হয়। মামলা নং ২১, তাং ১৬/০৪/২৩ ধারা ৪০৬/৪২০ পেনাল কোড। মামলা হওয়ার পর বিষয়টি বিশেষ পুলিশ সুপার সিআইডি যশোর এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাধানে যশোর সিআইডি ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং সিআইডি হেডকোয়ার্টাস,ঢাকা এর অনুমোদনক্রমে যশোর সিআইডি দপ্তরে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলামকে মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয়। সিআইডি যশোর জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার মোঃ মহিউদ্দীন আহমেদ এর সার্বিক দিক-নিদের্শনায় যশোর সিআইডি’র পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ চৌকস টিম গত ৩০ মে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়কারী চক্রের সহযোগী সদস্য মাসুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে। সে রংপুর জেলার সদর উপজেলার ময়নাকুটি গ্রামের আব্দুল করিম মিয়া ওরফে সেন্টুর ছেলে।

