জন্মভূমি ডেস্ক : লেবাননে যুদ্ধ হলে কোনো নিয়মনীতি মানা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ। সংস্থাটির মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, তার দেশের মাটিতে হামাস নেতা সালেহ আল-আরৌরিকে যারা হত্যা করেছে তারা শাস্তি পাবে।
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে মঙ্গলবার রাতে এক ড্রোন হামলায় নিহত হন সালেহ আরৌরি। এরপর বুধবার রাতে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে এসব কথা বলেন নাসরুল্লাহ। খবর আল জাজিরার
ভাষণে তিনি সালেহ আল-আরৌরি ও তার পাঁচ সহকর্মীর পরিবারবর্গকে শোক ও সমবেদনা জানান। আরৌরিকে ‘ভাই’ ও একজন ‘মহান কমান্ডার’ উল্লেখ করে তিনি এটিকে লেবাননের ভূমিতে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের ‘নির্লজ্জ হামলা’ বলে বর্ণনা করেন।
হিজবুল্লাহ নেতা বলেন, সালেহ আল-আরৌরির হত্যাকারীদের শাস্তি দেওয়া হবে। এই বিপজ্জনক অপরাধের হোতারা বিনা জবাবে ও বিনা শাস্তিতে পার পাবে না।
বৈরুতের দক্ষিণে দাহিয়ে এলাকাটি হিজবুল্লাহর নিয়ন্ত্রিত এলাকা হিসেবে পরিচিত এবং সালেহ আল-আরৌরি হিজবুল্লাহর নিরাপত্তা বলয়ে থাকা অবস্থায় ইসরায়েলি হামলার শিকার হন। হিজবুল্লাহ নেতা এ সম্পর্কে বলেন, ২০০৬ সালের যুদ্ধের পর ইসরায়েল এর আগে আর কখনও ওই এলাকায় হামলা করার সাহস দেখায়নি।
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, গাজা যুদ্ধের অজুহাতে লেবাননের মাটিতে সরাসরি যেকোনো হামলার কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। বলেন, শত্রু যদি লেবাননের ভূমিতে যুদ্ধ করতে চায় তাহলে আমরা কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করব না। সেক্ষেত্রে ইসরায়েলকে চড়া মূল্য দিতে হবে।
ইসরায়েল গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নির্বিচারে হাত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। এরপর থেকে ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে গোলাগুলি বিনিময় হলেও এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে বড় ধরনের সংঘাতে যাওয়া থেকে বিরত রয়েছে হিজবুল্লাহ।
নাসরুল্লাহ তার ভাষণে বলেন, হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের হামলায় ইসরায়েলি সেনারা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হলেও তারা এ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করছে। গাজা আগ্রাসন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কোনো কিছুই অর্জন করতে পারবে না।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত