
শরণখোলা আঞ্চলিক অফিসঃ শরণখোলার পল্লীতে প্রতিপক্ষের হামলায় রবিবার রাতে আরিফুল ইসলাম মাসুম (২৬) নামে এক প্রবাসী নিহত হয়েছে। ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ তিন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। অপরদিকে, নিহত মাসুম ছাত্রদলের নেতা এবং হত্যার ঘটনায় জামাত শিবির জড়িত বলে বিএনপির অভিযোগের প্রতিবাদে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সোমবার দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে।
শরণখোলা থানার মামলা ও ভূক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, আরিফুল ইসলাম মাসুম রবিবার (১ মার্চ) রাত ৯টার দিকে শরণখোলা গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে খাবার খেয়ে বাড়ি ফিরছিল পথিমধ্যে ২০-২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাকে গতিরোধ করে মারধর করে।
মারধরে আহত মাসুমকে রাত সাড়ে ১১টার দিকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাসুম মারা যায় বলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রিয় গোপাল বিশ্বাস জানান। নিহত মাসুম উপজেলার শরণখোলা গ্রামের মৃত: আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় থেকে সম্প্রতি বাড়ীতে আসে
এদিকে,নির্বাচনী রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে জামাত শিবিরের লোকজন হামলা করে মাসুমকে মেরে ফেলেছে বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেল্লাল হোসেন মিলন। অপরদিকে, বিএনপির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম কবীর সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে শরণখোলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, মাসুম হত্যায় জামায়াত শিবিরের কেউ জড়িত নয়। পারিবারিক ও গোষ্ঠির দ্বন্ধে প্রতিপক্ষের লোকেরা মাসুমকে মারধর করেছে উল্লেখ করে তিনি ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি দাবী করেছেন।
শরণখোলা থানার অফিসাস ইনচার্জ মোঃ শামিনুল হক জানান, মাসুম হত্যার ঘটনায় নিহতের ভাই শহীদুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে সোমবার সকালে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলার এজাহার নামীয় তিনজন আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে চালান দিয়েছে। আসামীরা হলেন,খলিল বয়াতী (৩২),শাহজালাল বয়াতী (৩৫) ও তানজের বয়াতী (৬৫)। লাশ ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছেন।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত