By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
খবর সার্চ

প্রকাশনার ৫৫ বছর

দৈনিক জন্মভূমি

NEWSPORTAL

  • মূলপাতা
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • জেলার খবর
    • খুলনা
    • চুয়াডাঙ্গা
    • বাগেরহাট
    • মাগুরা
    • যশোর
    • সাতক্ষীরা
  • ফিচার
  • আজকের ই-পেপার
  • সকল ই-পেপার
Reading: সাতক্ষীরায় স্থাপিত ইটভাটার ৭০ শতাংশই ফসলি জমিতে
Share
দৈনিক জন্মভূমিদৈনিক জন্মভূমি
Aa
  • মূলপাতা
  • জাতীয়
  • খুলনা
  • জেলার খবর
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • সম্পাদকীয়
  • ALL E-Paper
অনুসন্ধান করুন
  • জাতীয়
  • জেলার খবর
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • ই-পেপার
Have an existing account? Sign In
Follow US
প্রধান সম্পাদক মনিরুল হুদা, প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত
দৈনিক জন্মভূমি > জেলার খবর > সাতক্ষীরা > সাতক্ষীরায় স্থাপিত ইটভাটার ৭০ শতাংশই ফসলি জমিতে
সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরায় স্থাপিত ইটভাটার ৭০ শতাংশই ফসলি জমিতে

Last updated: 2026/01/11 at 3:34 PM
জন্মভূমি ডেস্ক 2 months ago
Share
SHARE

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় ফসলি জমিতে বেড়েই চলেছে ইটভাটা। ক্রমেই নষ্ট হচ্ছে ৩ ফসলি জমি। জেলা সদরসহ ৭টি উপজেলায় শতাধিক ইটভাটা রয়েছে, যার ৭০ শতাংশই স্থাপিত হয়েছে ফসলি জমিতে। এসব ভাটার অধিকাংশের নেই পরিবেশের ছাড়পত্র। নেই কোনো সরকারি অনুমোদন বা লাইসেন্স। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় উচ্চ আদালতে রীট করে বছরের পর বছর ধরে অবৈধভাবে চলছে এসব ইটভাটা।
মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিষেশজ্ঞদের দাবি, ফসলি জমিতে যে হারে ইটভাটা স্থাপন হচ্ছে তাতে পরিবেশ যেমন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তেমনি মাটির উর্বরতা হারিয়ে ফসলহানির শঙ্কাও দেখা দিয়েছে। ফসলি জমি রক্ষায় ব্যবস্থা না নিলে আগামীতে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে বলেও মনে করেন তারা।
জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, সাতক্ষীরায় ৯৬টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে ঝিকঝাক ভাটা ৮৩টি এবং সনাতনী পদ্ধতির ভাটা রয়েছে ১৩টি। এসব ভাটার মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই ৬৭টি ভাটার। ছাড়পত্র আছে মাত্র ২৯টি ভাটার। পরিবেশের ছাড়পত্র বিহীন এসব অবৈধ ইটভাটার কোনো সরকারি অনুমোদন বা লাইসেন্স নেই। শুধুমাত্র উচ্চ আদালতে একটি রিটের মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বছরের পর বছর অবৈধভাবে চলছে এসব ইটভাট। উচ্চ আদালতে রীট করার কারণে পরিবশে অধিদপ্তর অবৈধ এসব ইটভাটার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারছে না।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কয়েকটি ইটভাটা ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ ইটভাটা ফসলি জমি ও জনবসতি এলাকায় স্থাপিত হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলার দহকুলা এলাকায় সানি ব্রিক্স, বেতলা গ্রামে এসবি ব্রিক্স, ছয়ঘরিয়া গ্রামে ঠিকানা ব্রিক্স, স্টার ব্রিক্স ও জেলা ভাটামালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল সরদারের মালিকানাধীন নুনগোলা গ্রামের জনবসতি এলাকায় স্থাপিত মেসার্স এম.আর.এস ব্রিকস। এসব ভাটার একেকটি ৩০-৩৫ বিঘা জমি দখল করে রেখেছে। ভাটার চারিদিকে রয়েছে বোরো ধান, সরিষা, আম, কলাসহ বিভিন্ন ফলের বাগান।
এ প্রসঙ্গে সদর উপজেলার দহকুলা গ্রামের সানি ইটভাটার স্বত্বাধিকারী আব্দুল খালেক বলেন, এখন থেকে প্রায় ২৫-৩০ বছর আগে ইটভাটা স্থাপন করা হয়েছে। তখন কোনো আপত্তি বা সমস্যা হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দেখে শুনেই অনুমোদন দিয়েছেন। তাছাড়া নির্মাণকাজের জন্য ইট তৈরির প্রয়োজনও তো রয়েছে। তাহলে ইটভাটা করব কোথায়? আরো অনেকেই ফসলি জমিতে ইটভাটা করেছে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শামছুন্নাহার রত্না বলেন, ইটভাটার কারণে ক্রমেই সাতক্ষীরায় ফসলি জমি কমে যাচ্ছে। তাছাড়া জমির উপরিভাগের মাটি কেটে নেয়ায় উর্বরতা কমছে। এতে ফসলহানির শঙ্কা রয়েছে। সঠিকভাবে মাটি ব্যবহার করতে না পারলে ভবিষ্যতে ফসল উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ইটভাটা স্থাপনের আগে নির্ধারিত ফি দিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স নিতে হয়। নীতিমালা অনুযায়ী, ইটভাটা স্থাপন করা হয় অনুৎপাদনশীল কৃষি জমিতে, অর্থাৎ যেখানকার মাটি কৃষিকাজের জন্য অনুপযোগী সে জমিতে। জমিটি হতে হবে অবশ্যই ফসলি জমি থেকে দূরে। কারণ কোনোভাবেই ইট বানাতে গিয়ে ফসলি জমি নষ্ট করা যাবে না।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর সাতক্ষীরা জেলা সহকারী পরিচালক সরদার শরিফুল বলেন, পরিবেশ আইন বা নীতিমালা না মেনেই সাতক্ষীরায় অনেক স্থানে ফসলি জমিতে ইটভাটা স্থাপন করা হয়েছে। জেলায় অন্তত ৯৬টি ইটভাটা রয়েছে, যার ৭০ শতাংশই ফসলি জমি বা জনবসতি এলাকায় গড়ে উঠেছে। এতে পরিবেশ যেমন হুমকির মুখে পড়ছে তেমন জমির উর্বরতা শক্তি হারাচ্ছে, যা ফসলহানির কারণও বটে।
সাতক্ষীরা জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম জানান, আগামীতে যাতে ফসলি জমিতে নতুন কোনো ইটভাটা স্থাপন করা না হয়, সে লক্ষ্যে সমিতির পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে যেসব ভাটা ফসলি জমির ওপর করা হয়েছে, তা সরিয়ে নদীর আশপাশে নেয়ার জন্য সরকারের কাছে সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ফসলি জমিতে স্থাপিত এসব ইটভাটা ফসল উৎপাদনে হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেলায় প্রতি বছরই বাড়ছে ইটভাটা। খাদ্যনিরাপত্তার বিষয়টা বিবেচনায় এনে দ্রুত এসব ভাটা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন কৃষক নেতারা।
সাতক্ষীরা- জেলা প্রশাসক মিসেস আফরোজা আক্তার এই প্রতিবেদককে।বলেন, কৃষি সমৃদ্ধ জেলা সাতক্ষীরায় বারো মাসই বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন হয়। কিন্তু ফসলি জমি নষ্ট করে ইটভাটা স্থাপন কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না। দ্রুত এসব ইটভাটার বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জন্মভূমি ডেস্ক January 12, 2026
Share this Article
Facebook Twitter Whatsapp Whatsapp LinkedIn Email Copy Link Print
Previous Article ২০২৫: কেমন ছিল উপকূল?
Next Article রঙিন ফুলকপি চাষে ডুমুরিয়া কৃষক হানিফের মুখে হাসি
আরো পড়ুন
ঝিনাইদাহ

মহেশপুরে শরীরে এইচআইভি ভাইরাস নিয়ে জীবন যুদ্ধ দম্পতির

By জন্মভূমি ডেস্ক 25 minutes ago
খুলনামহানগরশীর্ষ খবর/ তাজা খবর

নিখোঁজের ১২ দিন পর ব্যবসায়ি উদ্ধার, ঘটনা রহস্যজনক

By সিনিয়র করেস্পন্ডেন্ট 34 minutes ago
আন্তর্জাতিক

বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

By জন্মভূমি ডেস্ক 1 hour ago

দিনপঞ্জি

March 2026
S M T W T F S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
« Feb    

এ সম্পর্কিত আরও খবর

সাতক্ষীরা

তালায় ওভিটি-হোপ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

By জন্মভূমি ডেস্ক 4 hours ago
সাতক্ষীরা

আশাশুনিতে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা

By জন্মভূমি ডেস্ক 4 hours ago
সাতক্ষীরা

উপকূলীয় অঞ্চল হতে পারে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি

By জন্মভূমি ডেস্ক 9 hours ago

প্রকাশনার ৫৫ বছর

দৈনিক জন্মভূমি

পাঠকের চাহিদা পূরণের অঙ্গীকার

রেজি: কেএন ৭৫

প্রধান সম্পাদক: লে. কমান্ডার (অব.) রাশেদ ইকবাল

অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক: আলি আবরার

প্রকাশক: আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত

ইমেইল– janmokln@gmail.com           অনলাইন নিউজরুম-০১৬১১৬৮৮০৬৪        রফিকুজ্জামান বার্তা কক্ষ ০৪১-৭২৪৩২৪

Developed By Proxima Infotech and Ali Abrar

Removed from reading list

Undo
Welcome Back!

Sign in to your account

Lost your password?