
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সাতক্ষীরাজুড়ে তৈরি হয়েছে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও নীরব উত্তেজনা। সারা বছর পত্র-পত্রিকায় টেলিভিশনের টকশই বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রকাশ হয়েছে সাতক্ষীরা জামাতের দুর্গ। আর এই জামাতের দুর্গে আঘাত আনতে চাই বিএনপি। তবে বিএনপি'র একথা আমলে নেয়নি জায়ামাতে ইসলামের নেতাকর্মী সমর্থকরা। তাদের দাবি ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে সাতক্ষীরায় চারটি আসন জামায়াতের অনুকূলে থাকবে। কিন্তু গত কয়েকদিন দেখা যাচ্ছে সাতক্ষীরায় কিছু কিছু সাধারণ ভোটারদের মাঝে গুজন তৈরি হয়েছে। তার মধ্য একদিকে তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং তার গঠনমূলক বক্তব্য আস্থা আনতে পারে অনেকের মনে। দ্বিতীয়তঃ বিএনপির চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারা দেশের মানুষ দল-মত ভুলে গিয়ে তার জন্য দোয়া করেছেন এবং তার মৃত্যুতে শোক পালন করেছেন। অনেকের ধারণা সে কারণেও সাতক্ষীরা বিএনপির চারটি আসনে প্রার্থীরা ভোটের রেজাল্ট ভালো করতে পারে। তবে এ কথা মানতে নারাজ জামায়াত তাদের নেতাকর্মীদের একটাই কথা আওয়ামী লীগ যদি নির্বাচনে না আসে সেই ক্ষেত্রে সাতক্ষীরা চারটি আসা নয় জামায়াতের দখলে থাকবে এর কোন ব্যতিক্রম ঘটবে না । এই প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট মোড়ে ভ্যানচালক আরিফের সাথে তার বাড়ি আশাশুনি উপজেলার বরদল বাজারে তিনি সাতক্ষীরা শহরে দুই সন্তান আসমা, মিয়া রাজ ও স্ত্রী রেকসানা খাতুনকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থেকে ভ্যান চালিয়ে সংসার নির্ভর করে তার কাছে নির্বাচনের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন ভাই মুখ দিয়ে কিছু বলা যাবে না অসুবিধা আছে সময় মত ব্যালেট হাতে পেলে ভোট দিয়ে দেব। কথা হয় সাতক্ষীরা জজকটে দেওয়ানী মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়া কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের শামসুর রহমানের সাথে ভোটের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন ভাই এখনো মানুষ ভোট কিসে দেবে মনস্ত করতে পারেনি সকালে উঠে শুনি ভোট সব জামায়াতে বিকালে আবার শুনী তারেক রহমান দেশে আসায় এবং খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত কারণে ভোট সব চলে যাচ্ছে বিএনপির দিকে। কিন্তু তিনি সর্বশেষ কথা বলেন সাতক্ষীরা জেলা মূলত জামায়াত ও আওয়ামী লীগের জেলা দেশ স্বাধীনের পথ থেকে এই দুই দলেই পাল্টাপাল্টি রাজত্ব করছে। তবে এবার আওয়ামী লীগ মাঠে নেই সে কারণে আওয়ামী লীগের ভোটাররা যেদিকে গড়াবে সেদিকেই বিজয় নিশ্চিত হবে বলে তিনি মনে করেন। কথা হয় সাতক্ষীরা বড় বাজারের অ্যালুমিনিয়াম ব্যবসায়ী রাজিবের সাথে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন ভোট এখন টালমাটাল করছে সাতক্ষীরায় যেদিকের পাল্লা ভারী দেখি সময় মতো সেদিকেই ভোট দিয়ে দেব নষ্ট হবে না ভোট। কথা হয় সর্বশেষ সাতক্ষীরা ৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিনের সাথে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন এবার মানুষ বুঝতে শিখেছে কোন কাজ হবে না সাতক্ষীরার চারটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয় হবে এটা নিশ্চিত। পরে কথা হয় সাতক্ষীরা ৪ আসনের জামায়াতে ইসলামের মনোনীত প্রার্থী একাধিকবারের প্রাক্তন সংসদ সদস্য কাজী নজরুল ইসলামের সাথে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান সাধারণ ভোটাররা এবার দাঁড়িপাল্লার প্রতীকের দিকে ঝুঁকেছে। তিনি আরো বলেন মানুষের যে উল্লাস দেখা যাচ্ছে তাতে ধেয়ে আসছে জামায়াতে ইসলামের বিজয় সাতক্ষীরা চারটি আসনেই ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থীরা বিজয় হবে এখানে ভোটারদের কোন বিকল্প ভাবনা নেই। সাতক্ষীরা ৪ আসনে গাজী নজরুল ইসলাম কত ভোটের ব্যবধানে জিতে আসতে পারবেন এমন প্রশ্নের জবাবে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন লক্ষ্যর অধিক ভোটের ব্যবধানে সাতক্ষীরা ৪ আসনে আমি বিজয় হব জনগণের ভোটে। তবে এমন কথা প্রত্যাখ্যান করেছেন সাতক্ষীরা ৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডক্টর মনিরুজ্জামান তিনি তার বক্তব্যে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন একাত্তরের পর থেকে সাতক্ষীরা ৪ আসনে যা ঘটেছে এবার তার ব্যতিক্রমটা ঘটবে কারণ সাধারণ মানুষ ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটের দিন অথবা ব্যালাটের অপেক্ষায় বসে আছে। ডক্টর মনিরুজ্জামান এর ধারণা তিনিও লক্ষর অধিক ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে বিএনপি এবং তারেক রহমানকে এই বিজয় উপহার দেবেন। কথা হয় সাতক্ষীরা ২ আসন সদর এর বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রউফের সাথে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন বিপুল ভোটের ব্যবধানে এবার সাতক্ষীরা ২ আসনে ধানের শেষ প্রতীকে আমরা বিজয়ী হব। কিন্তু সাতক্ষীরা ২ আসন যে আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত ও জাতীয় পার্টির ঘাঁটি এমন প্রশ্নের জবাবে মিস্টার আব্দুর রউফ বলেন এবছরের নির্বাচনে সাধারণ ভোটাররা ওই সমস্ত ধোঁকাবাজি বুঝতে পেরেছে তারা সবকিছু বুঝে সুজে এবার ফিরে এসেছে ধানের শেষের দিকে। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা২ সদর আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আব্দুল খালেক এর সাথে কথা হলে তিনি এই প্রতিপাদককে বলেন সাধারণ মানুষ যেভাবে সাড়া দিয়েছে সে ক্ষেত্রে সাতক্ষীরা দুই সদর আসন থেকে আমরা লক্ষর অধিক ভোটের ব্যবধানে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয় করে কেন্দ্রে রেখে উপহার দেব এতে কোন ব্যতিক্রম ঘটবে না। তিনি আরো বলেন সাতক্ষীরার মানুষ দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার জন্য শুধু দিন গুনছে কবে আসবে ভোটের দিন কবে আসবে ১২ ই ফেব্রুয়ারি সেদিন তারা ভোট দিয়ে দেখিয়ে দেবে জামায়াতে ইসলামের কত ভোট আছে। কথা হয় সাতক্ষীরা ১ আসনের বিএনপি'র মনোনীত প্রার্থী বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর ইসলাম হাবিবের সাথে। ভোটের ব্যাপারে জানতে চাইলে হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন ইয়া আসন থেকে আমি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয় হব এটা অনেক আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছি জনগণের মনের আশা দেখে। তবে একথা মানতে রাজি না সাতক্ষীরায় ১ আসনের জামায়তে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ইজ্জতুল্লাহ তিনি তার বক্তব্যে বলেন এবার সাতক্ষীরায় ১আসনে জনগণ ব্যাপক ভোটের ব্যবধান ঘটাবে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে আমাকে বিজয় করবে বলে এমন প্রত্যাশায় আমার ভিতরে ঢুকে গেছে জনগণ কি বলতে চায় কিসে ভোট দিতে চায়। তিনি আরো বলেন সাতক্ষীরা ১ আসনে সাধারণ ভোটাররা দাড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার জন্য আজ আঠারো মাস ভোটের দিন গুনছে কবে আসবে ১২ ফেব্রুয়ারি জবাব দেবে সেদিন ভোট দিয়ে। মুঠো ওখানে কথা হয় সাতক্ষীরা ৩ আসনের জামায়াতে ইসলামের মনোনীত প্রার্থী মুহাদিদশ খাইরুল বাশারের সাথে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন সাতক্ষীরা ৩ আসনের জনগণ এবার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দিকে ভোট দেওয়ার জন্য পাগল হয়ে গেছে। সে কারণে কোন কায়দায় কোন প্রতীকের কাছে হার মানবে না সাতক্ষীরা ৩ আসনের জনগণ তারা আমাকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত করবেন এটাই জনগণের মনের ভাব দেখে আমি প্রত্যাশা করছি এবং আমার প্রত্যাশাই আল্লাহতালা সঠিক এ রূপান্তরিত করে দিবে।
নির্বাচন কমিশন ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে, প্রার্থীরা কেউ কেউ শুরু করেছেন সীমিত প্রচারণা, কিন্তু মাঠপর্যায়ে ভোটের উৎসবের আমেজ এখনও অনুপস্থিত। সাধারণ মানুষ বলছেন, “ভোট হবে তো? হলে কেমন ভোট হবে?”
রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান, প্রার্থীদের সক্রিয়তা ও নির্বাচনী মাঠে সাধারণ জনগণের নীরবতা সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক অদৃশ্য অনিশ্চয়তার পরিবেশ।
গ্রাম থেকে শহর-চায়ের দোকান, বাজার কিংবা অফিসপাড়া সর্বত্রই চলছে ভোট নিয়ে গুঞ্জন ও কৌতূহল। অনেকে বলছেন, “আগের মতো তো কিছুই হচ্ছে না।” আবার কেউ কেউ মনে করছেন, “নির্বাচন হোক, কিন্তু সেটা যেন হয় অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ।”
জনগণের এই প্রত্যাশা যেন একটাই-ভোট হোক সবার, ভয় নয়; গণতন্ত্র ফিরুক আস্থায়, প্রতিযোগিতায় আর মানুষের ভোটাধিকারেই ফুটুক দেশের ভবিষ্যৎ।
শহরের কাটিয়া এলাকার ব্যবসায়ী রেজাউল করিম মিঠুন বলেন, “আগের নির্বাচনে অন্তত কিছু তোড়জোড় ছিল, এবার সেই আমেজই নেই। মানুষ ভোট নিয়ে কথা বলতে ভয় পায়, আবার অনেকে আগ্রহও হারিয়ে ফেলেছে।”
কলেজছাত্রী সুমী আক্তার বলেন, “আমরা প্রথমবার ভোট দিতে পারবো, কিন্তু সবাই বলছে ভোটে নাকি কিছুই হয় না। তবুও আশা করি, সুষ্ঠু ভোট হলে আমরাও গর্ব করে ভোট দিতে পারবো।”
শ্যামনগর থেকে আসা কৃষক আব্দুল গফ্ফার গাজী বলেন, “আমরা মাঠে কাজ করি, খবর তেমন পাই না। কেউ বলে ভোট হবে, কেউ বলে হবে না। কিন্তু আমরা চাই শান্তিতে ভোট দিতে, যাকে ভালো লাগে তাকেই ভোট দিতে।”
প্রভাষক সিরাজুল ইসলাম মনে করেন, ভোটের মাঠে মানুষের আস্থা ফেরানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, “মানুষের মনে ভয় আছে, আগের মতো নিরাপত্তা থাকবে তো? ভোট দিতে গিয়ে কোনো বিপদে পড়তে হবে না তো? এই আশঙ্কা দূর না হলে ভোটের প্রতি আগ্রহ কমবেই।”
তরুণ উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, “ভোট মানে এখন অনেকে মনে করে আনুষ্ঠানিকতা। তবে আমি বিশ্বাস করি, যদি প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকে এবং সব দল অংশ নেয়, তাহলে মানুষ আবার ভোটে ফিরবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সাতক্ষীরার মতো রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জেলায় ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি করা অত্যন্ত জরুরি। তারা মনে করেন, সাধারণ মানুষ এখন অপেক্ষায় আছে সব দলের অংশগ্রহণে একটা প্রতিযোগিতামূলক, নির্ভেজাল নির্বাচন দেখার জন্য।
নির্বাচন কমিশনের স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোট আয়োজনের সব প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে মাঠপর্যায়ে ভোটারদের উদাসীনতা এখনো কাটেনি।
অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন খন্দকার বলেন, “ভোট মানে জনগণের অধিকার, কিন্তু সেই অধিকার নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে। সবাই চায় নির্বাচন হোক, তবে সেটা যেন বিশ্বাসযোগ্য হয়।”
সাতক্ষীরার বিভিন্ন বাজার, চায়ের স্টল, রাজনৈতিক আড্ডা সব জায়গায় এখন আলোচনা একটাইÑএবার ভোট কেমন হবে?
সাধারণ মানুষ বলছেন, তারা সংঘাত নয়, চায় শান্তিপূর্ণ ভোট। কেউ চায় না রক্তপাত বা সহিংসতা। সবাই চায় একটাই জিনিস নিজের ভোটের অধিকার প্রয়োগের সুযোগ।
সাতক্ষীরার প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। সংরক্ষিত ভোটকেন্দ্র, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও অতীতের সংঘাতপ্রবণ অঞ্চলগুলোতে মোতায়েন করা হবে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি সদস্য।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিসেস আফরোজা আক্তার এই প্রতিবেদককে বলেন, “আমরা চাই, ভোট যেন উৎসবমূখর হয়, আতঙ্ক নয়। প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছে, যাতে জনগণ নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে।”
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল এই প্রতিবেদককে বলেন, “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা ইতোমধ্যে আমাদের পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করেছি এবং কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সেদিকে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সর্বদা সচেষ্ট।”
ভোটারদের প্রত্যাশা, নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক, নিরপেক্ষ ও সবার জন্য নিরাপদ। তারা চায়, নির্বাচনী মাঠে ফিরে আসুক পুরনো সেই আমেজ যেখানে ভোট ছিল উৎসব, আর জনগণের সিদ্ধান্তই ছিল চূড়ান্ত কথা।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত