
সিরাজুল ইসলাম, শ্যামনগর: অধিক মুনাফা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব রুরাল অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (বরসা) নামের একটি এনজিওর কর্মকর্তারা গ্রাহকদের কয়েক শ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে কয়েক শ গ্রাহক বরসার মালিকাধীন একটি হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। এদিকে ইতিমধ্য বরসা এনজিও এর নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান সিবি হসপিটাল বিক্রি করেও গ্রাহকদের দেওয়া হয়নি এক পয়সা ।সে কারণে গ্রাহকরা বেশ কয়েক দিন আরও উত্তেজনা উৎকণ্ঠে রয়েছে। কারণ বরসা এনজিও র পরিচালক আনিসুর রহমান এর মৃত্যুর পর তার উত্তরাধিকারীরা পাওনাদারদের বলেছিলেন শিবি হসপিটাল ও বরসার অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বিক্রি করে পাওনাদারদের ঋণ পরিশোধ করা হবে কিন্তু মনে মনে বরসা এনজিওর পরিচালিত একটি বড় প্রতিষ্ঠান সিবি হসপিটাল বিক্রি করে দিয়েছে কিন্তু গ্রাহকদের এক পয়সাও দেওয়া হয়নি। শত শত কোটি টাকা পাবে গ্রাহকরা আনিসুর রহমানের উত্তরাধিকারীরা গ্রাহকদের কাছ থেকে এবং সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে বারবার সময় নিয়েও এক টাকাও পরিশোধ করেনি বরং দিনের পর দিন গ্রাহকদের আশ্বাস দিয়ে দিয়ে চলে আসছে হঠাৎ করে শিবি হসপিটাল ও চায়না বাংলা শপিং মহল বিক্রি করে দেওয়ায় এবং গ্রাহকদের এক টাকাও পরিষদ না করায় গ্রাহকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে সাথে সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরসার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) বরসা একটি ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান। ২০০৩ সালে বরসা সাতক্ষীরা জেলায় কার্যক্রম শুরু করে। সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা, আশাশুনি, কালীগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলায় তাদের সাতটি শাখা রয়েছে। এসব শাখায় গ্রাহকসংখ্যা সাড়ে ১৩ হাজার। গ্রাহকদের এসব শাখায় জমা রয়েছে প্রায় সোয়া১ ৪০০ কোটি টাকা।
তবে বরসার গ্রাহকদের দাবি, তাঁরা বরসার ওই সব শাখায় কেউ পাঁচ বছর আগে, আবার কেউ আট বছর আগে থেকে টাকা জমা রেখেছেন। পাঁচ বছরে টাকা দ্বিগুণ হবে—এই প্রলোভন দেখিয়ে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে বরসার মাঠকর্মীরা টাকা আনেন। একেকজনের কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে ৫০ লাখ সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত জমা নেওয়া হয়েছে। গ্রাহকেরা মুনাফাসহ বরসার ওই সাতটি শাখায় ৮০০ কোটি থেকে ১ হাজার কোটি টাকা পাবেন।
গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য বরসার নির্বাহী পরিচালক আশিকুর রহমানের মুঠোফোনে ফোন দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
আশাশুনি উপজেলার বদরতলা গ্রামের পম্পা রায় বলেন, তিনি মেয়ে বিয়ের দেওয়ার জন্য সাত বছর আগে চার লাখ টাকা বরসার বদরতলা শাখায় জমা দিয়েছিলেন। পাঁচ বছরে জমা দেওয়া টাকা দ্বিগুণ দেওয়া হবে বলে তাঁকে জানানো হয়। পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও টাকা না দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন বরসার কর্মকর্তারা।
কালীগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল গ্রামের ভারতি রানী বলেন, জমি বিক্রি করে পাঁচ লাখ পাঁচ বছরে দ্বিগুণ হবে বলে তিনি আট বছর আগে বরসায় জমা রেখেছিলেন। কিন্তু পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও আর টাকা না দিয়ে টালবাহানা শুরু করে বরসার লোকজন।
একই গ্রামের শ্রমিক হাসানুজ্জামান জানান, তিনি শ্রমিকের কাজ করে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জমিয়েছিলেন। সাত বছর আগে তিনি ওই টাকা টাকা বরসার কালীগঞ্জ শাখায় জমা রাখেন। পাঁচ বছর শেষ হওয়ার পরেও তিনি টাকা ফেরত পাননি।
টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সাতক্ষীরায় এনজিও বরসার মালিকানাধীন সিবি হাসপাতালে ভাঙচুর চালায় গ্রাহকেরা স্থানীয় লোকজন জানান, কয়েক শ গ্রাহক টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সাতক্ষীরা শহরের তালতলা এলাকায় সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে যান। সেখান থেকে বলা হয় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাওয়ার পথে সাতক্ষীরা-কালীগঞ্জ সড়কের পলাশপোল এলাকায় অবস্থিত বরসার মালিকানাধীন চায়না-বাংলা (সিবি) হাসপাতালে তাঁরা হামলা চালান। এই সময় তাঁরা ওই হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির দোকান এবং নিচতলায় ভাঙচুর চালান। মনের কষ্টে ও আবেগে পড়ে টাকার মায়ায় এই কর্মকান্ড করেন পাওনাদাররা।
শ্যামনগরের আসিকুর ৫৫ নজরুল ইসলাম ৬২ কেরামত আলী ৪৯ রাখাল মন্ডল ৪২ চন্দ্রকান্ত ৩৩ আনোয়ার হোসেন ৫৫ শওকত আলী ৩০ মোস্তাফিজুর ৪৫ চায়না খাতুন ৩০জামেলা বেগম ২৫ রহমত আলী ৪১ মোনাজাত আলী ৪০ আসাদুর রহমান ৩৩ প্রসাদ রঞ্জন ৫০ হুমায়ূন আহমেদ ৩০ জয়নাব বিবি ৩৫ কালাচাঁদ মন্ডল ৪৪ একরামুল হক ৩৫ তপন মন্ডল ৫০ হারাধার মন্ডল ৬৩ মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের নূর মোহাম্মদ ৫৫এনায়েত করিম ২৫ শামসুর রহমান ৫৫আব্দুল আজিজ ৬৩ বুড়ি গোয়ালিনী ইউনিয়নের রেজাউল করিম ৩৫ আমিনুর রহমান ৫৫জাহানারা ৪২ গণেশ মণ্ডল ৬৩ ভবেশ মন্ডল ৫৫ আরাফাত হোসেন ৪৩ মিজানুর রহমান ৫৫ আব্দুল জলিল ৬৩ মনয়ারা খাতুন ৫০ জবেদা খাতুন ৪৮ ফাতেমা খাতুন ৩৩ রোকেয়া খাতুন ৪৫ সকাত আলী ৫৩, আটুলিয়া ইউনিয়নের কামরুল ইসলাম ৫৩ রেজাউল করিম ৩৩শামসুন্নাহার ২৩ আনোয়ারা খাতুন ৪২লক্ষ্মী রানী ৪০মমতাজ বেগম৩৩ সাইরা খাতুন ২৫ গাবুরা ইউনিয়নের রহমতুল্লাহ ২৫ আব্দুল খালেক ৬৩ মোমিন গাজী ৩৫ আব্দুর রহিম ৩৫ করিম গাজী ৪০আতাউর রহমান ৩৩ খাদিজা বেগম৫৫ আয়েশা খাতুন ৩০ সরোয়ার হোসেন ৪৫ পদ্মাবুকুর ইউনিয়নের আলমগীর ৩৩ নুর হোসেন ৪২ মাকসুদা বেগম ৪২ জাহানারা বেগম ২৮ তাপস মন্ডল ৪৫ তপন মন্ডল ৩২ সাইমা খাতুন ৩৫আনারুল হক ৪২ তাজউদ্দিন ৩৫ কেরামত আলী ৪৪ মনসুর আলী ৫৫ হযরত আলী ৬৪ । এই প্রতিবেদকের আত্মীয় কাশিমাড়ি ইউনিয়নের আব্দুস সাত্তার গাজী ৬৫ সাহিদা খাতুন ৪৭ তাসলিমা খাতুন ৩৫ নীলিমা খাতুন ৫৫ নাসিমা খাতুন ৩২ গ্রাম,গোবিনদ,পুর শুধু এদের পাঁচজনের কাছ থেকেই হাতিয়ে নিয়েছে ৪০ লক্ষ টাকা বরসার গ্রাম্য ম্যানেজার তপন কুমার গায়েন তিনি বর্তমান তার গ্রামের বাড়ি কাশিমাড়ী ইউনিয়নের কাঠালবাড়িয়া গ্রামের বাড়িতে তালা লাগিয়ে সাতক্ষীরা শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে এই সমস্ত টাকা খরচ করছেন ভালো ভালো খাদ্য খাচ্ছেন আর মাস গেলে বাসা ভাড়া দিচ্ছেন এই পাঁচজন গ্রাহক ফোন দিলে তপন গাইন বলেন অতি শীঘ্রই মালিকপক্ষ টাকা দিলে বাড়িতে ফিরে এসে আপনাদের টাকা পরিশোধ করব ।কিন্তু প্রায় এক বছর ওই গ্রাম্য ম্যানেজার তপন কুমার গায়েন তার ব্যবহৃত সিমটি পরিবর্তন করায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।এছাড়া শ্যামনগর উপজেলার অসংখ্য ব্যক্তিরা এই প্রতিবেদককে জানান অধিক লাভের আশায় বরসার এনজিও তে টাকা রেখেছিল কিন্তু এনজিওর মালিক আনিসুর রহমান মরার পরে তার বাড়িতে আমরা একাধিকবার গিয়েছিলাম তার স্ত্রী বারবার আমাদের কাছ থেকে সময় চেয়ে নিয়েছে আনিসুর রহমানের রেখে যাওয়া সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা পরিশোধ করবে কিন্তু বর্তমান আনিসুর রহমানের স্ত্রী সাপ জানিয়ে দিয়েছে আমি মহিলা মানুষ আমার পক্ষে এত টাকা পরিশোধ করা সম্ভব না আপনাদের যা করার আছে সেটাই করেন। আনিসুর রহমানের স্ত্রীর মুখ থেকে একথা শুনে পাওনাদাররা তার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা করার চেষ্টা চালায় বলে একাধিক সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার কাঠালবাড়ীয়া গ্রামের বরসার কর্মী তপন গায়েনের নেতৃত্বে প্রায় বিশ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এলাকা থেকে তপন গায়েন এখন বাড়িঘর ছেড়ে সাতক্ষীরা বাসা ভাড়া নিয়ে পরিবার পরিজনের সাথে বসবাস করছে অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে তপন সাতক্ষীরায় তার শ্বশুরবাড়িতে থাকেন আর পাওনাদাররা দিনের পর দিন তার খোঁজ নিচ্ছেন কিন্তু তপনের ব্যবহারিত ফোনটি বন্ধ রয়েছে সাতক্ষীরায় কোথায় আছেন সে খবরও শ্যামনগর কাউকে জানায় না এবং পাওনাদাররা কেউ খোঁজ বলতে পারেনা বর্তমান তপনের গ্রামের বাড়িতে তালাবদ্ধ আছে। এদিকে বর্ষার শ্যামনগরের কর্মী তপন গাইনের মাধ্যমে ২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ এর বিষয়টি তৎকালীন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রনি খাতুন ও জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদকে বিশেষভাবে অবিহিত করা হয়েছে এই প্রতিবেদকের মাধ্যমে কারণ শ্যামনগরের মানুষ উপকূলীয় মানুষ বিভিন্ন ঝুঁকি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে টিকে আছে ।তারা জমা জমি বিক্রি করে অধিক লাভের আশায় তপন গাইনের মাধ্যমে টাকা রেখেছিল বরসা এনজিও তে তাদের সম্পূর্ণ স্বপ্ন বিনষ্ট করে পথে বসিয়েছে বরসার এনজিও কর্মী তপন গায়েন। শ্যামনগরের মানুষের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ এর বিষয়টি তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ মহোদয় ব্যক্তিগতভাবে আমলে নিয়েছিলেন এবং অতিদ্রুত শ্যামনগরের হতদরিদ্র মানুষের টাকা পরিষদের জন্য বরসার স্বত্বাধিকারী মৃত আনিসুর রহমানের উত্তরাধিকারীদের চাপ প্রয়োগ করবেন এবং অতি দ্রুতই শ্যামনগরের মানুষের টাকা পরিষদের কার্যকারী ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য
হামলা চালানোর খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। এই সমস্যা সমাধানে পরে সেনাসদস্যরা সিবি হাসাতাল ও বরসার নির্বাহী পরিচালক আশিকুর রহমান ও কয়েকজন গ্রাহককে নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান।
এ বিষয়ে তৎকালীন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোস্তাক আহমেদ জানান, গ্রাহকদের পাওনা টাকার বিষয়টি নিয়ে প্রায় ৮ মাস আগে তাঁর (জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে) সভা হয়। এতে সেনাবাহিনীর ক্যাম্পের কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার, সিবি হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক আশিকুর রহমান ও কয়েকজন গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন। সভায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে বরসার যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তা বিক্রি করে গ্রাহকের টাকা পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত হয়। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সাতক্ষীরার সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক সন্তোষ কুমার নাথকে প্রধান করে ১১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। বরসার নিয়ন্ত্রিত সিবি হসপিটাল ও চায়না বাংলা শপিং মহলটি বিক্রয়ের বিষয় তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদকে এই প্রতিবেদক অবিহিত করেন জবাবে জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ বলেন বিষয়টি আমি জেনেছি শুনেছি অতি দ্রুতই কর্তৃপক্ষকে আবার ডাকা হবে এবং গ্রাহকদের টাকা পরিষদের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হবে। কোন মতেই আর দীর্ঘ সময় দেওয়া হবে না সিবি হসপিটাল ও চায়না বাংলা শপিং মহল বিক্রি করে সে টাকাও কি করেছে সেটাও জানা হবে। এমাতো অবস্থাতেই তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ বদলিজনিত কারণে সাতক্ষীরা ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে বর্তমান সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আফরোজা আক্তারের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের তিনি বলেন বিষয়টি আমি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করার পর থেকে বিভিন্ন গ্রাহকরা জনপ্রতিনিধিরা ও বিভিন্ন মহল থেকে ফোন আর ফোন আসে বরসা এনজিওর কাছে সাতক্ষীরা জেলার মানুষ নাকি হাজার কোটির উর্ধ্বে টাকা পাবে এরই প্রেক্ষিতে আমি বরসা পরিবারের অর্থাৎ বরসা এনজিওর প্রয়াত স্বত্বাধিকারী আনিসুর রহিম এর স্ত্রী ও সন্তানদের ডেকে বলেছি গ্রাহকদের টাকা অবিলম্বে ফেরত দিতে তা না হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।তার পরেও শুনছি বরসা এনজিও নিয়ন্ত্রিত সিবি হাসপাতাল চায়না বাংলা শপিং মহল তারা নাকি চুরি করে বিক্রি করে দিয়েছে ।তারপরে শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জের রিসোর্স সেন্টার বিক্রয় করার জন্য ভিতরে ভিতরে খরিদ্দার দেখছে। সেখানেও আমি খোঁজ নিয়েছি বর্তমান সেখানকার কর্তৃপক্ষ যারা আছেন তারা বলতে চেয়েছেন বরসার এখানে কোন আর শর্তঅধিকারী নাই ।বিষয়টি নিয়ে আমি জরুরী একটা মিটিং করে কঠোর সিদ্ধান্তে যাবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং গ্রাহক যারা যোগাযোগ করছেন তাদেরকেও এই কথা বলে দিয়েছি। এছাড়া তিনি আরো বলেন বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে মন্ত্রীমহাদের সাথে কথা বলে যদি ব্যবস্থা নিতে হয় তাও একটা রাত দিন সাতক্ষীরা থাকে আমি করে যাব পাওনাদারদের।
অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক- আলি আবরার , প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত