By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
খবর সার্চ

প্রকাশনার ৫৫ বছর

দৈনিক জন্মভূমি

NEWSPORTAL

  • মূলপাতা
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • জেলার খবর
    • খুলনা
    • চুয়াডাঙ্গা
    • বাগেরহাট
    • মাগুরা
    • যশোর
    • সাতক্ষীরা
  • ফিচার
  • আজকের ই-পেপার
  • সকল ই-পেপার
Reading: সুন্দরবনে বাঘ-হরিণ শিকার রোধে বসানো ক্যামেরা ভাঙল লুটপাট করল দুর্বৃত্তরা
Share
দৈনিক জন্মভূমিদৈনিক জন্মভূমি
Aa
  • মূলপাতা
  • জাতীয়
  • খুলনা
  • জেলার খবর
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • সম্পাদকীয়
  • ALL E-Paper
অনুসন্ধান করুন
  • জাতীয়
  • জেলার খবর
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • ই-পেপার
Have an existing account? Sign In
Follow US
প্রধান সম্পাদক মনিরুল হুদা, প্রকাশক আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত
দৈনিক জন্মভূমি > জেলার খবর > সাতক্ষীরা > সুন্দরবনে বাঘ-হরিণ শিকার রোধে বসানো ক্যামেরা ভাঙল লুটপাট করল দুর্বৃত্তরা
শীর্ষ খবর/ তাজা খবরসাতক্ষীরা

সুন্দরবনে বাঘ-হরিণ শিকার রোধে বসানো ক্যামেরা ভাঙল লুটপাট করল দুর্বৃত্তরা

Last updated: 2025/11/29 at 4:06 PM
জন্মভূমি ডেস্ক 3 months ago
Share
SHARE

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ‌: সুন্দরবনে বাঘ ও হরিণ শিকার ঠেকাতে সাতক্ষীরা ও খুলনা রেঞ্জে স্থাপন করা নজরদারি একটি ক্যামেরা ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
গত মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সুন্দরবনে অপরাধপ্রবণ ২৪টি স্থান শনাক্ত করে ক্যামেরা ট্র্যাপ বসানো হয়। এর মধ্যে সাতক্ষীরার নোটাবেঁকিতে স্থাপন করা দুটি ক্যামেরার একটি ভাঙচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বন বিভাগ।
বন বিভাগের সূত্র জানায়, পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা ও খুলনা রেঞ্জে বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় ২৪টি স্থানে মোট ২৪টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। অরণ্যক ফাউন্ডেশনের সহায়তায় বিভিন্ন ক্যাম্প ও স্টেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকার গাছে এসব ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। সাতক্ষীরা রেঞ্জে কোবাদক ও পুষ্পকাটিতে দুটি করে এবং দোবেকিতে ছয়টি—মোট ১০টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। খুলনা রেঞ্জের বিভিন্ন ক্যাম্প ও স্টেশনের আওতায় স্থাপন করা হয়েছে বাকি ১৪টি ক্যামেরা। সাতক্ষীরা রেঞ্জের বনভূমির আয়তন ১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৩১ হেক্টর। বুড়িগোয়ালিনী, কোবাদক, কৈখালি ও কদমতলা—এই চারটি স্টেশনের অধীনে রয়েছে ১০টি প্যাট্রোল ক্যাম্প।
নির্দিষ্ট মৌসুমে সুন্দরবনে মাছ, কাঁকড়া ও মধু আহরণের অনুমতি দেওয়া হলেও অনেক জেলে সেই সুযোগে বনের গভীরে প্রবেশ করেন। কেউ অনুমতি নিয়ে, কেউ আবার অনুমতি ছাড়াই মাছ-কাঁকড়া ধরার নামে ঢুকে বন্য প্রাণী, বিশেষ করে হরিণ শিকার করেন। কারা কোন পথ দিয়ে সুন্দরবনের ভেতরে প্রবেশ করছেন, তা চিহ্নিত করতে এসব গোপন ক্যামেরা বসানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
সাতক্ষীরা রেঞ্জ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত ৯১১টি হরিণের ফাঁদ ও ৪৫ কেজি হরিণের মাংস জব্দ করা হয়েছে। রেঞ্জ কর্মকর্তা ফজলুল হক বলেন, সাতক্ষীরা রেঞ্জের চারটি স্টেশনের অন্তর্গত বহু এলাকা খুবই দুর্গম। যৌথ অভিযান ছাড়া শিকারি ও বনদস্যুর তৎপরতা পুরোপুরি দমন করা সম্ভব হচ্ছে না। এসব কারণে হরিণ ও বাঘ শিকার ঠেকাতে ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের ওপর গুরুত্ব বাড়ানো হয়েছে।
ফজলুল হক আরও বলেন, নোটাবেঁকিতে বসানো ক্যামেরা দুটির মধ্যে থেকে একটি নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে দুর্বৃত্তরা ভেঙে দিয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দুই মাস পর পর ক্যামেরার ধারণ করা ছবি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোংলার সুন্দরবনসংলগ্ন পশুর নদের তীরের কানাইনগর এলাকা। চারদিকে নোনা হাওয়া আর নদীর গন্ধে ভরা নীরবতা। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে সেই নীরবতা ভাঙে কোস্ট গার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে স্থানীয় একটি ঝুপড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় ৩২ কেজি হরিণের মাংস, দুটি মাথা, আটটি পা ও আড়াই হাজার মিটার লম্বা ফাঁদ। ঘটনাস্থল থেকেই একজন শিকারিকে আটক করা হয়।
সুন্দরবনের বিভিন্ন টহলফাঁড়ি এলাকায় টানা অভিযান চলছে। গত তিন দিনে উদ্ধার করা হয়েছে ৯ হাজার ৪১০ ফুট ফাঁদ।
এ বিষয়ে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম–উল–হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক শিকারির সঙ্গে উদ্ধার হয়েছে সুন্দরবনের বন্য প্রাণী শিকারের নানা আলামত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলবে।’
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার বন বিভাগের চরপুটিয়া টহলফাঁড়ির বনরক্ষীদের টহলে গহিন জঙ্গলের চরের খাল এলাকা থেকে উদ্ধার হয় ৮০০ ফুট লম্বা হরিণ শিকারের পেতে রাখা ফাঁদ। একই দিনে হুলার ভারানী ও সূর্যমুখী খালসংলগ্ন বনাঞ্চলে হেঁটে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় আরও ১৩৫ ফুট লম্বা ফাঁদ।
এর আগের দিন মঙ্গলবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চরপুটিয়া ফাঁড়ির টহলে উদ্ধার হয় আরও দুটি ফাঁদএকটি ৫০০ ফুট লম্বা, আরেকটি বস্তায় ভরা অবস্থায়। একই দিনে শেলার চর এলাকার ভাঙ্গার খাল থেকে উদ্ধার করা হয় ৩০০ ফুট লম্বা ফাঁদ।
হরিণ লাজুক প্রাণী, দূর থেকে মানুষের শব্দ পেলেই ঘন বনে লুকোবার চেষ্টা করে তারা। তবু সুন্দরবন ঘুরতে যাওয়া পর্যটকরা এখন নিয়মিতই হরিণের দেখা পাচ্ছেন। বনের বাঁকে বাঁকে, খাল বা নদীর ধারে হরহামেশা চোখে পড়ছে দলবেঁধে হরিণের চলাফেরার দৃশ্য।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এই ম্যানগ্রোভ ফরেস্টের দর্শনার্থী এবং বনসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বনে হরিণের সংখ্যা বেড়েছে। বেশ কিছু পর্যটন স্পটে বা বন বিভাগের কার্যালয়ে দিনরাত সব সময়ই বন্য হরিণের দলকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়।
তবে হরিণের উপস্থিতি বেড়েছে বলে ভাবার কারণ নেই যে, সুন্দরবনের চোরাশিকারীদের হরিণ শিকার বন্ধ হয়ে গেছে। বরং শীত শুরু হওয়ার পর থেকে শিকারিদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে।
সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, গরু ও খাসির মাংসের তুলনায় হরিণের মাংসের দাম কম হওয়ায় এলাকায় এই বন্যপ্রাণীর মাংসের চাহিদা বাড়ছে। এ সুযোগে বেপরোয়া হয়ে উঠছে চোরাশিকারির চক্র।
সম্প্রতি বনের আশপাশে বিভিন্ন এলাকা থেকে হরিণের মাংস-চামড়াসহ আটক হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
খুলনার সুন্দরবন অ্যাকাডেমির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির বলেন, “যে পরিমাণ হরিণের মাংস ও চামড়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়, তার থেকে কয়েকগুণ বেশি পরিমাণ হরিণ শিকার করা হয়।”
খুলনা অঞ্চলের প্রধান বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো অবশ্য বলছেন, “বিচ্ছিন্ন কিছু শিকারের ঘটনা ঘটলেও সেটা আগের চেয়ে তুলনামূলক অনেক কম।”
তিনি বলেন, “কয়েক বছরে বনের জীববৈচিত্র্যে পরিবর্তন এসেছে। এখন সুন্দরবনে গেলেই হরিণ দেখা যাচ্ছে, যা আগে ছিল না। হরিণের সঙ্গে বাঘও দেখতে পাচ্ছেন সুন্দরবন দর্শনার্থীরা।”
সুন্দরবনে মূলত মায়া ও চিত্রা নামের দুই প্রজাতির হরিণের দেখা যায়। এরমধ্যে চিত্রা হরিণের সংখ্যাই বেশি।
২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর দ্য কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) জরিপের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনে এক লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪টি হরিণ রয়েছে। এর আগে ২০০৪ সালে হরিণের সংখ্যা ছিল ৮৩ হাজারটি। সেই হিসেবে ১৯ বছরে সুন্দরবনে হরিণ বেড়েছে ৫৩ হাজার ৬০৪টি।
হরিণের সংখ্যা বাড়ার কারণ হিসেবে মিহির কুমার দো বলেন, বনে সারা বছরই দস্যুরা এবং বছরের শেষের দিকে দুবলারচরে রাসমেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ আসত। ওই সময় বিপুল পরিমাণ হরিণ শিকার করা হত। অল্প লোকবল দিয়ে এত মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব হত না।
“এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বন বিভাগের নিয়মিত টহল এবং বনে দস্যু কমার পাশাপাশি রাসমেলা বন্ধ হওয়ার কারণে হরিণ শিকার আগের তুলনায় অনেকাংশে কমেছে।”
তিনি বলেন, শিকারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কারণেই মাংসসহ হরিণ শিকারি ধরা পড়ছে। সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী রক্ষায় অপরাধে জড়িতদের তথ্য প্রদানকারীকে সরকার পুরস্কার দেয়। ফলে এখন চোরাশিকারিদের ব্যাপারে সাধারণ মানুষ তথ্য দিতে উৎসাহিত হচ্ছে।
হরিণের ক্ষেত্রে বনের ভেতরে অপরাধ উদঘাটনের তথ্য দিলে ২০ হাজার টাকা এবং বনের বাইরে ১০ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া আছে।
খুলনার সর্বদক্ষিণের সমুদ্র উপকূলবর্তী উপজেলা কয়রা। তিন দিকে কপোতাক্ষ, কয়রা এবং শাকবাড়িয়া নদীতে ঘেরা উপজেলাটির সাতটি ইউনিয়নই সুন্দরবনের সীমানায় অবস্থিত। উপজেলার গ্রামগুলোতে বেশিরভাগই শ্রমজীবী মানুষের বসবাস আর প্রতিটি পরিবারের কেউ না কেউ সুন্দরবনকেন্দ্রিক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
এ উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উপজেলার ৩০টির বেশি চোরাশিকারি চক্র নির্বিচারে সুন্দরবনের হরিণ নিধন করছে। এর মধ্যে দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের আংটিহারা ও জোড়শিং এলাকায় হরিণ শিকারি চক্রের আধিপত্য বেশি। আর হরিণ পাচারের নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে বজবজা ও খাসিটানা বন টহল ফাঁড়ি এলাকা।
এ ছাড়া মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের নয়ানি, হড্ডা, বানিয়াখালী, শেখেরকোনা ও তেঁতুলতলার চর; কয়রা সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর, ৫ নম্বর ও ৬ নম্বর কয়রা; উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের পাথরখালী, কাটকাটা; মহারাজপুর ইউনিয়নের পূর্ব মঠবাড়ি, মঠেরকোনা গ্রাম হরিণশিকারি চক্রের তৎপরতা রয়েছে।
উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের বাসিন্দা হাবি সরদার বলেন, একটি ছোট নদী পেরোলেই সুন্দরবনের গহিন জঙ্গল। শিকারিরা গোপনে সুন্দরবনে ঢুকে নাইলনের দড়ির ফাঁদ পেতে রাখেন। চলাচলের সময় হরিণ সেই ফাঁদে আটকে যায়। তারপর বনরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে হরিণের মাংস বিক্রি করা হয়।
সুন্দরবন সংলগ্ন খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় সংবাদকর্মী মো. আবুল বাশার বলেন, রামনগর, বানীশান্তা, সুতারখালী ও কালাবগি গ্রামের চিহ্নিত হরিণ শিকারিরা বেপরোয়া হয়ে নিয়মিত হরিণ শিকার করেই চলছে। নদীর জোয়ারে রাতে এবং দিনে ২০ থেকে ২৫ জন দলবদ্ধভাবে সুন্দরবনে প্রবেশ করে হরিণ শিকার করছে।
এ ছাড়া মোংলার চিলা, জয়মনি, বৈদ্যমারী, কাটাখাল কুল, বাঁশতলা, কাটাখালী; মোরেলগঞ্জের জিউধরা, গুলিশাখালী, সন্ন্যাসী; শরণখোলার ধানসাগর, তাফালবাড়ী, সোনাতলা, পানিরঘাট, রাজাপুর, রসুলপুর, চালিতাবুনিয়া,; সাতক্ষীরার শ্যামনগরের বেশ কিছু গ্রামে হরিণ শিকারিদের তৎপরতা রয়েছে।
৫০০-৬০০ টাকায় মেলে হরিণের মাংস
সুন্দরবন ঘেঁষা মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, স্থানীয় পদ্ধতিতে মাংস, চামড়া, মাথাসহ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংরক্ষণ করে পাচার করে চোরাশিকারিরা। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকে এজেন্ট-ব্যবসায়ীদের। এই এজেন্টদের মাধ্যমে কখনো অগ্রিম অর্ডার, আবার কখনো মাংস এনে তারপর বিক্রি করা হয়। এই চক্রের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে যায় হরিণের মাংস।
অবৈধ জেনেও হরিণের মাংস কেনেন অনেক মানুষ। সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় প্রতি কেজি হরিণের মাংস ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় পাওয়া যায়। তবে জেলা শহরে প্রতি কেজি হরিণের মাংসের দাম ১০০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত। আর জীবিত হরিণের দাম চাওয়া হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।
তারা জানান, ক্রেতারাও অনেক সময় প্রতারণা ভেবে হরিণ নিজ চোখে না দেখে মাংস কিনতে চান না। তাই চোরাশিকারিরা জীবন্ত হরিণ লোকালয়ে এনে জবাই করেন।
খুলনার সুন্দরবন অ্যাকাডেমির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির বলেন, “বন্যপ্রাণী শিকার নিষিদ্ধ হলেও আইন অমান্য করে সুন্দরবনের প্রধান আকর্ষণ চিত্রা হরিণ শিকার করছে কয়েকটি চক্র। সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবনে বাঘ হত্যা কিছুটা কমলেও একেবারে বন্ধ হয়নি। আর বাঘের প্রধান খাবার হরিণ শিকার হচ্ছে প্রায়ই।”
“মাঝেমধ্যে দুই একটি অভিযানে হরিণের মাংস, চামড়া, মাথা উদ্ধার হলেও মূল চোরাশিকারি ও পাচারকারীরা আটক হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে হরিণের মাংস বহনকারীরাই ধরা পড়ে। আর যারা আটক হন, তারা দুর্বল আইনের কারণে কয়েকদিন পর জেল থেকে ফিরে একই কাজে লিপ্ত হন।”
জানুয়ারির শেষ দিকে ১১ কেজি হরিণের মাংসসহ ছয় জনকে আটক করে কোস্ট গার্ড।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোংলা থেকে ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে মোংলার ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানান কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মুসফিক উস সালেহীন।
এর আগে ৩ জানুয়ারি কয়রা উপজেলার কালনা বাজার এলাকায় প্রায় ৩০ কেজি হরিণের মাংসসহ ইকবাল মোড়ল নামে এক তরুণকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় লোকজন।
২৩ বছর বয়সী ইকবাল পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের বাসিন্দা।
কয়রা থানার ওসি জি এম ইমদাদুল হক বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ইকবাল বলেছেন, কয়রার সুন্দরবন-সংলগ্ন এলাকা থেকে পূর্ব পরিচিত হরিণ শিকারি মনিরুল ইসলাম তাকে এ মাংস দিয়েছেন। ৩০ কেজি হরিণের মাংস নিতে মনিরুলকে ২ হাজার ৪০০ টাকা দিয়েছেন ইকবাল।
সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবনে হরিণ শিকারিদের দৌরাত্ম্যের বিষয়ে বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো বলেন, মূলত শুষ্ক মৌসুমে সুন্দরবনের ভেতরে খাল ও নদীতে পানি শুকিয়ে যাওয়ায় হরিণের বিচরণ বেড়ে যায়। যে কারণে চোরাশিকারিরা এ সময় তৎপর হয়।
“তবে বিচ্ছিন্ন কিছু শিকারের ঘটনা ঘটলেও সেটা আগের চেয়ে তুলনামূলক অনেক কম। অল্প জনবল দিয়ে এত বড় বনে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেতে হয় বনবিভাগের।”
সুন্দরবনে উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে হরিণ শিকার। বনের আশপাশ এলাকার শিকারিরা বেপরোয়া হয়ে নিয়মিত হরিণ শিকার করে মাংস বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৈষম্যবিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। এতে দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাজে বিঘ্ন ঘটেছে। এ সুযোগে শিকারিরা হরিণ নিধনে মেতে উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবন সংলগ্ন খুলনার দাকোপ উপজেলার রামনগর, বানীশান্তা, সুতারখালী ও কালাবগি গ্রামের চিহ্নিত হরিণ শিকারিরা বেপরোয়া হয়ে নিয়মিত হরিণ শিকার করেই চলছে। নদীর জোয়ারে রাতে এবং দিনে ২০ থেকে ২৫ জন দলবদ্ধভাবে সুন্দরবনে প্রবেশ করে হরিণ শিকার করছে।
হরিণ শিকারে ব্যবহার করা হচ্ছে নিজেদের তৈরি দড়ির ফাঁদ। বর্ষা মৌসুমে প্রত্যন্ত অঞ্চল সুতারখালী ও কালাবগি গ্রামের মাটির রাস্তা কাদা হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি না থাকায় শিকারিসহ তাদের স্বজনদের ঘরে ঘরে অবাধে রান্না হচ্ছে হরিণের মাংস।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন জেলে জানান, হরিণ শিকার আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে। বনে ফাঁদ পেতে শিকার করা হরিণের মাংস বিক্রি করছে শিকারিরা।
জেলেরা বলছেন, শিকারিদের বিরুদ্ধে কথা বললে তাদের হুমকি দেওয়া হয়। এ ছাড়া বর্তমানে দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা না থাকায় গত ৮ থেকে ১০ দিনে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে শিকারিরা। যেসব শিকারিরা বনে যাচ্ছে তাদের দলের অনেকের নামে আগে থেকেই হরিণ শিকারের মামলা রয়েছে।
নলিয়ান গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় সংবাদকর্মী মো. আবুল বাশার বলেন, দেশের এই অস্থিতিশীল অবস্থায় এলাকার সুযোগ সন্ধানীরা প্রশাসন না থাকায় হরিণ শিকারে মেতে উঠেছে। তারা শিকার করা হরিণের মাংস নিয়মিত বিক্রি করছে এবং যতদিন যাচ্ছে, এই প্রবণতা বেড়েই চলছে।
দাকোপ উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান কিশোর কুমার রায় কালবেলাকে বলেন, বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যদি সঠিক নজরদারি না দেয়, তাহলে এই অপকর্ম চলতে থাকবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে। তা ছাড়া সবসময় আইন দিয়ে মানুষকে আটকানো যায় না, এ ক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়াতে হবে। আর তা না হলে দুর্বৃত্তরা তো দুর্বৃত্তায়ন করবেই। সচেতনতা বাড়াতে পারলে সুন্দরবনে হরিণ শিকারিদের অপতৎপরতা ঠেকানো যাবে।
অভিযোগ রয়েছে, সুন্দরবন ও এর পাশের অঞ্চলে পেশাদার হরিণ শিকারিদের আছে বিশেষ সিন্ডিকেট এবং তাদের সঙ্গে থাকে এজেন্ট ব্যবসায়ীরা। এসব এজেন্টের মাধ্যমে কখনো অগ্রিম অর্ডার আবার কখনো মাংস এনে তারপর বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হয়। ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে খুশি মনে হরিণের মাংস কিনছে একশ্রেণির মানুষ।
সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক এজেডএম হাছানুর রহমান কালবেলাকে বলেন, দেশের এই পরিস্থিতিতে হরিণ, মাছ ও কাঁকড়া শিকার থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে সচেতন করা হচ্ছে। আমাদের টহল দল প্রতিদিন সুন্দরবনে পাহারা দিচ্ছে। যারা অবৈধভাবে সুন্দরবনে প্রবেশ করে হরিণ, মাছ ও কাঁকড়া শিকার করছে, তারা মূলত রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট করছে।
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের হরিণ শিকারে মেতে উঠেছে কয়েকটি চক্র। মাঝে মধ্যে মাংস বহনকারীরা ধরা পড়লে মূল শিকারিরা রয়ে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। সম্প্রতি বেশ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার এসব চক্রগুলো। এদিকে, গরু ও খাসির মাংসের তুলনায় হরিণের মাংসের দাম কম হওয়ায় সুন্দরবন-সংলগ্ন এলাকায় এই বন্যপ্রাণীর মাংসের চাহিদা বাড়ছে।
সুন্দরবন সংলগ্ন খুলনার কয়রা, দাকোপ ও পাইকগাছা, সাতক্ষীরার শ্যামনগর এবং বাগেরহাটের মোংলা ও শরণখোলার মানুষ বেশি হরিণ শিকার করে বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় হরিণের প্রতি কেজি মাংস ৫ শত থেকে ৬ শত টাকা, জেলা শহরে প্রতি কেজি হরিণের মাংসের দাম এক হাজার টাকা থেকে দুই হাজার টাকা দাম নেওয়া হয়।
জানা গেছে, খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের আংটিহারা ও জোড়শিং এলাকায় হরিণ শিকারি চক্রের আধিপত্য বেশি। আর হরিণ পাচারের নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বজবজা ও খাসিটানা বন টহল ফাঁড়ি এলাকা। এছাড়া মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের নয়ানি, হড্ডা, বানিয়াখালী, শেখেরকোনা ও তেঁতুলতলার চর; কয়রা সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর, ৫ নম্বর ও ৬ নম্বর কয়রা; উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের পাথরখালী, কাটকাটা, মহারাজপুর ইউনিয়নের পূর্ব মঠবাড়ি, মঠেরকোনা গ্রাম হরিণশিকারি চক্রের তৎপরতা রয়েছে। দাকোপ উপজেলার ঢাংমারী, খাজুরা, বানীশান্তা, সুতারখালী ও কালাবগি গ্রামের চিহ্নিত হরিণ শিকারিরা রাতে ও দিনে দলবদ্ধভাবে সুন্দরবনে প্রবেশ করে নিয়মিত হরিণ শিকার করে।
এছাড়া বাগেরহাটের মোংলার চিলা, জয়মনি, বৈদ্যমারী, কাটাখাল কুল, বাঁশতলা, কাটাখালী; মোরেলগঞ্জের জিউধরা, গুলিশাখালী, সন্ন্যাসী; শরণখোলার ধানসাগর, তাফালবাড়ী, সোনাতলা, পানিরঘাট, রাজাপুর, রসুলপুর ও চালিতাবুনিয়া, সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগরের বেশ কিছু গ্রামে হরিণ শিকারিদের তৎপরতা রয়েছে।
কয়রা উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সুন্দরবন সংলগ্ন এই উপজেলাটিকে ঘিরে রেখেছে কপোতাক্ষ, কয়রা এবং শাকবাড়িয়া নদী। উপজেলাটির তিন দিক নদীবেষ্টিত এবং ৭টি ইউনিয়নই সুন্দরবনের সীমানায় অবস্থিত। উপজেলাটির গ্রামগুলোর বেশিরভাগই শ্রমজীবী মানুষ। এসব গ্রামের প্রতিটি পরিবারই সুন্দরবনকেন্দ্রিক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ উপজেলার ৩০টির বেশি চোরাশিকারি চক্র সুন্দরবনের হরিণ নিধন করছে।
সুন্দরবন ঘেঁষা স্থানীয় বাসিন্দা জানান, স্থানীয় পদ্ধতিতে মাংস, চামড়া, মাথাসহ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংরক্ষণ করে পাচার করে চোরাশিকারিরা। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকে এজেন্ট-ব্যবসায়ীদের। এই এজেন্টদের মাধ্যমে কখনো অগ্রিম অর্ডার, আবার কখনো মাংস এনে তারপর বিক্রি করা হয়। এই চক্রের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে যায় হরিণের মাংস।
ক্রেতারাও অনেক সময় প্রতারণা ভেবে হরিণ নিজ চোখে না দেখে মাংস কিনতে চান না। তাই চোরাশিকারিরা জীবন্ত হরিণ লোকালয়ে এনে জবাই করেন। অবৈধ জেনেও হরিণের মাংস কেনে মানুষ। ধনাঢ্য ব্যক্তিরা হরিণের মাংস দিয়ে উৎসব পালন করেন। কেউ কেউ স্বজনদের হরিণের মাংস উপহার দেন। আবার বড় ধরনের স্বার্থসিদ্ধির জন্যও কর্তা ব্যক্তিদের খুশি করতে গোপনে হরিণের মাংস সরবরাহ করা হয়। হরিণের চামড়া-শিং সৌখিন ব্যক্তিরা সংগ্রহ করে ড্রইংরুম সাজান।
১৫ জানুয়ারি রাতের অন্ধকারে সুন্দরবনের সত্যপীরের খাল এলাকায় ৩টি বস্তায় থাকা ৮০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করে কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের বনরক্ষীরা। তবে এ সময় পালিয়ে যায় শিকারিরা। এর আগে ৭ জানুয়ারি দুপুরে মোংলার ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে ১১ কেজি হরিণের মাংসসহ ৬ জনকে আটক করে কোস্টগার্ড।
তার আগে গত ৩ জানুয়ারি সকালে খুলনার কয়রা উপজেলার কালনা বাজার এলাকায় প্রায় ৩০ কেজি হরিণের মাংসসহ ইকবাল নামে এক তরুণকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় লোকজন। কয়রা থানার ওসি জি এম ইমদাদুল হক জানান, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত ইকবাল জানিয়েছেন, কয়রার সুন্দরবন-সংলগ্ন এলাকা থেকে মনিরুল ইসলাম নামের এক হরিণ শিকারি কাছ থেকে তিনি এ মাংস এনেছেন।
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনে বেশী দেখা মেলে হরিণের। পর্যটক, দর্শনার্থী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সাম্প্রতি সুন্দরবনে হরিণের সংখ্যা বেড়েছে। সুন্দরবনের বাঁকে বাঁকে এখন হরিণের দেখা মেলে। বনের খাল বা নদীর ধারে দলবেঁধে হরিণের চলাফেরা করছে। সুন্দরবনে মায়া ও চিত্রল নামের দুই প্রজাতির হরিণের দেখা যায়। তবে এর মধ্যে চিত্রল হরিণের সংখ্যাই বেশি।
২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর দ্য কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) জরিপের তথ্য মতে, বর্তমানে সুন্দরবনে ১ লাখ ৩৬,৬০৪টি হরিণ রয়েছে। এর আগে ২০০৪ সালে হরিণের সংখ্যা ছিল ৮৩ হাজার। সেই হিসেবে ১৯ বছরের ব্যবধানে সুন্দরবনে হরিণ বেড়েছে ৫৩,৬০৪টি।
খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো বলেন, মূলত শুষ্ক মৌসুমে সুন্দরবনের ভেতরে খাল ও নদীতে পানি শুকিয়ে যাওয়ায় হরিণের বিচরণ বেড়ে যায়। যে কারণে চোরা শিকারিরা এ সময় তৎপর হয়। তবে বিচ্ছিন্ন কিছু শিকারের ঘটনা ঘটলেও সেটা আগের চেয়ে তুলনামূলক অনেক কম। অল্প জনবল দিয়ে এত বড় বনে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেতে হয় বনবিভাগের। তিনি আরও বলেন, বন্য প্রাণী নিধন ও অন্যান্য অপরাধ দমনে বনরক্ষীরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন।
সুন্দরবনে হরিণশিকারি ও লোকালয়ে হরিণের মাংস ক্রেতা ও ইন্ধনদাতাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এদের আইনের আওতায় আনা হবে। বন্য প্রাণী হত্যা ও পাচার রোধে শিকারিদের ধরতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। হরিণের ক্ষেত্রে বনের ভেতরে অপরাধ উদ্ঘাটনের তথ্য দেওয়ায় ২০ হাজার টাকা এবং বনের বাইরে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। সবার সমন্বিত চেষ্টায় বন্য প্রাণী শিকার বন্ধ হবে। ইতিমধ্য সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রাঞ্জে হরিণ শিকার বাঘ শিকারের জন্য শিকারিদের চিহ্নিত করতে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। এক শ্রেণীর অসাধু চক্ররা এই ক্যামেরা সুন্দরবন থেকে চুরিও লুটপাট করে নিয়ে গেছে। সূত্র জানিয়েছে সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ফজলুল হক। তিনি আরো জানা বিষয়টি নিয়ে উদ্ধোধন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। সুন্দরবনের সাতক্ষীরাঞ্জে অসাধু চক্করদের জন্য নানা অপরাধের কারণে বনবিভাগ রেড অ্যালার্ট জারি করেছেন। এই সমস্ত অপরাধীদের ধরতে রাত দিন বিরতিহীনভাবে টহাল চালিয়ে যাচ্ছে সাতক্ষীরা রেঞ্জের বনরক্ষীরা।

জন্মভূমি ডেস্ক November 29, 2025
Share this Article
Facebook Twitter Whatsapp Whatsapp LinkedIn Email Copy Link Print
Previous Article খালেদা জিয়ার জন্য সর্বত্র প্রার্থনা
Next Article আন্তর্জাতিক চোরা ‌চক্র সক্রিয় আবারো সুন্দরবনে শামুক ঝিনুক পাচার ‌
আরো পড়ুন
শীর্ষ খবর/ তাজা খবরসাতক্ষীরা

নিরাপদ সড়ক সবার জন্য প্রযোজ্য

By জন্মভূমি ডেস্ক 2 hours ago
খুলনামহানগর

খুলনায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে ছাত্রদল নেতা সাব্বির জখম

By সিনিয়র করেস্পন্ডেন্ট 10 hours ago
খুলনাজেলার খবর

খুলনায় খাল খনন উদ্বোধন করলেন – আজিজুল বারী হেলাল এমপি

By সিনিয়র করেস্পন্ডেন্ট 12 hours ago

দিনপঞ্জি

March 2026
S M T W T F S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
« Feb    

এ সম্পর্কিত আরও খবর

শীর্ষ খবর/ তাজা খবরসাতক্ষীরা

নিরাপদ সড়ক সবার জন্য প্রযোজ্য

By জন্মভূমি ডেস্ক 2 hours ago
সাতক্ষীরা

কেমন ছিল প্রিয় নবীজির (সা.) রমজান

By Correspondent 13 hours ago
জাতীয়শীর্ষ খবর/ তাজা খবর

বকুলসহ সংসদের হুইপ হলেন ৬ এমপি

By সিনিয়র করেস্পন্ডেন্ট 13 hours ago

প্রকাশনার ৫৫ বছর

দৈনিক জন্মভূমি

পাঠকের চাহিদা পূরণের অঙ্গীকার

রেজি: কেএন ৭৫

প্রধান সম্পাদক: লে. কমান্ডার (অব.) রাশেদ ইকবাল

অনলাইন বিভাগীয় সম্পাদক: আলি আবরার

প্রকাশক: আসিফ কবীর কর্তৃক জন্মভূমি প্রকাশনী লি: ১১০/২,সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু সড়ক, খুলনা থেকে মূদ্রিত ও প্রকাশিত

ইমেইল– janmokln@gmail.com           অনলাইন নিউজরুম-০১৬১১৬৮৮০৬৪        রফিকুজ্জামান বার্তা কক্ষ ০৪১-৭২৪৩২৪

Developed By Proxima Infotech and Ali Abrar

Removed from reading list

Undo
Welcome Back!

Sign in to your account

Lost your password?