
সুন্দরবন ও উপকূলীয় ইকোলজি সম্পর্কিত গবেষণা জোরদারের লক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর ইন্টিগ্রেটেড স্টাডিজ অন দ্য সুন্দরবনস এন্ড কোস্টাল ইকোসিস্টেম (আইআইএসএসসিই) ও বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বেড্স) এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আজ ০৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ট্রেজারারের কার্যালয়ে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। এমওইউতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী এবং বেড্সের পক্ষে প্রধান নির্বাহী মোঃ মাকসুদুর রহমান স্বাক্ষর করেন। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্মারক বিনিময় করা হয়।
এমওইউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, আইআইএসএসসিই’র পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ রায়হান আলী, আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ এনামুল কবীর, এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. সরদার শফিকুল ইসলাম, আইআইএসএসসিই’র সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ রকিবুল হাসান সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব, বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা বিষয়ক গবেষণা ও প্রকল্প বাস্তবায়নে আইআইএসএসসিই ও বেডস অংশীদার হিসেবে কাজ করবে। উভয় প্রতিষ্ঠান ম্যানগ্রোভ ও উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র সংক্রান্ত কার্যক্রমে পারস্পরিক বোঝাপড়া জোরদার করবে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার কাছে যৌথভাবে গবেষণা অনুদান ও প্রকল্প প্রস্তাব জমা দেবে।
এছাড়া, এমওইউর আওতায় জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই জীবিকা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব নিয়ে যৌথ গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরিবেশগত শিক্ষাকে মূলধারায় আনার লক্ষ্যে শিক্ষক, বিজ্ঞানী ও মাঠকর্মীরা যৌথভাবে কর্মশালা, সেমিনার, সম্মেলন ও আউটরিচ কর্মসূচি আয়োজন করবে।
বেডস-এর দাকোপ ফিল্ড অফিসে প্রতিষ্ঠিত ম্যানগ্রোভ তথ্য ও গবেষণা কেন্দ্রকে গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সম্প্রদায়ভিত্তিক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে যৌথভাবে ব্যবহার করা হবে। এর ফলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য মাঠপর্যায়ে হাতে-কলমে শেখা এবং প্রয়োগিক গবেষণার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।

