
মোঃ এজাজ আলী : উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’ উত্তর-উত্তর-পূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করেছে। ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের শেষ ও ১১ নম্বরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মিধিলির প্রভাবে খুলনায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে। শুক্রবার ভোর থেকে এই মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হয়েছে।
খুলনা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ সিনিয়র আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ বলেন, মিধিলির প্রভাবে মহানগরীসহ আশপাশের এলাকাসহ উপকূলীয় এলাকায় মাঝারী আকারের বৃষ্টিপাত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বর্তমান উপকূলীয় এলাকায় ঘন্টায় ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যাচ্ছে। এদিকে ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে মাঝারী ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় খুলনাসহ আশপাশের এলাকায় শীতের আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছে।
শুক্রবার সকালে শ্রমজীবী মানুষেরা শীতে জবুথবু হয়ে কাজের সন্ধানে বেরিয়ে পড়েন। নগরীর সাতরাস্তার মোড়ে কাজের সন্ধানে এসেছিলেন আল হাসান। তিনি বলেন, ভোর ৬টায় ঘুম থেকে উঠে বৃষ্টি উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে নেমে পড়েছি। তবে সকালে খুব ঠান্ডা লাগছিলো। এবার মনে হয় শীত পড়ে যাবে। ঝড় চলে গেলে পুরোপুরি শীতের আমেজ বিরাজ করবে। শীতকালে আমাদের মতো শ্রমজীবী মানুষের অনেক কষ্ট হয়। তবুও সংসার চালাতে শীত, গরম কিছুই আমাদের আটকে রাখতে পারে না। গল্লামারী বাজারে ছুটির দিনে বাজার করতে আসা চাকরিজীবী রাসেল বলেন, একেতো বৃষ্টি, ছাতা মাথায় নিয়ে বাজার করতে এসেছি। শীতের আমেজ লাগছে শরীরে তাই জ্যাকেট পরে বাড়ি থেকে বেরিয়েছি। তার মতে, শীতের আগমনী বার্তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এবার পুরোপুরি শীত পড়ে যাবে।