
জন্মভূমি রিপোর্ট : সঠিক বেগুন চাষ পদ্ধতি জানা না থাকার কারণে অনেক সময় হতাশ হন চাষিরা। জাত ও জাতের বৈশিষ্ট্য, রোগ বালাই দমন ও সঠিক নিময়ে সার প্রয়োগ নিরাপদ বেগুন চাষের জন্য অত্যন্তগুত্বপূর্ণ। গোপালগঞ্জ-খুলনা- বাগেরহাট -সাতক্ষীরা-পিরোজপুর জিকেবিএসপি প্রকল্প এই শীত মৌসুমে ৪৫জন কৃষক প্রদর্শনী প্লট করেছে। প্রকল্পের এই উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবহার সফলতা পেয়েছেন এবং বাম্পার ফলন হয়েছে।
সূত্র জানায়, এই প্রকল্প থেকে কলারোয়া, তালা, ডুমুরিয়া, বাগেরহাটসদর, ফকিরহাট, মোল্লাহাট, গোপালগঞ্জসদর, টুঙ্গিপাড়া, কাশিয়ানী ও পিরোজপুরসদরে ভাঙ্গন ও মাকড়া হাইাব্রড জাতের বেগুন আবাদ করা হয়েছে। অক্টোবর মাসে আবাদ করা হয়। আবাদের দেড় মাসের মাথায় ফল কাটা যায়। কৃষক পইকারী প্রতিকেজি ৪০টায় বিক্রি করছেন। যা খুচরা বাজারে ৭০-৮০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষক লাভান হচ্ছেন। অল্প খরচে লাভ বেশী। সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সবজির আবাদ সারা বছরেই করা যায়। এই প্রকল্প থেকে কৃষকদের বিনা মূলে সার, বীজ, কীটনাশক ও প্রশিক্ষণসহ সকল প্রকার উপকরণ দেয়া হয়েছে। তাপমাত্রা কম থাকার কারণে তাই শীতকালই বেগুন চাষের উপযুক্ত সময়। বর্তমানে কিছু উচ্চ তাপমাত্রা সহিষ্ণুজাত শীত মৌসুমে ভালো ফলন দিয়ে থাকে। বেগুনের ভালো ফলন পেতে সঠিক নিয়মে চাষ করা প্রয়োজন। বেলে দোআঁশ বা দোআঁশ মাটিই বেগুনের চাষাবাদের জন্য উত্তম। বেগুন চাষের জমি ভালো করে চাষ ও মই দিয়ে আগাছামুক্ত করে মাটি ঝুরঝুরে ও সমান করে নিতে হয়। বীজতলায় বেগুন চারা গজানোর পর মূল জমিতে বপন করতে হয়। বীজতলা তৈরী করতে হবে খুব সহজে পানি নিষ্কাশনের সুবিধাযুক্ত, ছায়ামুক্ত থাকে এমন স্থান। শীতকালীন ফসলের বীজতলায় বেগুনের বীজ বোনা হয়। বীজতলা তৈরির জন্য মাটি গভীরভাবে চাষ দিতে হবে।
ফকিরহাটের ও বাগেরহাট সদরের কৃষক রিপন শেখ এবং মো. আরাফাত শেখ বলেন, এই প্রকল্পের পরামর্শ কাজে লাগিয়ে আবাদ করায় ফলন ভালো হয়েছে। ভালো দামে বিক্রি হচ্ছে। অল্প খরচে লাভস বেশী।
গোপালগঞ্জ-খুলনা- বাগেরহাট -সাতক্ষীরা-পিরোজপুর জিকেবিএসপি প্রকল্প পরিচালক অমরেন্দ্রনাথ বিশ^াস বলেন, এই মৌসুমে মাঠে রোদ ও আবহাওয়া ভালো থাকার কারণে আবাদ ভালো হয়েছে। ফলন বাম্পার হয়েছে। কৃষকদের সঠিক ভাবে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।