
মনিরুল ইসলাম মোড়ল, দিঘলিয়া : দিঘলিয়া উপজেলার সকল সড়কে ইট, বালু, সিমেন্ট পরিবহনের কাজে ব্যবহারিত পরিবহনের নাম, এখন আতঙ্ক পরিবহন। বেশ কিছু-ইট, বালু ব্যবসায়ীরা, ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে নির্মাণ স্থানে যে পরিবহন ব্যবহার করা হচ্ছে, সেই ব্যবসায়ী মালিকেরা নিজস্ব অর্থায়নে স্থানীয়ভাবে এই পরিবহন তৈরি করে সেলো মেসিনের ইঞ্জিন লাগিয়ে মিনি ট্রাক, নসিমন, করিমন, ভটভটি বিভিন্ন নামে সড়কে পরিবহনের কাজে ব্যবহার করছে। গাড়ির বৈধ কোনো অনুমোদন নাই। প্রসাশনের কিছু অসাধু কর্মচারীদের অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে চালাচ্ছে এই পরিবহন।
সবচেয়ে আতঙ্ক হচ্ছে গাড়ির চালক (ড্রাইভার) অদক্ষ, অপ্রাপ্তবয়স্ক কোন প্রশিক্ষণ ছাড়াই এই পরিবহন চালাচ্ছে দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন সড়কে।
ভারী পরিবহনের কারনে সড়কের বেহাল অবস্থা, ভেঙ্গে চুরে খানা/খন্দকে পরিনত হয়েছে বিভিন্ন স্থানে। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, গত ৮ মে দিঘলিয়া রহমানিয়া মাদ্রাসার কাছে তিন রাস্তার মোড়ে চালকের অদক্ষতার কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার উপরে পড়ে ছিল একটি মিনি ট্রাক ।
নড়াইল-কালিয়া থেকে প্রচুর পরিমাণে মিনি ট্রাকে ইট বোঝাই করে, অড়ুয়া ফেরিঘাট দিয়ে ঢুকছে দিঘলিয়া উপজেলায়, এ সকল পরিবহনের ও কোনো অনুমোদন নাই, গাড়ির চালক (ড্রাইভারের) ও কোন প্রশিক্ষণ বা ড্রাইভিং লাইসেন্সও নাই। গাড়ির গতিবেগ এত দ্রুতগতির যে অন্যান্য গাড়ির চালক বা সাধারণ মানুষ থাকে আতঙ্কিত। যে কোন মুহুর্তে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
প্রসাশন, জন প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সকল সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিকট দিঘলিয়া উপজেলাবাসির আবেদন এই আতঙ্ক পরিবহনের একটি সু-ব্যবস্থা করা হোক এটাই সাধারণ মানুষের দাবি।