
মাছ বাজার মন্দা : বাড়ছে ক্ষোভ
জন্মভূমি রিপোর্ট : দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাট ইউনিয়নের কোলাহাটে ইজারাদারের অনিয়ম অব্যাহত রয়েছে। বাজারের প্রতিষ্ঠিত মাছ ব্যবসায়ীকে দেওয়া হয়নি তাদের জন্য নির্ধারিত ব্যবসার জায়গা। উপজেলা প্রশাসন নিরবতা পালন করছে। অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নেয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ। এতে করে একদিকে ব্যবসায়ীদের ওপর ক্ষোভ বিরাজ করছে ও বাজারে এক ধরণের মন্দাভাব দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, ইজারাদার গাজীরহাট ইউপি মেম্বরের ভাইপো এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সুনজর থাকায় প্রভাব বিস্তার করায় স্থানীয় বাসিন্দারা এ বিষয়ে মুখ খোলার সাহস পায়না। বাজারের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মাছ ব্যবসায়ীরা ইজাদারকে টাকা না দেওয়ার জের ধরে ক্ষিপ্ত হয়ে বাজারের মাছ চান্দির মধ্যে কাঁচামাল ব্যবসায়ীদের বসানো হয়েছে। আর মাছ ব্যবসায়ীরা নদীরপাড়ে রাস্তায় উপর দোকান বসিয়ে নানা সমস্যার মধ্যে কোন রকমে মাছ বিক্রি করছেন। মাছ ব্যবসায়ীদের জায়গা পরিবর্তন করায় বাজার মন্দাভাব বিরাজ করছে। এতে ব্যবসায়িক ও আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে অভিযোগ করার পরও উপজেলা প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নেয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, গাজীরহাট ইউনিয়নের কোলাহাটের ১৪৩০ বাংলা বছরের জন্য ইজারা নেন মোঃ সাহিদ মোল্লা। ইজারা নেয়ার পর ১০-১২ জনকে শেয়ার নিয়ে কোলাহাট পরিচালনা করছেন তিনি। ইতিমধ্যেই অর্থ দাবির ঘটনায় বিতর্কিত হয়ে পড়েছেন তিনি।
কোলা হাটের মাছ ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, আমরা ৩০-৩৫ বছরের বেশি কোলাহাটে মাছ বিক্রি করি। নতুন ইজারাদার হাট নেওয়ার পর আমাদের মাছ ব্যবসায়ীদের কাছে খাজনা বাদে বাড়তি দোকান প্রতি ২ হাজার ৫শ টাকা দাবি করে। এমনকি বাড়তি টাকা না দিলে কোলাহাটে ব্যবসা করতে দেয়া হবে না বলে জানায়। ৩৭ মাছ ব্যবসায়ী ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।
কোলা হাটের ইজারাদার মোঃ সাহিদ মোল্লা বলেন, ড্রামের পানির জন্য মাছের চান্দির ভিতর কাদাঁ হয়ে যায় এ কারণে মাছ ব্যবসায়ীদের নদীর পাড়ে বসানো হয়। আর মাছ ব্যবসায়ীরা মাটির রাস্তা ও আংশিক ঢালাই পরে বসে ব্যবসা করে। মাছ ব্যবসায়ীরা পূর্বে যে জায়গায় ব্যবসা করত সেখানে শাক শবজি ও কাচাঁ মালের ব্যবসায়ীদের বসানো হয়েছে।
দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খান মাসুম বিল্লাহ বলেন, বিষয়টি খুলনা- ৪ আসনের সংসদ সদস্যকে জানানো হয়েছে। তিনি তাৎক্ষণিক গাজীরাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোল্লা মফিজুর রহমান ঠান্ডুকে বলে দিয়েছেন বাজারে খাজনা বাদে অতিরিক্ত কোন টাকা নেওয়া হবে না।
দিঘলিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম বলেন এমপিকে বলা হয়েছে। মাছ বাজারের ভিতরে তরকারির দোকান বসানো হয়েছে।বিষয়টি আমার জানা নেই খোঁজখবর নিয়ে দেখি।