
বিজ্ঞপ্তি : ফল উৎসব আমাদের দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। সুস্থ থাকতে হলে নিয়মিত আমাদের সবার ফল খাওয়া উচিৎ। খাদ্য তালিকায় দেশীয় ফল সংযোজন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশীয় ফল বৃদ্ধির লক্ষ্যে সবার উচিৎ হবে বাড়ির আনাচে-কানাচে ফলজ গাছ রোপন করা। আমাদের দেশে যেসব ফল উৎপাদন হয় তা প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রফতানি করা যেতে পারে। এসব কথা বলেন সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তারা।
বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় গুণীজন স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে ও শিল্পকলা একাডেমি খুলনার সহযোগিতায় সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য ফল উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গুণীজন স্মৃতি পরিষদের সভাপতি এড. শামীমা সুলতানা শীলু। সাংস্কৃতিক পর্বে সভাপতিত্ব করেন গোপী কিষণ মুন্ধড়া। সঞ্চালনা করেন সুজিত কুমার সাহা ও মাসুদ মাহামুদ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কার্তিক চন্দ্র মন্ডল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আফম মহসিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিমল কুমার দাস, প্রফেসর এম আবুল বাশার মোল্লা, হাসনা হেনা, মোঃ আবু ছাইদ, এড. মোমিনুল ইসলাম, ভার্গব বন্দ্যোপাধ্যায়, কবি রুহুল আমিন সিদ্দিকি, সৈয়দ আলী হাকিম, অসীম আনন্দ দাস, সাংবাদিক মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, শেখ দিদারুল আলম, কাজী মোতাহার রহমান বাবু, প্রফেসর মোস্তফা কামাল, অধ্যক্ষ আউয়াল রাজ, অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, রোজী রহমান, দিলারা পারভীন, এস এম সোহরাব হোসেন, ভারতী ঘোষ, এস এম জাফর ইকবাল, শেখ আব্দুল সালাম, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মাজেদ জাহাঙ্গীর, অশোক চক্রবর্ত্তী, জয় বৈদ্য, এড. তপন কুমার ভট্টাচার্য্য, মোঃ হারুণ উর রশীদ, বিনয় কুমার সিংহ, মানস কুমার রায়, এড. এম এ সাত্তার, এড. অচিন্ত্য কুমার দাস, শরিফুল ইসলাম সেলিম, অধ্যক্ষ মির্জা নূরুজ্জামান, আইনুল হক, দীপ কুমার বৈদ্য, লতা মন্ডল, এস এ রাকিব, সুরেশ কুমার আগরওয়ালা, জেসমিন জামান, নুরুন নাহার হীরা, নাসরিন হায়দার, আফরোজা জেসমিন বিথী, জাহানারা আলী জানু, আলোয়া নাসরিন, ধনঞ্জয় কুমার, লিটন চক্রবর্ত্তী, মহেন্দ্রনাথ সেন ও বিধান চন্দ্র রায় প্রমুখ।