
আরেক আসামির রিমান্ড শুনানি ২৩ জুলাই
জন্মভূমি রিপোর্ট : নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন একটি আবাসিক হোটেলে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত নাঈম (১৬) নামে একজন শুক্রবার আদালতে অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দী দিয়েছে। আরেক আসামি সবুজ তীরন্দাজ (২২) কে পাঁচ দিন পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আবেদন করেছেন। আগামী ২৩ জুলাই রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ওই দু’জন গত ২ জুলাই ২২ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণ করে। ভিকটিম এ ঘটনায় ৩ জুলাই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, মামলা দায়েরের পরই অভিযুক্ত ২১ পরিবার সোনালী নগর এলাকার বারেক জমাদ্দারের ছেলে নাঈমকে সোনার বাংলা গলি হতে এবং সোনাডাঙ্গা আইডিয়াল কলেজ রোড এলাকার হারুন তীরন্দাজের ছেলে সবুজকে গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে হতে গ্রেফতার করা হয়। এরপর আইনের সংঘাতে জড়িত শিশু নাঈমকে পাঁচ দিন পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোনাডাঙ্গা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) নাহিদ হাসান মৃধা দৈনিক জন্মভূমিকে বলেন, বৃহস্পতিবার নাঈমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগার হতে থানায় আনা হয়। এক দিন জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সে আদালতে অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দ’ী দিতে সম্মত হয়। শুক্রবার সকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
আদালতের এক কর্মকর্তা জানান, মেট্রেপলিটন ম্যজিস্ট্রেট সারোয়ার আহমেদ নাঈমের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পুলিশ জানায়, ২১ পরিবার সোনালী নগর এলাকার বাসিন্দা নাসির উদ্দীনের সাথে তার স্ত্রীর কয়েক মাস আগে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। কিন্ত নাসিরের ছোট ভাই নাঈম তার ভাবীর সাথে সম্পর্ক রেখেছিল। সেই সূত্র ধরে তাকে নিয়ে সে সুগন্ধা হোটেলের একটি কক্ষ ভাড়া করে ওঠে। সেখানে উপস্থিত হয় সবুজ তীরন্দাজ। তারা ওই নারীকে বলে-তার চার বছর বয়সী সন্তান তাদের জিম্মায় রয়েছে। শিশুটির ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে দুই জন মিলে অভিযোগকারীকে ধর্ষণ করে।