
হুমায়ুন কবীর রিন্টু , নড়াইল : নড়াইলের কালিয়া উপজলোর বাবরা হাচলা ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি র্কমর্কতা চঞ্চল কুমার মল্লিকের বিরূদ্ধে দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে চলতি রবি মৌসুমে উপজলোর প্রত্যেকে ইউনিয়নে প্রনোদনার আওতায় গম, সরিষা, সূূর্যমুখী, সবজি ও বোরো ধানের বীজ ও সার বিনামূল্যে বিতরনের জন্য প্রদান করা হয়। কিন্তু এ ইউনিয়নের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা চঞ্চল মল্লিক ঠিকমত বিতরণ না করে অধিকাংশ মালামাল আত্নসাৎ করেছেন। আর যা কিছু বিতরন করেছেন, তাতে চরম অনিয়ম করেছেন বলে এলাকাবাসির অভিযোগ।
বাবরা হাচলা ইউনিয়নের আলি খা নামে একজন কৃষক এ অনিয়মের বিষয়ে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী র্কমর্কতা এবং খুলনা আঞ্চলিক র্কাযালয়ের অতরিক্তি পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অদ্যাবধি কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। উড়ষী গ্রামের প্রকাশ বিশ্বাস এবং তার স্ত্রী, আকবর শেখ, আশরাফুল শেখ এদের নামে দুই তিনটি রোপা আমন ধান, বস্তায় আদা চাষ এবং চুইঝালের প্রর্দশনী থাকলেও এদরকে প্রনোদনার তালিকাভুক্ত করে মালামাল প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া সিঙ্গেরডাঙ্গা গ্রামের সিয়াকুল তার স্ত্রী রেখা ও তার ছেলে শান্ত’র নামে একই পরিবার থেকে ৩ জনকে প্রনোদনার তালিকাভুক্ত করে মালামাল প্রদান করেন।
উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা চঞ্চল মল্লিক উপজেলা কৃষি অফিস হতে সার বীজ এনে বাবরা গ্রামে হাসানের দোকানে রেখে কৃষক জুম্মা খান,জিনদার খান, কিসলু খান সহ অনেক কৃষক ডেকে তাদের নিকট ওই সরকারি সার বীজ বিক্রি করেন। এ উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের কৃষকরা নিজেরা গিয়ে মাষ্টার রোলে সাক্ষর করে তাদের মালামাল বুঝে নিয়েছেন। অথচ বাবরা হাচলা ইউনিয়নের মালামাল উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা চঞ্চল মল্লিক নিজে তুলে এনে বিক্রি করে দিয়েছেন। কৃষকরা মাষ্টার রোলে কোন সাক্ষর করেননি। এ ইউনিয়নের শুক্তগ্রাম, কালুখালি,কাঞ্চনপুর গ্রামের যে সকল কৃষকদের নাম গম ও মসুর বীজ তালিক্ভাুক্ত রয়েছে, তারা কেউ ওই সব মালামাল উত্তোলন করেননি। এসব অনিয়মের ব্যাপারে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা চঞ্চল মল্লিক’র নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছু অনিয়ম হতে পারে। তবে সব অভিযোগ সত্য না।

