
জন্মভূমি ডেস্ক : প্রশাসন ক্যাডারের পদোন্নতিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও বিসিএস তথ্য ক্যাডার বেহাল। ক্যাডারটির শীর্ষ ১৬টি পদের পদোন্নতি আটকে গেছে। চাকরিতে যোগদানের পর যথাসময়ে তাদের পদোন্নতি না হওয়ায় এই জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে তথ্য ক্যাডারের ৯ম ও ১৩তম ব্যাচের কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও তাদের গ্রেড-১, ২ ও ৩ পদে পদোন্নতি হয়নি। শীর্ষ পদে পদোন্নতি আটকে যাওয়ায় নিচের পদেও পদোন্নতি হচ্ছে না। অথচ বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচের প্রায় ২০ কর্মকর্তা সচিব ও গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। ৯ম ব্যাচের কর্মকর্তারা জ্যেষ্ঠ সচিব হয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিসিএস তথ্য সাধারণ ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচের কর্মকর্তারা জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা ছিলেন ১৩ বছর। অথচ এ পদে থাকার কথা ছিল পাঁচ বছর। ফলে পদোন্নতির প্রথম ধাপেই তাদের আট বছর নষ্ট হয়েছে। পরিচালক থেকে তৃতীয় গ্রেডে পদোন্নতিতেও সময় নষ্ট হয়েছে। এরপর ২০২১ সালের ৭ জানুয়ারি গ্রেড-৩ পেলেও এখনো গ্রেড-২ পদে পদোন্নতি হয়নি। কারণ পদোন্নতিতে বিলম্ব হওয়ায় গ্রেড-২ পদে পদোন্নতির শর্ত পূরণ হচ্ছে না। ফলে ১৩তম ব্যাচের কয়েক কর্মকর্তা পদোন্নতি না পেয়ে অবসরে গেছেন।
তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তার (পিআইও) অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন বিসিএস ১৩তম ব্যাচের কর্মকর্তা শাহেনুর মিয়া। পিআইওর পদটি গ্রেড-১ হলেও তিনি এখনো দ্বিতীয় গ্রেডে পদোন্নতি পাননি। গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের চলতি দায়িত্বে আছেন ১৩তম ব্যাচের নিজামুল কবীর। মহাপরিচালকের পদটি গ্রেড-২ হলেও তিনি আছেন তৃতীয় গ্রেডে।
দ্বিতীয় গ্রেডের পদোন্নতির শর্ত পূরণ করতে তাদের আরও প্রায় এক বছর লাগবে। এ জন্য তারা রাষ্ট্রপতির প্রমার্জনের মাধ্যমে পদোন্নতি পেতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন। তাদের গ্রেড-১ ও ২ পদে পদোন্নতি না হলে ১৮তম ও ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তারাও গ্রেড-৩ পদে পদোন্নতি পাবেন না। আবার ১৩ ও ১৮তম ব্যাচের কয়েক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা থাকলেও চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের রুটিন দায়িত্ব পালন করছেন ২০ ব্যাচের চতুর্থ গ্রেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী সরকার। এই পদটি ২য় গ্রেডের।