
যশোর অফিস : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যশোরের সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোতে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনীর তল্লাশি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।
যশোর ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ ছিদ্দিকী জানিয়েছেন, তার ব্যাটালিয়নের আওতাধীন তিনটি জেলার ১৬টি উপজেলা এবং ১১টি সংসদীয় আসনে মোট ৩১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১১টি অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
আইনগত কারণে সীমান্ত এলাকায় সেনাবাহিনী সরাসরি দায়িত্ব পালন করতে না পারায় বিজিবিকে মূল দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম (আরএটি), কুইক রেসপন্স ফোর্স ও হেলিকপ্টার সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এই অঞ্চলকে নির্বাচনের জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখছে জেলা প্রশাসন। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার হলেও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কিছুটা শঙ্কা কাজ করছে।
অনেক ভোটারের মতে, সীমান্ত রক্ষায় বিজিবির দক্ষতা থাকলেও নির্বাচনী সহিংসতা বা প্রভাব বিস্তার ঠেকাতে শুধু বিজিবি যথেষ্ট নাও হতে পারে। তারা র্যাব বা অন্যান্য বিশেষ বাহিনীর আরও দৃশ্যমান উপস্থিতি ও কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন।
যশোরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে আমরা বদ্ধপরিকর। এখানে ব্যর্থতার কোনো সুযোগ নেই।
সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় রয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য।

